ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে কুমিল্লার ইপিজেড এলাকায় কর্মরত নাসা গ্রুপের শ্রমিকেরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন।

 

এতে দেশের অন্যতম ব্যস্ত এই মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

 

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে পদুয়ার বাজার এলাকায় শ্রমিকেরা মহাসড়কে অবস্থান নেন।

 

এর আগে তারা ইপিজেড এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে সড়কে এসে জড়ো হন। পরে সড়কের দুই লেন বন্ধ করে দিলে দ্রুতই উভয় পাশে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়।

 

অবরোধের কারণে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন সড়কে আটকা পড়ে। এতে যাত্রী ও চালকেরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।

 

শ্রমিকদের অভিযোগ, নাসা গ্রুপ কর্তৃপক্ষ হঠাৎ করেই কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে তাদের বেতনও পরিশোধ করা হচ্ছে না।

 

এক শ্রমিক কামাল হোসেন বলেন, আমাদের পাওনা পরিশোধ না করা পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।

 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। পরে তাদের সড়ক থেকে সরে যেতে রাজি করানোর চেষ্টা করা হয়।

 

এ বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার শাহিনুর আলম খান জানান, অবরোধের কারণে মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে, যা স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগবে।

 

এ বিষয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সিরাজুল মোস্তফা বলেন, শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

Update Time : ০১:৫২:৫৫ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে কুমিল্লার ইপিজেড এলাকায় কর্মরত নাসা গ্রুপের শ্রমিকেরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন।

 

এতে দেশের অন্যতম ব্যস্ত এই মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

 

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে পদুয়ার বাজার এলাকায় শ্রমিকেরা মহাসড়কে অবস্থান নেন।

 

এর আগে তারা ইপিজেড এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে সড়কে এসে জড়ো হন। পরে সড়কের দুই লেন বন্ধ করে দিলে দ্রুতই উভয় পাশে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়।

 

অবরোধের কারণে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন সড়কে আটকা পড়ে। এতে যাত্রী ও চালকেরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।

 

শ্রমিকদের অভিযোগ, নাসা গ্রুপ কর্তৃপক্ষ হঠাৎ করেই কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে তাদের বেতনও পরিশোধ করা হচ্ছে না।

 

এক শ্রমিক কামাল হোসেন বলেন, আমাদের পাওনা পরিশোধ না করা পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।

 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। পরে তাদের সড়ক থেকে সরে যেতে রাজি করানোর চেষ্টা করা হয়।

 

এ বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার শাহিনুর আলম খান জানান, অবরোধের কারণে মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে, যা স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগবে।

 

এ বিষয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সিরাজুল মোস্তফা বলেন, শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।