
যমুনা বহুমুখী সেতুর ডেক সংস্কার, প্রশস্তকরণ ও পরিত্যক্ত রেল লেনের স্থানকে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (সিসিসিসি)-চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশন (সিআরবিসি) জেভির মধ্যে চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে।
আজ বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সরকারের অতিরিক্ত সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) আলতাফ হোসেন সেখ।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষে প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদাউস এবং সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভির পক্ষে ওয়াং বেনকিয়ান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে আলতাফ হোসেন সেখ বলেন, দ্রুত চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ব্রিজ সম্প্রসারণ কাজের গুণগত মান বজায় রেখে যথাযথ বাস্তবায়নের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা রয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপ মোকাবিলা এবং উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ আরো উন্নত করতে যমুনা সেতুর আধুনিকায়ন ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরো বলেন, যমুনা সেতু জাতীয় অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। সেতুতে রেল সংযোগ পৃথক হওয়ার পর অব্যবহৃত রেল লেনটি যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে সংস্কার করা হলে সেতুর চলাচলপথ প্রায় ৩ দশমিক ৫ মিটার বৃদ্ধি পাবে।
এছাড়া সেতুর ডেক সংস্কার ও প্রশস্তকরণের মাধ্যমে যানবাহনের ধারণক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মূল কাঠামোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে, যাতে সেতুটি দীর্ঘ সময় কার্যকরভাবে সেবা দিতে পারে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নত মান বজায় রেখে সংস্কার কাজ সম্পন্ন হলে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে যাতায়াত আরো নির্বিঘ্ন হবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সংস্কার কাজ শেষ হলে যমুনা সেতু আগামী দিনগুলোতে আরো টেকসই ও কার্যকর যোগাযোগ অবকাঠামো হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সূত্র: বাসস।