আগামী দিনের রাজনীতি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিলে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সেখানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যোগ দেন মন্ত্রী পরিষদের সদস্যরাও।
ইতিহাস তৈরি করে প্রথমবারের মত বিরোধী দলের ইফতার অনুষ্ঠানে দেশের প্রথম কোন প্রধানমন্ত্রী। জামায়াতের আমন্ত্রনে সাড়া দিয়ে শনিবার দলটির ইফতার অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিগত ১৬ বছর যেখানে সরকারি দল আর প্রধান বিরোধী দলের মধ্যে ছিল দা-কুমড়ার সম্পর্ক ছিলো সেখানে অতীতের সব তিক্ততাকে পিছনে ফেলে এক টেবিলে সরকার প্রধান ও বিরোধী দলীয় নেতা। ছিলেন অন্য দলের শীর্ষ নেতারাও।
ইফতারের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে নির্বাচনের মাধ্যমে গনতন্ত্রের মাত্রা শুরু হয়েছে। এই সরকারের কাছে মানুষের অনেক প্রত্যাশা। জনগণ রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী দিনের রাজনীতি হবে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। তিনি সব রাজনৈতিক দলকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য দেন বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বিগত সময়ের মত এবারের সংসদ কারো চরিত্র হননের কেন্দ্র বিন্দু হবেনা জানিয়ে ডা. শফিক বলেন এবারের সংসদ হবে প্রাণবন্ত।
গনতন্ত্রের পথকে মসৃণ করতে রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐকবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে বলেও জানান বিরোধী দলীয় নেতা।
অনুষ্ঠানে বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গতানুগতিক বিরোধী দল না হয়ে সরকারকে সহায়তা করতে চায় জামায়াতে ইসলামী।