
মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্সের পুরস্কার পেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। আইসিসি পুরুষদের টেস্ট ব্যাটিং র্যাংকিংয়ে ক্যারিয়ারসেরা ২৩তম স্থানে উঠে এসেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ১৬ ধাপ এগিয়ে এখন তিনি পাকিস্তানের তারকা ব্যাটসম্যান বাবর আজমের সঙ্গে যৌথভাবে ২৩ নম্বরে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে শান্ত করেছিলেন ১০১ ও ৮৭ রান। দুই ইনিংসের এই পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরাও হন তিনি। বাংলাদেশ ম্যাচটি জেতে ১০৪ রানে। সেই জয়েই দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
শান্তর জন্য অর্জনটা শুধু র্যাংকিংয়ে উন্নতিই নয়। মিরপুর টেস্টে অধিনায়ক হিসেবে নিজের পঞ্চম টেস্ট সেঞ্চুরি করেন তিনি। এতে অধিনায়ক হিসেবে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ টেস্ট সেঞ্চুরির রেকর্ডও এখন তার। আগের রেকর্ডটি ছিল মুশফিকুর রহিমের, অধিনায়ক হিসেবে ৪টি টেস্ট সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি।
র্যাংকিংয়ে উন্নতি হয়েছে মুশফিক ও মুমিনুল হকেরও। মিরপুর টেস্টে ৭১ ও ২২ রান করা মুশফিক দুই ধাপ এগিয়ে উঠেছেন ২৬তম স্থানে। প্রথম ইনিংসে ৯১ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৬ রান করা মুমিনুল ১২ ধাপ এগিয়ে এখন ৩৫ নম্বরে।
বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক করা পাকিস্তানের দুই ব্যাটসম্যানও র্যাংকিংয়ে ঢুকেছেন। আবদুল্লাহ ফজল আছেন ৭৫তম স্থানে, আজান আওয়াইস ৮২তম স্থানে। আজান প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন। আবদুল্লাহ দুই ইনিংসেই পেয়েছেন ফিফটি।
বোলিং র্যাংকিংয়েও বাংলাদেশের উন্নতি আছে। দুই ইনিংসেই ২টি করে উইকেট নেওয়া তাইজুল ইসলাম ১৬তম স্থান থেকে উঠে এসেছেন ১৩ নম্বরে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৯২ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচে বড় ভূমিকা রাখা পেসার নাহিদ রানা ৫ ধাপ এগিয়ে উঠেছেন ৬৪তম স্থানে।
পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মদ আব্বাসও র্যাংকিংয়ে ফিরেছেন। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ৯২ রানে ৫ উইকেট নেওয়ার পর তিনি টেস্ট বোলিং র্যাংকিংয়ে ২৮তম স্থানে প্রবেশ করেছেন।
মিরপুরের জয় বাংলাদেশকে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলেও এগিয়ে দিয়েছে। পাকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশ উঠে এসেছে ষষ্ঠ স্থানে। তিন ম্যাচে একটি জয়, একটি ড্র ও একটি হারের পর বাংলাদেশের পয়েন্ট শতাংশ এখন ৪৪.৪৪। অন্যদিকে পাকিস্তান তিন ম্যাচে দুই হার নিয়ে পিছিয়ে পড়েছে।