
সৌদি আরব, ইরাক এবং বাহরাইনে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ভোরের দিকে এসব হামলার ঘটনা ঘটে।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের পূর্বাঞ্চলে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ১৮টি ড্রোন শনাক্ত করে সেগুলো ভূপাতিত করা হয়েছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েক দিনে একাধিক ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। তবে এসব ড্রোন কোথা থেকে এসেছে বা এর উৎস কী— সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।
পরে আরও জানানো হয়, ‘এম্পটি কোয়ার্টার’ বা রাব আল-খালি মরুভূমির উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত সায়বাহ তেলক্ষেত্রের দিকে অগ্রসর হওয়া আরেকটি ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
এদিকে বাহরাইন জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে দেশটির উত্তরাঞ্চলের মুহররাক গভর্নরেট এলাকায় একটি স্থাপনার জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংক লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মুহররাক গভর্নরেটের একটি স্থাপনার জ্বালানি ট্যাংক লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে এবং বিষয়টি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।
অন্যদিকে, রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরাকের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে যে ইরাকের জলসীমায় তেলের ট্যাঙ্কারে হামলার ঘটনায় বিস্ফোরক বহনকারী ইরানি নৌযান জড়িত থাকতে পারে।
এই হামলার ফলে দুটি জাহাজেই আগুন ধরে যায় এবং দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়।
ইরাকি সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, আল-ফাও বন্দরের কাছে বিদেশি মালিকানাধীন দুটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলার ঘটনায় একজন ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন এবং ৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















