শিরোনামঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল নিবন্ধনে উপচে পড়া ভিড় এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে যান চলাচলে ডিএমপির নির্দেশনা চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় পাপিয়া ও শুচি মহিলালীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে ফুটবল মাঠ ভরাট ও গোরস্থানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আমনুরায় চুক্তি শেষ হওয়ায় ৫০ মেগাওয়াট কেন্দ্র বন্ধ, চাপে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভোলাহাটে মাদকের বিরুদ্ধে ওসি বারিকের বিশেষ অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিমরুলের কামড়ে প্রাণ গেলো বৃদ্ধের, ১০ জনের বেশি আহত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিএমডি’র আধুনিক শেচ প্রযুক্তি ও খাল খননে বদলে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ ঘাটতি, ঘন ঘন লোডশেডিং, ভোগান্তিতে মানুষ
News Title :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল নিবন্ধনে উপচে পড়া ভিড় এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে যান চলাচলে ডিএমপির নির্দেশনা চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় পাপিয়া ও শুচি মহিলালীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে ফুটবল মাঠ ভরাট ও গোরস্থানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আমনুরায় চুক্তি শেষ হওয়ায় ৫০ মেগাওয়াট কেন্দ্র বন্ধ, চাপে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভোলাহাটে মাদকের বিরুদ্ধে ওসি বারিকের বিশেষ অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিমরুলের কামড়ে প্রাণ গেলো বৃদ্ধের, ১০ জনের বেশি আহত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিএমডি’র আধুনিক শেচ প্রযুক্তি ও খাল খননে বদলে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ ঘাটতি, ঘন ঘন লোডশেডিং, ভোগান্তিতে মানুষ

আমনুরায় চুক্তি শেষ হওয়ায় ৫০ মেগাওয়াট কেন্দ্র বন্ধ, চাপে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমনুরা ৫০ মেগাওয়াট কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র, দুটি কেন্দ্রই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে ভূমিকা রেখে আসছিল। তবে ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সিনহা ডুয়েল ফুয়েল কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির সঙ্গে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)-এর চুক্তির মেয়াদ ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শেষ হয়ে যাওয়ায় কেন্দ্রটি বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে, আমনুরায় অবস্থিত ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি এখনও সচল রয়েছে।

 

 

 

আমনুরায় অবস্থিত ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সিনহা ডুয়েল ফুয়েল বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বেসরকারি মালিকানাধীন একটি কুইক রেন্টাল প্রকল্প ছিল।

 

 

 

প্রকৌশলী শাহারিয়ার ইসলাম জানান, এই কেন্দ্রটির সঙ্গে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)-এর চুক্তির মেয়াদ ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে শেষ হয়ে যায়। ফলে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর থেকেই কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ করে দেয়।

 

 

 

তিনি আরও জানান, প্রায় দেড় বছর অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত নতুন কোনো চুক্তি সম্পাদনের উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি। এতে করে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ উৎস নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে ।

 

 

 

এই কেন্দ্রটি মূলত ২০১২ সালে স্বল্পমেয়াদি বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যে চালু করা হয়েছিল। পরবর্তীতে কয়েক দফা মেয়াদ বাড়ানো হলেও সরকার বর্তমানে ধীরে ধীরে কুইক রেন্টাল কেন্দ্রগুলো থেকে সরে আসার নীতি অনুসরণ করছে। ফলে কেন্দ্রটির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

 

 

 

অন্যদিকে, আমনুরায় অবস্থিত ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি এখনও সচল রয়েছে। কেন্দ্রটির প্রকৌশলী সংকর কুমার দেব জানান, ন্যাশনাল লোড রেসপন্স সেন্টারের চাহিদা অনুযায়ী নির্ধারিত পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়।

 

 

 

এই কেন্দ্রটি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এবং ফার্নেস অয়েল ভিত্তিক। এর প্রকৃত উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১০৭ মেগাওয়াট। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কেন্দ্রটির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিয়মিত ই-টেন্ডার আহ্বান করা হচ্ছে, যা এর কার্যক্রম সচল রাখার ইঙ্গিত দেয়।

 

 

 

স্থানীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ চাহিদা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গ্যাসভিত্তিক স্থায়ী কেন্দ্র এবং গ্রিড ব্যবস্থার উন্নয়ন ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে এই সংকট কাটানো সম্ভব নয়।

 

 

 

চুক্তি নবায়ন, বিকল্প জ্বালানি উৎস এবং আধুনিক গ্রিড ব্যবস্থাপনা, এই তিনটি বিষয়েই দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎ সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল নিবন্ধনে উপচে পড়া ভিড়

আমনুরায় চুক্তি শেষ হওয়ায় ৫০ মেগাওয়াট কেন্দ্র বন্ধ, চাপে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা

Update Time : ০৯:০৯:৫৮ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমনুরা ৫০ মেগাওয়াট কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র, দুটি কেন্দ্রই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে ভূমিকা রেখে আসছিল। তবে ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সিনহা ডুয়েল ফুয়েল কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির সঙ্গে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)-এর চুক্তির মেয়াদ ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শেষ হয়ে যাওয়ায় কেন্দ্রটি বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে, আমনুরায় অবস্থিত ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি এখনও সচল রয়েছে।

 

 

 

আমনুরায় অবস্থিত ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সিনহা ডুয়েল ফুয়েল বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বেসরকারি মালিকানাধীন একটি কুইক রেন্টাল প্রকল্প ছিল।

 

 

 

প্রকৌশলী শাহারিয়ার ইসলাম জানান, এই কেন্দ্রটির সঙ্গে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)-এর চুক্তির মেয়াদ ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে শেষ হয়ে যায়। ফলে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর থেকেই কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ করে দেয়।

 

 

 

তিনি আরও জানান, প্রায় দেড় বছর অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত নতুন কোনো চুক্তি সম্পাদনের উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি। এতে করে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ উৎস নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে ।

 

 

 

এই কেন্দ্রটি মূলত ২০১২ সালে স্বল্পমেয়াদি বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যে চালু করা হয়েছিল। পরবর্তীতে কয়েক দফা মেয়াদ বাড়ানো হলেও সরকার বর্তমানে ধীরে ধীরে কুইক রেন্টাল কেন্দ্রগুলো থেকে সরে আসার নীতি অনুসরণ করছে। ফলে কেন্দ্রটির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

 

 

 

অন্যদিকে, আমনুরায় অবস্থিত ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি এখনও সচল রয়েছে। কেন্দ্রটির প্রকৌশলী সংকর কুমার দেব জানান, ন্যাশনাল লোড রেসপন্স সেন্টারের চাহিদা অনুযায়ী নির্ধারিত পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়।

 

 

 

এই কেন্দ্রটি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এবং ফার্নেস অয়েল ভিত্তিক। এর প্রকৃত উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১০৭ মেগাওয়াট। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কেন্দ্রটির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিয়মিত ই-টেন্ডার আহ্বান করা হচ্ছে, যা এর কার্যক্রম সচল রাখার ইঙ্গিত দেয়।

 

 

 

স্থানীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ চাহিদা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গ্যাসভিত্তিক স্থায়ী কেন্দ্র এবং গ্রিড ব্যবস্থার উন্নয়ন ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে এই সংকট কাটানো সম্ভব নয়।

 

 

 

চুক্তি নবায়ন, বিকল্প জ্বালানি উৎস এবং আধুনিক গ্রিড ব্যবস্থাপনা, এই তিনটি বিষয়েই দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎ সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।