
স্বামী প্রায় দুই বছর ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন। এরই মধ্যে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন স্ত্রী। এমন ঘটনা ঘটেছে চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের কাজিপাড়া গ্রামে। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের বাসিন্দা সেরাজুল ইসলামের ছেলে কালামের সঙ্গে ওই নারীর অবৈধ সম্পর্ক ছিলো। পরবর্তীতে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি প্রবাসী স্বামী আনারুল ইসলামের কানে পৌঁছালে পারিবারিক বিরোধ চরম আকার ধারণ করে। পরে আনারুল ইসলাম আদালতের মাধ্যমে ডলি বেগমকে তালাক দেন।
একপর্যায়ে এলাকার মেম্বার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে প্রবাসী স্বামী আনারুল ইসলাম অনুমতিতে স্ত্রী ডলি বেগমকে বাড়ি থেকে বের করে দেন এবং ডলি বেগমের পরকীয়া প্রেমিক কালামের বাড়িয়ে পাঠিয়ে দেন। প্রথমে কালাম বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে বিষয়টি স্বীকার করে এবং ডলি বেগমের পরিবার ও কালামের পরিবার মিলে স্থানীয় কয়েকজন মোড়লের মাধ্যমে চার লাখ টাকা জরিমানা করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়। এরপর ডলি বেগমের গর্ভে থাকা কালামের নবজাতক শিশু নিঃসন্তান দম্পতিদের দেওয়ার বিষয়ে উভয়ের সম্মতিতে একটি এফিডেভিট করা হয়।
এইসব ঘটনার প্রায় দুইমাস পর বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ডলি বেগমের পরিবার জোরপূর্বক ডলি বেগমকে প্রবাসী আনারুল ইসলামের বাড়িতে রেখে যায়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এই ঘটনায় প্রবাসী আনারুল ইসলামের ছেলে মোঃ তুষার আলী বাদী হয়ে চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি অভিযোগ করেছেন।
এবিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম বলেন, এই ঘটনায় প্রবাসী আনারুল ইসলামের ছেলে মোঃ তুষার আলী বাদী হয়ে একটি অভিযোগ করেছেন, আমরা অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
নিজস্ব প্রতিবেদক 

















