শাহীন আলম, স্টাফ রিপোর্টারঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেনারি হাসপাতালে বর্তমানে উন্নত চিকিৎসা ও আন্তরিক সেবা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার খামারি ও সাধারণ মানুষ। এর আগে হাসপাতালে নিয়মিত চিকিৎসা কার্যক্রম থাকলেও সেভাবে চিকিৎসায় আশার আলো দেখেনি সেখানকার খামারি ও সাধারণ মানুষ। এখন ২৪ ঘন্টা পশুর রোগ নির্ণয় ও পরামর্শ সেবা সহজলভ্য হওয়ায় খামারিদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন গরু, ছাগল, ভেড়া ও হাঁস-মুরগির চিকিৎসার জন্য খামারিরা হাসপাতালে আসছেন। চিকিৎসক ও কর্মচারীদের আন্তরিক আচরণ এবং দ্রুত সেবায় তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে প্রাণীদের বিভিন্ন সংক্রামক রোগ, টিকা প্রদান, কৃমিনাশক সেবা ও আধুনিক চিকিৎসা পরামর্শ পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন খামারিরা।
স্থানীয় খামারি আব্দুল করিম বলেন, “আগে চিকিৎসা নিতে অনেক ভোগান্তি হতো। এখন হাসপাতালে এসে দ্রুত চিকিৎসা ও সঠিক পরামর্শ পাচ্ছি। এতে আমাদের খামারের প্রাণীগুলো সুস্থ থাকছে।”
আরেক খামারি রফিকুল ইসলাম জানান, “প্রাণিসম্পদ অফিসের ডাক্তাররা এখন অনেক আন্তরিক। ফোন দিলেও পরামর্শ দিচ্ছেন। এতে আমরা অনেক উপকার পাচ্ছি।”
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা ওয়াসিম আকরাম জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী খামারিদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করা হচ্ছে। প্রাণিসম্পদের উন্নয়ন ও খামারিদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে নিয়মিত চিকিৎসা, পরামর্শ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
এদিকে সামনে ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে বিক্রির উদ্দেশ্যে খামারিরা পশু মোটা তাজাকরণ, প্রাকৃতিকভাবে যেন মোটাতাজাকরণ করা হয় সে দিকে মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে, দ্রুত কোন পশু অসুস্থ হলে সেখানে মোবাইল ভেটেনারি ক্লিনিক (MVC)সেবা প্রদান করে আসছে।
এদিকে হাসপাতালের সেবার মান উন্নত হওয়ায় গোমস্তাপুরের খামারিদের মাঝে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে এলাকায় প্রাণিসম্পদ খাত আরও সমৃদ্ধ হবে।