
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার পর বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
সংঘাতের জেরে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম হঠাৎ করেই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। একই সঙ্গে এশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির ফলে বিনিয়োগকারীরা পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। এর ফলে সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং মজুত সংকটের জেরে দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে।
সোমবার এশীয় লেনদেনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত ব্রেন্ট ক্রুডের-এর দাম একদিনের ব্যবধানে প্রায় ১৩ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। এশিয়ার স্থানীয় সময় দুপুর পর্যন্ত ব্যারেলপ্রতি দাম দাঁড়ায় ৭৬ দশমিক ৪৮ ডলারে। আন্তর্জাতিক অন্যান্য বেঞ্চমার্কেও প্রায় ৫ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।
জ্বালানি বাজারে এই ঊর্ধ্বগতির প্রভাব পড়ে শেয়ারবাজারেও। এশিয়ার প্রধান সূচকগুলো সপ্তাহের শুরুতে নিম্নমুখী প্রবণতায় লেনদেন শুরু করে। হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচক প্রায় ২ শতাংশ এবং জাপানেরনিক্কেই ২২৫ প্রায় দেড় শতাংশ কমে যায়।
ফিউচার ট্র্যাকিং বেঞ্চমার্ক বিক্রি দাম ৫০০ এবং টেক-হেভি নাসদাক কম্পোজিট উভয়ই প্রায় শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কম ছিল।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হলে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হতে পারে। এতে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও বিনিয়োগ পরিবেশে নতুন চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















