শিরোনামঃ
যশোরে তাপপ্রবাহ অব্যহত সর্বোচ্চ তাপমাত্রা মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় ভাড়াটিয়াকে হুমকি ও থানায় জিডি যশোরে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা বাহুবলে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৪ হাজার ১১৩ টি গবাদিপশু যশোরের শার্শায় ধর্ষণ মামলার আসামি আটক নাচোলে দিনব্যাপি সবার জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি অনিশ্চিত ফ্রুট ব্যাগের সংকটে ধুঁকছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষিরা ফারাক্কার প্রভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নদী, ৪৯ বছরেও মেলেনি সমাধান সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় অবশেষে গ্রেপ্তার রাব্বি-সোহেল
News Title :
যশোরে তাপপ্রবাহ অব্যহত সর্বোচ্চ তাপমাত্রা মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় ভাড়াটিয়াকে হুমকি ও থানায় জিডি যশোরে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা বাহুবলে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৪ হাজার ১১৩ টি গবাদিপশু যশোরের শার্শায় ধর্ষণ মামলার আসামি আটক নাচোলে দিনব্যাপি সবার জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি অনিশ্চিত ফ্রুট ব্যাগের সংকটে ধুঁকছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষিরা ফারাক্কার প্রভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নদী, ৪৯ বছরেও মেলেনি সমাধান সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় অবশেষে গ্রেপ্তার রাব্বি-সোহেল

আম বাগানের ডাল চুরি থানায় অভিযোগ অতঃপর অভিযোগকারী ও থানা পুলিশকেই অভিযুক্তের হুমকি

  • চাঁপাই জনপদ
  • Update Time : ১১:০৭:১৮ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৯০ Time View

ভোলাহাট থানা জামবাড়িয়া ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ড ফতেপুর গ্রাম খাসপাড়া এলাকার একটি আম বাগানের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে ডাল চুরি করে পার্শ্ববর্তী শিবগঞ্জ থানাধীন কর্ণখালী গ্রামের পূর্বপাড়া এলাকার কাইসুর ছেলে তোজাম্মেল হক তোজা।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, অত্র এলাকার ঢাকায় বসবাসরত সাংবাদিক মো: আসাদুজ্জামান তার বাগানের কিছু অংশ অভিযুক্ত তোজাম্মেল হক তোজাকে চাষাবাদ করার জন্য বিনামূল্যে প্রদান করেন। কিন্তু সেই জমি সে আবাদ না করে পতিত রেখে উল্টো জমি দাতাকেই নানারকম হয়রানি করতে থাকে। এমনকি জমিদাতা ওই সাংবাদিক তার পেশাগত কাজে ঢাকায় চলে গেলে তার অনুপস্থিতির সুযোগে উক্ত বাগান থেকে বাগানের ডাল চুরি ও কৃষি কাজের সরঞ্জামাদি নষ্ট করে ফেলে। পরবর্তীতে, এ ব্যাপারে জমির মালিক অত্র এলাকার মানুষের মাধ্যমে জানতে পেরে তাকে জিজ্ঞেস করলে সে কোন সদুত্তর না দিয়ে বরং উল্টাপাল্টা বিভিন্ন রকম কথা বলতে থাকে এবং এক পর্যায়ে বিভিন্ন রকম হুমকি-ধামকি দিতে থাকে। তার এই অসামাজিক ও অন্যায় আচরণের মাত্রা অতিরিক্ত হলে মো: আসাদুজ্জামান ১০ অক্টোবর ভোলাহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ দায়ের করার পরেই অভিযুক্ত তোজামুল হক তোজা আরো বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। খাসপাড়া মোড় এলাকাতে অভিযোগকারীকে প্রকাশ্যে জনগণের সামনে নানারকম অপমান অপদস্ত করে এবং পুলিশ ও প্রশাসন সম্বন্ধেও নানা রকম বিষেদোগার করতে থাকে।
১১অক্টোবর সকালে প্রশাসন ঘটনাস্তলে এসে সত্যতাও খুঁজে পায়। এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ অক্টোবর অক্টোবর ভোলাহাট থানায় আরেকটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। সাধারণ ডায়েরি নম্বর- ৮৩২, যা বর্তমানে কোর্ট থেকে অনুমোদন সাপেক্ষে তদন্তাধীন।

অত্র ঘটনার সাক্ষী বাগানের পাশের বাড়ির বুদ্ধ (৬০)কে বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছে অভিযুক্ত তোজাম্মেল।
এছাড়াও অভিযোগকারী সাংবাদিককেও ফোন ও প্রকাশ্যে অপমানকর আচরণ হুমকি -ধামকি এমনকি জানে মেরে ফেলার কথাও বলতে দ্বিধাবোধ করছে না।

এমন পরিস্থিতিতে অভিযোগকারী মো: আসাদুজ্জামান বলেন, আমি রীতিমতো এক অস্বস্তিকর ও ভীতিকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছি। একজন সাংবাদিকও যদি এরকম আচরণের শিকার হয় তাহলে সাধারণ মানুষ এ ধরনের ব্যক্তিদের কাছে কতটা জিম্মি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে প্রশাসনের দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
অত্র ঘটনার সাক্ষী বুদ্ধ জানান, আমি এ ঘটনার ব্যাপারে যা জানি তা প্রশাসনের কাছে সত্য বলাতে গত ২২ অক্টোবর আমার বাড়ির সামনে এসে আমার ছেলে, ছেলের বউ ও পরিবারের সামনে তোজাম্মেল নানারকম অন্যায় আচরণ করে হুমকি-ধামকি দেখিয়ে গেছে , যাতে করে আমি এখন খুব ভয়ের মধ্যে রয়েছি।
অত্র এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তি মাইনুদ্দিন আহমেদ বলেন, এই তোজাম্মেল নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। ক’দিন আগেও সে তার বাপ ও বড় ভাইয়ের সাথে মারামারি পর্যন্ত করে। এমনকি তার বাবা আমার কাছে এমনকি আসাদুজ্জামানের কাছেও বিচার নিয়ে এসেছিল। এই তোজাম্মেল যে বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত তা অত্র সমাজের সকলেই জানে।
মামুনুর রশিদ নামে একজন জানান, এই তোজা একজন সন্ত্রাসী টাইপের লোক, আর এটাতো কারোই অজানা নয়। একে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান এখন সময়ের দাবী।
বিশ্বস্ত সূত্রে আরও জানা যায়, এই অভিযুক্ত তোজাম্মেল হক তোজা মাদকসেবী এমনকি রোড ডাকাতির সঙ্গেও জড়িত। সে প্রায় মানুষের সঙ্গে এরকম অকারনে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সূত্রপাত করে।
এলাকবাসী অনেকের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, এই তোজাম্মেল খুবই দুষ্ট প্রকৃতির ও বদমেজাজি লোক। সে তার ভাই বাবা-মা ও কিংবা আত্মীয়-স্বজন প্রতিবেশী সমাজের মানুষ কারো সাথেই ভালো আচরণ করে না, সবার সঙ্গেই কোন না কোন সময় দ্বন্দ্ব হয়েছে।
আরো জানা গেছে, সম্প্রতি একজনের কাছ থেকে ভন্ডামি করে টাকা নিয়ে তা দিতে না পারা নিয়েও ব্যাপক একটা হুলুস্তল কান্ড ঘটে গেছে।

ঘটনাটির ব্যাপারে ভোলাহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি জানান, একজন সাংবাদিকের সঙ্গে এরকম আচরণ কোনভাবেই কাম্য নয়। প্রশাসনের প্রতি আহ্বান বিষয়টা গুরুত্বতার সাথে অতি দ্রুত ব্যবস্থা ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে এই তোজাম্মেলের মত দুষ্ট মানুষের একটা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়।

চাঁপাই প্রেসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান জানান, শ্রদ্ধেয় সাংবাদিক মোঃ আসাদুজ্জামানের প্রতি হুমকিদাতাকে আইনের আওতায় নিয়ে এসে প্রশাসন ওই চোর ও হুমকিদাতা তোজাম্মেল হক তোজা এর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিবে এমনই কামনা।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ভোলাহাট থানা পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে, তদন্ত শেষে আইননুনাগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বোপরি, এলাকার মানুষ প্রশাসনের কাছে দাবি করেন, এই ছেলে শুধু তার পরিবার নয় আমাদের এলাকায় নয় পুলিশ প্রশাসন নিয়েও বিভিন্ন সময় নানারকম হুমকিমূলক কথা বলে থাকে। এরপরেও এখন পর্যন্ত প্রশাসন কেন চুপ আছে সেটাই বিস্ময়কর ও রহস্যজনক। অতি দ্রুত এই অভিযুক্ত তোজাম্মেলের বিরুদ্ধে যথাযথ আইন প্রয়োগে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রদানের মাধ্যমে সমাজে যেন একটা ইতিবাচক বার্তা পৌঁছাই -এমনই কামনা সবার নতুবা সমাজে অন্যায় আচরণ করে, অন্যায় ভাবে ঘোরাফেরা করে এমনকি পুলিশ প্রশাসনকে অন্যায় কথা বলেও বহাল তবিয়াত টিকে থাকা যায় এমন ধারণাই বদ্ধমূল হয়ে যাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

যশোরে তাপপ্রবাহ অব্যহত সর্বোচ্চ তাপমাত্রা

আম বাগানের ডাল চুরি থানায় অভিযোগ অতঃপর অভিযোগকারী ও থানা পুলিশকেই অভিযুক্তের হুমকি

Update Time : ১১:০৭:১৮ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

ভোলাহাট থানা জামবাড়িয়া ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ড ফতেপুর গ্রাম খাসপাড়া এলাকার একটি আম বাগানের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে ডাল চুরি করে পার্শ্ববর্তী শিবগঞ্জ থানাধীন কর্ণখালী গ্রামের পূর্বপাড়া এলাকার কাইসুর ছেলে তোজাম্মেল হক তোজা।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, অত্র এলাকার ঢাকায় বসবাসরত সাংবাদিক মো: আসাদুজ্জামান তার বাগানের কিছু অংশ অভিযুক্ত তোজাম্মেল হক তোজাকে চাষাবাদ করার জন্য বিনামূল্যে প্রদান করেন। কিন্তু সেই জমি সে আবাদ না করে পতিত রেখে উল্টো জমি দাতাকেই নানারকম হয়রানি করতে থাকে। এমনকি জমিদাতা ওই সাংবাদিক তার পেশাগত কাজে ঢাকায় চলে গেলে তার অনুপস্থিতির সুযোগে উক্ত বাগান থেকে বাগানের ডাল চুরি ও কৃষি কাজের সরঞ্জামাদি নষ্ট করে ফেলে। পরবর্তীতে, এ ব্যাপারে জমির মালিক অত্র এলাকার মানুষের মাধ্যমে জানতে পেরে তাকে জিজ্ঞেস করলে সে কোন সদুত্তর না দিয়ে বরং উল্টাপাল্টা বিভিন্ন রকম কথা বলতে থাকে এবং এক পর্যায়ে বিভিন্ন রকম হুমকি-ধামকি দিতে থাকে। তার এই অসামাজিক ও অন্যায় আচরণের মাত্রা অতিরিক্ত হলে মো: আসাদুজ্জামান ১০ অক্টোবর ভোলাহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ দায়ের করার পরেই অভিযুক্ত তোজামুল হক তোজা আরো বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। খাসপাড়া মোড় এলাকাতে অভিযোগকারীকে প্রকাশ্যে জনগণের সামনে নানারকম অপমান অপদস্ত করে এবং পুলিশ ও প্রশাসন সম্বন্ধেও নানা রকম বিষেদোগার করতে থাকে।
১১অক্টোবর সকালে প্রশাসন ঘটনাস্তলে এসে সত্যতাও খুঁজে পায়। এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ অক্টোবর অক্টোবর ভোলাহাট থানায় আরেকটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। সাধারণ ডায়েরি নম্বর- ৮৩২, যা বর্তমানে কোর্ট থেকে অনুমোদন সাপেক্ষে তদন্তাধীন।

অত্র ঘটনার সাক্ষী বাগানের পাশের বাড়ির বুদ্ধ (৬০)কে বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছে অভিযুক্ত তোজাম্মেল।
এছাড়াও অভিযোগকারী সাংবাদিককেও ফোন ও প্রকাশ্যে অপমানকর আচরণ হুমকি -ধামকি এমনকি জানে মেরে ফেলার কথাও বলতে দ্বিধাবোধ করছে না।

এমন পরিস্থিতিতে অভিযোগকারী মো: আসাদুজ্জামান বলেন, আমি রীতিমতো এক অস্বস্তিকর ও ভীতিকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছি। একজন সাংবাদিকও যদি এরকম আচরণের শিকার হয় তাহলে সাধারণ মানুষ এ ধরনের ব্যক্তিদের কাছে কতটা জিম্মি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে প্রশাসনের দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
অত্র ঘটনার সাক্ষী বুদ্ধ জানান, আমি এ ঘটনার ব্যাপারে যা জানি তা প্রশাসনের কাছে সত্য বলাতে গত ২২ অক্টোবর আমার বাড়ির সামনে এসে আমার ছেলে, ছেলের বউ ও পরিবারের সামনে তোজাম্মেল নানারকম অন্যায় আচরণ করে হুমকি-ধামকি দেখিয়ে গেছে , যাতে করে আমি এখন খুব ভয়ের মধ্যে রয়েছি।
অত্র এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তি মাইনুদ্দিন আহমেদ বলেন, এই তোজাম্মেল নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। ক’দিন আগেও সে তার বাপ ও বড় ভাইয়ের সাথে মারামারি পর্যন্ত করে। এমনকি তার বাবা আমার কাছে এমনকি আসাদুজ্জামানের কাছেও বিচার নিয়ে এসেছিল। এই তোজাম্মেল যে বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত তা অত্র সমাজের সকলেই জানে।
মামুনুর রশিদ নামে একজন জানান, এই তোজা একজন সন্ত্রাসী টাইপের লোক, আর এটাতো কারোই অজানা নয়। একে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান এখন সময়ের দাবী।
বিশ্বস্ত সূত্রে আরও জানা যায়, এই অভিযুক্ত তোজাম্মেল হক তোজা মাদকসেবী এমনকি রোড ডাকাতির সঙ্গেও জড়িত। সে প্রায় মানুষের সঙ্গে এরকম অকারনে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সূত্রপাত করে।
এলাকবাসী অনেকের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, এই তোজাম্মেল খুবই দুষ্ট প্রকৃতির ও বদমেজাজি লোক। সে তার ভাই বাবা-মা ও কিংবা আত্মীয়-স্বজন প্রতিবেশী সমাজের মানুষ কারো সাথেই ভালো আচরণ করে না, সবার সঙ্গেই কোন না কোন সময় দ্বন্দ্ব হয়েছে।
আরো জানা গেছে, সম্প্রতি একজনের কাছ থেকে ভন্ডামি করে টাকা নিয়ে তা দিতে না পারা নিয়েও ব্যাপক একটা হুলুস্তল কান্ড ঘটে গেছে।

ঘটনাটির ব্যাপারে ভোলাহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি জানান, একজন সাংবাদিকের সঙ্গে এরকম আচরণ কোনভাবেই কাম্য নয়। প্রশাসনের প্রতি আহ্বান বিষয়টা গুরুত্বতার সাথে অতি দ্রুত ব্যবস্থা ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে এই তোজাম্মেলের মত দুষ্ট মানুষের একটা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়।

চাঁপাই প্রেসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান জানান, শ্রদ্ধেয় সাংবাদিক মোঃ আসাদুজ্জামানের প্রতি হুমকিদাতাকে আইনের আওতায় নিয়ে এসে প্রশাসন ওই চোর ও হুমকিদাতা তোজাম্মেল হক তোজা এর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিবে এমনই কামনা।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ভোলাহাট থানা পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে, তদন্ত শেষে আইননুনাগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বোপরি, এলাকার মানুষ প্রশাসনের কাছে দাবি করেন, এই ছেলে শুধু তার পরিবার নয় আমাদের এলাকায় নয় পুলিশ প্রশাসন নিয়েও বিভিন্ন সময় নানারকম হুমকিমূলক কথা বলে থাকে। এরপরেও এখন পর্যন্ত প্রশাসন কেন চুপ আছে সেটাই বিস্ময়কর ও রহস্যজনক। অতি দ্রুত এই অভিযুক্ত তোজাম্মেলের বিরুদ্ধে যথাযথ আইন প্রয়োগে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রদানের মাধ্যমে সমাজে যেন একটা ইতিবাচক বার্তা পৌঁছাই -এমনই কামনা সবার নতুবা সমাজে অন্যায় আচরণ করে, অন্যায় ভাবে ঘোরাফেরা করে এমনকি পুলিশ প্রশাসনকে অন্যায় কথা বলেও বহাল তবিয়াত টিকে থাকা যায় এমন ধারণাই বদ্ধমূল হয়ে যাবে।