
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হলে দেশটি নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়বে না—এমনটাই মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্টিমসন সেন্টারের বিশিষ্ট ফেলো বারবারা স্লাভিন। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এ পরিস্থিতির জন্য ইরানের একটি পরিকল্পনা রয়েছে।
স্লাভিনের ভাষ্য, খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত হলে সম্ভবত একটি কাউন্সিল গঠন করে দেশ পরিচালনা করা হবে। ‘আমাদের জানা মতে, এমন একটি কাউন্সিল হয়তো ইতিমধ্যেই কার্যত দেশ পরিচালনা করে আসছে,’ বলেন তিনি।
তবে তার মতে, বড় প্রশ্ন হলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বিজয়’কে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করবেন। ‘যদি সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করাই তার কাছে যথেষ্ট মনে হয়, তাহলে তিনি বলতে পারেন, ‘আমি জিতেছি’-এবং এক-দু’দিনের মধ্যেই অভিযান থামিয়ে দিতে পারেন। এটা তার স্বভাবসুলভ আচরণই হবে,’ মন্তব্য করেন স্লাভিন।
তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প চাইলে এটিকে ‘শাসন পরিবর্তন’ হিসেবে ঘোষণা করতে পারেন, যদিও বাস্তবে একই ধরনের রাজনৈতিক কাঠামো বহাল থাকতে পারে।
ইসরায়েলের সামরিক হামলা প্রসঙ্গে স্লাভিন একে ‘নাটকীয় প্রদর্শন’ হিসেবে আখ্যা দেন। তার মতে, ইসরায়েল সুযোগ পেলে ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক কাঠামোকে যতটা সম্ভব দুর্বল করার চেষ্টা করছে।
‘আমরা জানি, ইসরায়েল টার্গেটেড হত্যাকাণ্ড পছন্দ করে। যদি খামেনি সত্যিই নিহত হয়ে থাকেন, তাহলে তারা সেটিকে বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরবে,’ বলেন তিনি।
তবে শেষ পর্যন্ত এতে প্রকৃত অর্থে কোনো মৌলিক পরিবর্তন আসবে কি না—সেই প্রশ্নও তুলে ধরেন এই বিশ্লেষক।
সূত্র: আল জাজিরা
নিজস্ব প্রতিবেদক 















