শিরোনামঃ
বর্ডার পার হয়ে গেল ২০০ গরু, বিএসএফ জানালে জানলো বিজিবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল নিবন্ধনে উপচে পড়া ভিড় এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে যান চলাচলে ডিএমপির নির্দেশনা চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় পাপিয়া ও শুচি মহিলালীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে ফুটবল মাঠ ভরাট ও গোরস্থানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আমনুরায় চুক্তি শেষ হওয়ায় ৫০ মেগাওয়াট কেন্দ্র বন্ধ, চাপে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভোলাহাটে মাদকের বিরুদ্ধে ওসি বারিকের বিশেষ অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিমরুলের কামড়ে প্রাণ গেলো বৃদ্ধের, ১০ জনের বেশি আহত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিএমডি’র আধুনিক শেচ প্রযুক্তি ও খাল খননে বদলে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি
News Title :
বর্ডার পার হয়ে গেল ২০০ গরু, বিএসএফ জানালে জানলো বিজিবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল নিবন্ধনে উপচে পড়া ভিড় এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে যান চলাচলে ডিএমপির নির্দেশনা চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় পাপিয়া ও শুচি মহিলালীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে ফুটবল মাঠ ভরাট ও গোরস্থানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আমনুরায় চুক্তি শেষ হওয়ায় ৫০ মেগাওয়াট কেন্দ্র বন্ধ, চাপে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভোলাহাটে মাদকের বিরুদ্ধে ওসি বারিকের বিশেষ অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিমরুলের কামড়ে প্রাণ গেলো বৃদ্ধের, ১০ জনের বেশি আহত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিএমডি’র আধুনিক শেচ প্রযুক্তি ও খাল খননে বদলে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি

খলিলুর লন্ডন ষড়যন্ত্রের হোতা, রিজওয়ানা ভোট কারচুপির ‘রাজসাক্ষী’: জামায়াত

নির্বাচনী ইঞ্জিনিয়ারিং ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কতিপয় উপদেষ্টার পক্ষপাতমূলক আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদে সংসদীয় দলের বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এমপি। তিনি অভিযোগ করেছেন, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ৫৩টি আসনে ভোটগ্রহণ নিয়ে অভিযোগ আছে জামায়াতের। সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানার বক্তব্যের মাধ্যমে বিগত সরকারের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগের ব্যাপারে জাতির কাছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে স্পষ্ট করতে হবে। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ছিলেন লন্ডন ষড়যন্ত্রের মূল হোতা। বর্তমান সরকারকে ক্ষমতায় আনতে তিনি বিগত সরকারের মধ্যে থেকে নানা ষড়যন্ত্র করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, সাইফুল আলম খান মিলন এমপি এবং কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিশির মনিরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আব্দুল্লাহ তাহের আরও বলেন, সাবেক এই উপদেষ্টারা জাতির সুষ্ঠু নির্বাচনের আকাঙক্ষাকে ভণ্ডুল করে দিয়েছে। তারা মীর জাফর। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযুক্ত সাবেক দুই উপদেষ্টাকে আইনের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।

আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, গতকাল আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘রাজসাক্ষী’ পেয়েছি। সেই রাজসাক্ষীর নাম সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপিকা অ্যাডভোকেট রিজওয়ানা। তিনি এক সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে প্রকাশ করেছেন যে, আমরা যারা নারীর ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে পারিনি, তারা বিরোধী দলে থাকলেও তাদেরকে মূলধারা বা প্রধান শক্তি হিসেবে আসতে দেওয়া হয়নি। এ থেকে বোঝা যায়, নির্বাচন ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর যে অভিযোগ আগে থেকে উঠে আসছিল, সেটিই তিনি পরোক্ষভাবে স্বীকার করে একপ্রকার রাজসাক্ষী হয়েছেন।

 

এখন আমরা বিষয়টি জানতে চাই তার কাছ থেকে, তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছ থেকে এবং বর্তমান সরকারের কাছ থেকেও—তাদের যোগসাজশে কি কোনো ধরনের নির্বাচনী ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে মূলধারার বা প্রধান দল হিসেবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন থেকে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছিল? এছাড়াও আমরা জানতে চাই, মাননীয় সাবেক উপদেষ্টার কাছে—এই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সঙ্গে আর কারা কারা জড়িত ছিলেন? পুরো সরকার কি এতে জড়িত ছিল, নাকি সরকারের কোনো শক্তিশালী অংশ নির্বাচনকে প্রভাবিত করেছিল?

জামায়াত নেতা আরও বলেন, শুরু থেকেই আমরা দেখেছি, অন্তর্বর্তী সরকারের একজন ব্যক্তি—যিনি আমাদের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ছিলেন—তিনি প্রথম দিনেই খলিলুর রহমান সাহেবকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করান। অথচ এটি ছিল তার আগের অবস্থান ও শপথের পরিপন্থী একটি কাজ।

এখানে বিষয়টি স্পষ্ট যে, খলিলুর রহমান লন্ডন ষড়যন্ত্রের অন্যতম প্রধান ব্যক্তি ছিলেন। সেখান থেকে তিনি সরকারকে প্রভাবিত করে একটি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সুবিধা দেওয়ার জন্য ধারাবাহিকভাবে কাজ করেছেন। তার সেই কাজের পুরস্কার হিসেবেই তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ পেয়েছেন। এ ঘটনায় বিএনপির ভূমিকা নিয়েও আমি বিস্মিত হয়েছি। কারণ প্রশ্ন হচ্ছে—বিএনপির কি এতটাই লোকসংকট যে একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে মন্ত্রী করতে হবে? অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিএনপির নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ নিজেই তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছিলেন এবং তাকে সরকার থেকে অপসারণের দাবি তুলেছিলেন।

তাহলে যে ব্যক্তি তখন বিএনপির দৃষ্টিতে বিতর্কিত বা অগ্রহণযোগ্য ছিলেন, তিনি কীভাবে পরে বিএনপির আস্থাভাজন হয়ে মন্ত্রী হলেন? এতে মনে হয়, সালাউদ্দিন আহমেদের সেই বক্তব্যের পর খলিলুর রহমান গোপনে বিএনপির সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ বা সমঝোতায় গিয়েছিলেন।

সম্ভবত এমন একটি সমঝোতা হয়েছিল যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তিনি বিএনপিকে নির্বাচনে সহায়তা করবেন এবং পরবর্তীতে বিএনপি সরকার গঠন করলে তাকে মন্ত্রী করা হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের অবস্থান থেকে এই বিষয়গুলো অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যায়। সুতরাং, খলিলুর রহমান সাহেবকেও এই সরকারের উচিত যথাযথভাবে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা। কারণ জানতে হবে—কী ধরনের ষড়যন্ত্র বা পরিকল্পনার মাধ্যমে তারা জাতিকে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন থেকে বঞ্চিত করেছেন। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এই জাতির দীর্ঘদিনের দাবি এবং মানুষের মনের গভীর আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি বলেন, গণভোটে জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। কিন্তু এই সরকার সংস্কার প্রক্রিয়া থেকে সড়ে এসে নানাভাবে জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছে। সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। এটা সরকারের স্পষ্ট ব্যর্থতা।

জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, সংবিধানের আলোকে সরকারের পক্ষ থেকে লিখিত প্রস্তাব পেলে ডেপুটি স্পিকার পদ নিয়ে ভেবে দেখবে জামায়াত। তবে সেক্ষেত্রে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে সরকারকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

বর্ডার পার হয়ে গেল ২০০ গরু, বিএসএফ জানালে জানলো বিজিবি

খলিলুর লন্ডন ষড়যন্ত্রের হোতা, রিজওয়ানা ভোট কারচুপির ‘রাজসাক্ষী’: জামায়াত

Update Time : ০২:১৭:৩০ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

নির্বাচনী ইঞ্জিনিয়ারিং ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কতিপয় উপদেষ্টার পক্ষপাতমূলক আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদে সংসদীয় দলের বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এমপি। তিনি অভিযোগ করেছেন, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ৫৩টি আসনে ভোটগ্রহণ নিয়ে অভিযোগ আছে জামায়াতের। সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানার বক্তব্যের মাধ্যমে বিগত সরকারের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগের ব্যাপারে জাতির কাছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে স্পষ্ট করতে হবে। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ছিলেন লন্ডন ষড়যন্ত্রের মূল হোতা। বর্তমান সরকারকে ক্ষমতায় আনতে তিনি বিগত সরকারের মধ্যে থেকে নানা ষড়যন্ত্র করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, সাইফুল আলম খান মিলন এমপি এবং কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিশির মনিরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আব্দুল্লাহ তাহের আরও বলেন, সাবেক এই উপদেষ্টারা জাতির সুষ্ঠু নির্বাচনের আকাঙক্ষাকে ভণ্ডুল করে দিয়েছে। তারা মীর জাফর। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযুক্ত সাবেক দুই উপদেষ্টাকে আইনের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।

আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, গতকাল আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘রাজসাক্ষী’ পেয়েছি। সেই রাজসাক্ষীর নাম সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপিকা অ্যাডভোকেট রিজওয়ানা। তিনি এক সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে প্রকাশ করেছেন যে, আমরা যারা নারীর ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে পারিনি, তারা বিরোধী দলে থাকলেও তাদেরকে মূলধারা বা প্রধান শক্তি হিসেবে আসতে দেওয়া হয়নি। এ থেকে বোঝা যায়, নির্বাচন ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর যে অভিযোগ আগে থেকে উঠে আসছিল, সেটিই তিনি পরোক্ষভাবে স্বীকার করে একপ্রকার রাজসাক্ষী হয়েছেন।

 

এখন আমরা বিষয়টি জানতে চাই তার কাছ থেকে, তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছ থেকে এবং বর্তমান সরকারের কাছ থেকেও—তাদের যোগসাজশে কি কোনো ধরনের নির্বাচনী ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে মূলধারার বা প্রধান দল হিসেবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন থেকে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছিল? এছাড়াও আমরা জানতে চাই, মাননীয় সাবেক উপদেষ্টার কাছে—এই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সঙ্গে আর কারা কারা জড়িত ছিলেন? পুরো সরকার কি এতে জড়িত ছিল, নাকি সরকারের কোনো শক্তিশালী অংশ নির্বাচনকে প্রভাবিত করেছিল?

জামায়াত নেতা আরও বলেন, শুরু থেকেই আমরা দেখেছি, অন্তর্বর্তী সরকারের একজন ব্যক্তি—যিনি আমাদের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ছিলেন—তিনি প্রথম দিনেই খলিলুর রহমান সাহেবকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করান। অথচ এটি ছিল তার আগের অবস্থান ও শপথের পরিপন্থী একটি কাজ।

এখানে বিষয়টি স্পষ্ট যে, খলিলুর রহমান লন্ডন ষড়যন্ত্রের অন্যতম প্রধান ব্যক্তি ছিলেন। সেখান থেকে তিনি সরকারকে প্রভাবিত করে একটি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সুবিধা দেওয়ার জন্য ধারাবাহিকভাবে কাজ করেছেন। তার সেই কাজের পুরস্কার হিসেবেই তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ পেয়েছেন। এ ঘটনায় বিএনপির ভূমিকা নিয়েও আমি বিস্মিত হয়েছি। কারণ প্রশ্ন হচ্ছে—বিএনপির কি এতটাই লোকসংকট যে একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে মন্ত্রী করতে হবে? অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিএনপির নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ নিজেই তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছিলেন এবং তাকে সরকার থেকে অপসারণের দাবি তুলেছিলেন।

তাহলে যে ব্যক্তি তখন বিএনপির দৃষ্টিতে বিতর্কিত বা অগ্রহণযোগ্য ছিলেন, তিনি কীভাবে পরে বিএনপির আস্থাভাজন হয়ে মন্ত্রী হলেন? এতে মনে হয়, সালাউদ্দিন আহমেদের সেই বক্তব্যের পর খলিলুর রহমান গোপনে বিএনপির সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ বা সমঝোতায় গিয়েছিলেন।

সম্ভবত এমন একটি সমঝোতা হয়েছিল যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তিনি বিএনপিকে নির্বাচনে সহায়তা করবেন এবং পরবর্তীতে বিএনপি সরকার গঠন করলে তাকে মন্ত্রী করা হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের অবস্থান থেকে এই বিষয়গুলো অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যায়। সুতরাং, খলিলুর রহমান সাহেবকেও এই সরকারের উচিত যথাযথভাবে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা। কারণ জানতে হবে—কী ধরনের ষড়যন্ত্র বা পরিকল্পনার মাধ্যমে তারা জাতিকে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন থেকে বঞ্চিত করেছেন। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এই জাতির দীর্ঘদিনের দাবি এবং মানুষের মনের গভীর আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি বলেন, গণভোটে জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। কিন্তু এই সরকার সংস্কার প্রক্রিয়া থেকে সড়ে এসে নানাভাবে জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছে। সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। এটা সরকারের স্পষ্ট ব্যর্থতা।

জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, সংবিধানের আলোকে সরকারের পক্ষ থেকে লিখিত প্রস্তাব পেলে ডেপুটি স্পিকার পদ নিয়ে ভেবে দেখবে জামায়াত। তবে সেক্ষেত্রে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে সরকারকে।