মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। এবার দিনটি কবে উদযাপিত হবে, তা নিয়ে ইতোমধ্যেই কৌতূহল শুরু হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো সম্ভাব্য এই দিনটির প্রাথমিক তারিখ নির্ধারণ করেছে। যদিও ইসলামিক দিবসগুলো নির্ধারিত হয় চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে। সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে আগামী ২১ মার্চ ঈদ উদযাপন করতে পারে পাকিস্তান।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, ৩০ দিনের রমজান পূর্ণ হলে পাকিস্তানে ঈদুল ফিতর ২১ মার্চ পালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ ১৯ মার্চ সন্ধ্যায় শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা পাকিস্তান স্পেস অ্যান্ড আপার অ্যাটমোস্ফিয়ার রিসার্চ কমিশন (সুপারকো) বুধবার জানায়, শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরির নতুন চাঁদের জন্ম হতে পারে ১৯ মার্চ পাকিস্তান সময় সকাল ৬টা ২৩ মিনিটে।
সুপারকোর মতে, ওই দিন সূর্যাস্তের সময় অমাবস্যার বয়স হবে প্রায় ১২ ঘণ্টা ৪১ মিনিট। পাকিস্তানের উপকূলীয় অঞ্চলে সূর্যাস্ত ও চাঁদ অস্ত যাওয়ার মধ্যে ব্যবধান থাকবে প্রায় ২৮ মিনিট। এই জ্যোতির্বিদ্যাগত অবস্থার কারণে ১৯ মার্চ সন্ধ্যায় শাওয়ালের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
সেক্ষেত্রে পহেলা শাওয়াল পড়তে পারে ২১ মার্চ শনিবার, অর্থাৎ ওই দিনই ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চাঁদ দেখা ও দেশে ঈদ শুরুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় চাঁদ দেখা কমিটি।
এক মাস রোজা রাখার পর বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমান গভীর ধর্মীয় আবেগ ও উৎসাহের সঙ্গে ঈদুল ফিতর উদযাপন করেন। ধৈর্য, আত্মসংযম ও উদারতার চর্চার মধ্য দিয়ে রমজান শেষ হয় এই উৎসবের মাধ্যমে।
ইসলামি চান্দ্র ক্যালেন্ডারে মাস সাধারণত ২৯ বা ৩০ দিনের হয় এবং চাঁদ দেখার ওপরই মাসের শুরু ও শেষ নির্ধারিত হয়। তাই রমজান প্রতি বছর একই গ্রেগরিয়ান তারিখে পড়ে না। ১২ মাসের ইসলামি বর্ষ চাঁদের হিসাব অনুযায়ী হওয়ায় এটি গ্রেগরিয়ান বছরের তুলনায় প্রায় ১০ দিন ছোট। এজন্য প্রতি বছর রমজানের সময়ও এগিয়ে আসে