চাঁপাইনবাবগঞ্জের চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ নারী-পুরুষকে পুশইনের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ৭ ঘণ্টা শূন্যরেখায় রেখে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফ।
শনিবার (২০ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ওই ২০ নারী-পুরুষকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায় বিএসএফের সুখদেবপুর ক্যাম্পের সদস্যরা।
২০ জনের মধ্যে ১১ জন নারী, ৫ জন পুরুষ ও ৪ জন শিশু ছিল। এ ঘটনায় দুই দফায় বিজিবি-বিএসএফের কোম্পানী কমান্ডার পর্যায়ের পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে সীমান্তের পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শান্ত রয়েছে।
এর আগে ভোর ৬টার দিকে চৌকা সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক ঠেলে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবির তাৎক্ষণিক বাধায় শূন্যরেখায় ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান নেয়। ৬ ঘণ্টা পর তাদের ফিরিয়ে নিয়ে যায় বিএসএফের সদস্যরা। বর্তমানে সীমান্তে বিজিবির লোকবল, টহল, নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার মানুষও সীমান্তে অবস্থান নিয়েছে।
৫৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, ভোরে পুশইনের চেষ্টা হলে প্রতিহত করে বিজিবি। সকাল ৯টার দিকে কোম্পানী কামান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হলে তাদের ফেরত নেয়ার আশ্বাস দেয়। পরে দুপুর ১২টার দিকে তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সীমান্ত এলাকায় তাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি ও তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানায় বিজিবি।
তিনি আরো বলেন, বিজিবি সকল ধরনের পুশইন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে সীমান্তে টহল কার্যক্রম জোরদার করেছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে অধিক সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপতৎপরতা প্রতিরোধে বিজিবির কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”