শিরোনামঃ
মেধা পাচার নাকি বিশ্বজয়ের পথে বাংলাদেশের নাহিদ আলম? হাওরে ডুবছে পাকা ধান, কাঁদছে কৃষক হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোনায় বাড়ছে নদ-নদীর পানি, ধান নিয়ে শঙ্কায় কৃষকরা জুলাই সনদ নিয়ে সরকার গণবিরোধীতায় লিপ্ত হয়েছে স্কুলে এসে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী পাম্পের অনিয়মের ভিডিও করায় ছাত্র অধিকারের নেতাকে মারধর ও আটকে রাখার অভিযোগ ভোলাহাটে জ্বালানি তেল পাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন বজ্রপাতে প্রাণ গেল বাবার, কোল থেকে ছিটকে প্রাণে বাঁচল মেয়ে পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফায় ১৪২ আসনে ভোট আজ
News Title :
মেধা পাচার নাকি বিশ্বজয়ের পথে বাংলাদেশের নাহিদ আলম? হাওরে ডুবছে পাকা ধান, কাঁদছে কৃষক হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোনায় বাড়ছে নদ-নদীর পানি, ধান নিয়ে শঙ্কায় কৃষকরা জুলাই সনদ নিয়ে সরকার গণবিরোধীতায় লিপ্ত হয়েছে স্কুলে এসে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী পাম্পের অনিয়মের ভিডিও করায় ছাত্র অধিকারের নেতাকে মারধর ও আটকে রাখার অভিযোগ ভোলাহাটে জ্বালানি তেল পাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন বজ্রপাতে প্রাণ গেল বাবার, কোল থেকে ছিটকে প্রাণে বাঁচল মেয়ে পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফায় ১৪২ আসনে ভোট আজ

অভিষেক-নাহিদুলের ঝড়ে ফাইনালে খুলনা

সিলেটে বৃষ্টি থামলেও থামেনি রোমাঞ্চ। আজ জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) প্রথম কোয়ালিফায়ারে দারুণ সূচনা করেও শেষ হাসি হাসতে পারেনি চট্টগ্রাম। অভিষেক দাস ও নাহিদুল ইসলামের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৯ ওভারে ৭৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৩ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটে জয় পেয়েছে খুলনা। সেই সঙ্গে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে তারা।

টস হেরে আগে ব্যাট করে চট্টগ্রাম নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তোলে ১৪৯ রান। অধিনায়ক ইয়াসির আলী রাব্বি খেলেন ৩৭ বলে ৪৫ রানের ইনিংস, সঙ্গে ইরফান শুক্কুরের ৩৩ বলে ৩৯ রান ও শাহাদাত হোসেন দিপুর ১৯ বলে ২৫ রান দলকে দেয় লড়াইয়ের পুঁজি। শেষদিকে বড় শট না আসায় রান কিছুটা কমে যায়, কিন্তু উইকেট হাতে রেখেই ব্যাটিং শেষ করায় স্কোরটা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ছিল।

তবে খুলনা ব্যাট হাতে নামার আগেই শুরু হয় বৃষ্টি। ম্যাচ নেমে আসে ৯ ওভারে, লক্ষ্য দাঁড়ায় ৭৮ রানের। বৃষ্টির পর ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপর্যয়ে পড়ে খুলনা। ৫ ওভার শেষে দলের রান মাত্র ৩০, উইকেট পড়ে গেছে ৫টি। এনামুল হক বিজয়, মোহাম্মদ মিঠুন, সৌম্য সরকার, জিয়াউর রহমান ও আফিফ হোসেন-একজনও টিকতে পারেননি।

সেই কঠিন পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরেন দুই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার-অভিষেক দাস ও নাহিদুল ইসলাম। তখন খুলনার জয়ের জন্য দরকার ২৪ বলে ৪৮ রান, টি–টোয়েন্টির হিসেবে প্রায় অসম্ভব সমীকরণ। কিন্তু এই দুই ব্যাটার সেই সমীকরণটিকে করে ফেলেন অঙ্কের খেলা।

নাঈম হাসানের এক ওভারে চার ও ছক্কা মেরে চাপ কমান নাহিদুল। এরপর হাসান মুরাদের পরের ওভারে টানা দুটি ছক্কা হাঁকান অভিষেক দাস। শেষ দুই ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৭ রান, কিন্তু তারা ম্যাচ শেষ করেন ৩ বল আগেই।

২০ বলের অবিচ্ছিন্ন সপ্তম উইকেট জুটিতে দুজন মিলে যোগ করেন ৫১ রান। ১১ বলে ৩ ছক্কা ও ২ চারে ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন অভিষেক দাস, আর ৯ বলে ২১ রান আসে নাহিদুল ইসলামের ব্যাট থেকে।

শেষ পর্যন্ত খুলনা জেতে ডাকওয়ার্থ–লুইস পদ্ধতিতে ৪ উইকেটে। এমন জয় এনে দিয়েই ফাইনালের টিকিট কেটে নেয় তারা। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের এখনো সুযোগ আছে শিরোপা লড়াইয়ে ওঠার। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রংপুরের বিপক্ষে জিততে পারলে ফাইনালে ফিরতে পারবে ইয়াসির আলীর দল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

মেধা পাচার নাকি বিশ্বজয়ের পথে বাংলাদেশের নাহিদ আলম?

অভিষেক-নাহিদুলের ঝড়ে ফাইনালে খুলনা

Update Time : ১১:৩৭:৪৭ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

সিলেটে বৃষ্টি থামলেও থামেনি রোমাঞ্চ। আজ জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) প্রথম কোয়ালিফায়ারে দারুণ সূচনা করেও শেষ হাসি হাসতে পারেনি চট্টগ্রাম। অভিষেক দাস ও নাহিদুল ইসলামের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৯ ওভারে ৭৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৩ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটে জয় পেয়েছে খুলনা। সেই সঙ্গে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে তারা।

টস হেরে আগে ব্যাট করে চট্টগ্রাম নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তোলে ১৪৯ রান। অধিনায়ক ইয়াসির আলী রাব্বি খেলেন ৩৭ বলে ৪৫ রানের ইনিংস, সঙ্গে ইরফান শুক্কুরের ৩৩ বলে ৩৯ রান ও শাহাদাত হোসেন দিপুর ১৯ বলে ২৫ রান দলকে দেয় লড়াইয়ের পুঁজি। শেষদিকে বড় শট না আসায় রান কিছুটা কমে যায়, কিন্তু উইকেট হাতে রেখেই ব্যাটিং শেষ করায় স্কোরটা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ছিল।

তবে খুলনা ব্যাট হাতে নামার আগেই শুরু হয় বৃষ্টি। ম্যাচ নেমে আসে ৯ ওভারে, লক্ষ্য দাঁড়ায় ৭৮ রানের। বৃষ্টির পর ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপর্যয়ে পড়ে খুলনা। ৫ ওভার শেষে দলের রান মাত্র ৩০, উইকেট পড়ে গেছে ৫টি। এনামুল হক বিজয়, মোহাম্মদ মিঠুন, সৌম্য সরকার, জিয়াউর রহমান ও আফিফ হোসেন-একজনও টিকতে পারেননি।

সেই কঠিন পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরেন দুই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার-অভিষেক দাস ও নাহিদুল ইসলাম। তখন খুলনার জয়ের জন্য দরকার ২৪ বলে ৪৮ রান, টি–টোয়েন্টির হিসেবে প্রায় অসম্ভব সমীকরণ। কিন্তু এই দুই ব্যাটার সেই সমীকরণটিকে করে ফেলেন অঙ্কের খেলা।

নাঈম হাসানের এক ওভারে চার ও ছক্কা মেরে চাপ কমান নাহিদুল। এরপর হাসান মুরাদের পরের ওভারে টানা দুটি ছক্কা হাঁকান অভিষেক দাস। শেষ দুই ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৭ রান, কিন্তু তারা ম্যাচ শেষ করেন ৩ বল আগেই।

২০ বলের অবিচ্ছিন্ন সপ্তম উইকেট জুটিতে দুজন মিলে যোগ করেন ৫১ রান। ১১ বলে ৩ ছক্কা ও ২ চারে ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন অভিষেক দাস, আর ৯ বলে ২১ রান আসে নাহিদুল ইসলামের ব্যাট থেকে।

শেষ পর্যন্ত খুলনা জেতে ডাকওয়ার্থ–লুইস পদ্ধতিতে ৪ উইকেটে। এমন জয় এনে দিয়েই ফাইনালের টিকিট কেটে নেয় তারা। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের এখনো সুযোগ আছে শিরোপা লড়াইয়ে ওঠার। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রংপুরের বিপক্ষে জিততে পারলে ফাইনালে ফিরতে পারবে ইয়াসির আলীর দল।