
ইসলামে মূল কথা হলো শুধু না খেয়ে থাকা নয়, বরং নিয়ত, আচরণ ও চরিত্রসহ পুরো জীবনধারা আল্লাহর সন্তুষ্টির দিকে রাখা। কুরআন ও হাদিসে এমন কিছু মানুষের কথা বলা হয়েছে যাদের রোজা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হয় না বা পূর্ণ সওয়াব পায় না।
যারা মিথ্যা কথা ও খারাপ কাজ ছাড়ে না
রাসূল (স.) বলেছেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও মন্দ কাজ ত্যাগ করে না, তার শুধু খাবার-পানীয় ছেড়ে দেওয়ার কোনো মূল্য আল্লাহর কাছে নেই। এই শিক্ষা পাওয়া যায় সহিহ বুখারি-তে বর্ণিত হাদিস থেকে।
অর্থ: রোজা শুধু ক্ষুধা সহ্য করা নয়; চরিত্রও বদলাতে হবে।
যারা গীবত, অপবাদ ও ঝগড়ায় লিপ্ত থাকে
অন্যের বদনাম, গালাগালি, ঝগড়া রোজার আত্মাকে নষ্ট করে দেয়। রোজার উদ্দেশ্য তাকওয়া অর্জন, যেমন বলা হয়েছে আল-কুরআন-এ।
হারাম উপার্জনকারী
যে ব্যক্তি হারাম উপায়ে আয় করে এবং তা দিয়েই ইফতার বা জীবন চালায়, তার ইবাদত গ্রহণে বাধা সৃষ্টি হয়। আল্লাহ পবিত্র, তিনি পবিত্র জিনিসই গ্রহণ করেন।
নামাজ অবহেলা করে যারা
অনেক আলেম বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে ফরজ নামাজ ছেড়ে দিয়ে শুধু রোজা রাখা ইবাদতের পূর্ণতা নষ্ট করে। কারণ ইসলাম একটি সম্পূর্ণ ব্যবস্থা।
লোক দেখানোর জন্য রোজা রাখা
যদি উদ্দেশ্য আল্লাহ না হয়ে মানুষের প্রশংসা হয়, তাহলে রোজার আসল সওয়াব নষ্ট হয়ে যায়।
অন্যায়ভাবে মানুষের হক নষ্টকারী
অন্যের হক মেরে খাওয়া, জুলুম করা, প্রতারণা করা অবস্থায় রোজা রাখলে বাহ্যিকভাবে রোজা হয়, কিন্তু কবুল হওয়া প্রশ্নের মুখে পড়ে।
রাসূল মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, অনেক রোজাদার আছে যারা রোজা থেকে শুধু ক্ষুধা ও তৃষ্ণাই পায় (বর্ণনা: সহিহ মুসলিম সহ বিভিন্ন হাদিস গ্রন্থে অর্থগতভাবে এসেছে)।
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















