শিরোনামঃ
বিএমডি’র আধুনিক শেচ প্রযুক্তি ও খাল খননে বদলে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ ঘাটতি, ঘন ঘন লোডশেডিং, ভোগান্তিতে মানুষ গোমস্তাপুরে জ্বালানি মজুদ রেখে বিক্রি বন্ধ, ফিলিং স্টেশনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে আরেক শিশুর মৃত্যু দৈনিক চাঁপাই দর্পণ-এর যুগপূর্তি ও ই-পেপার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত রেড গ্রাসের নামে ভারত থেকে ৮ কোটি টাকা মূল্যের জাফরান আমদানি ​নাচোলে ডিএনসির অভিযান ৮০ লিটার চোলাইমদ ও ১৪০০ লিটার ওয়াশসহ নারী গ্রেফতার নাচোলে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সুধীজনদের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের প্রকোপ বাড়ছেই, নতুন ভর্তি ৫০, মোট আক্রান্ত ৬২৭ চাঁপাইনবাবগঞ্জে চুরির আতঙ্কে কৃষকরা, রাত হলেই উধাও ট্রান্সফরমা ও সেচ পাম্প
News Title :
বিএমডি’র আধুনিক শেচ প্রযুক্তি ও খাল খননে বদলে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ ঘাটতি, ঘন ঘন লোডশেডিং, ভোগান্তিতে মানুষ গোমস্তাপুরে জ্বালানি মজুদ রেখে বিক্রি বন্ধ, ফিলিং স্টেশনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে আরেক শিশুর মৃত্যু দৈনিক চাঁপাই দর্পণ-এর যুগপূর্তি ও ই-পেপার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত রেড গ্রাসের নামে ভারত থেকে ৮ কোটি টাকা মূল্যের জাফরান আমদানি ​নাচোলে ডিএনসির অভিযান ৮০ লিটার চোলাইমদ ও ১৪০০ লিটার ওয়াশসহ নারী গ্রেফতার নাচোলে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সুধীজনদের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের প্রকোপ বাড়ছেই, নতুন ভর্তি ৫০, মোট আক্রান্ত ৬২৭ চাঁপাইনবাবগঞ্জে চুরির আতঙ্কে কৃষকরা, রাত হলেই উধাও ট্রান্সফরমা ও সেচ পাম্প

কালবৈশাখীর তান্ডবে ভেঙে গেল ১২টি নৌকা, নিহত ১

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আকস্মিক কালবৈশাখী ঘূর্ণিঝড়ে একজন নিহত ও একজন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঝড়ের তান্ডবে নদীর ঘাটে থাকা ১২টি নৌকা ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে।

 

শনিবার (১৪ মার্চ) রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নের গাজিরপাড়া নৌকা ঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এসময় ঘুর্ণিঝড়ের তান্ডবে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম কাজী।

 

নিহত ব্যক্তি হলেন, মিন্টু মিয়া(৫০) তিনি ইউনিয়নের শাহাবুদ্দিন রহমানের ছেলে। এছাড়াও নিখোঁজ ফরিদ উদ্দিন(৪৫) তিনি একই এলাকার এছাহক মেম্বারের ছেলে বলে জানা গেছে।

 

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শনিবার রাতে হঠাৎ করে ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে মিন্টু মিয়া ও ফরিদ উদ্দিন গাজিরপাড়া নৌকা ঘাট এলাকায় নৌকা বাঁধতে যান। এ সময় প্রবল ঝড়ো হাওয়া ও নদীর উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যে তারা দুর্ঘটনার শিকার হন। ঝড়ের তান্ডবে ঘাটে থাকা প্রায় ১২টি নৌকা ভেঙে যায় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

 

ঝড়ের সময় মিন্টু মিয়া গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। তবে অবস্থা অবনতি হলে বাড়িতেই তিনি মৃত্যু বরণ করেন। অন্যদিকে ফরিদ উদ্দিন নদীতে নিখোঁজ হন।

 

নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য রোববার সকাল থেকে স্থানীয় লোকজন নদীতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

 

এদিকে নিহত মিন্টু মিয়ার জানাজা শেষে রোববার সকাল ৯টায় চিলমারী ইউনিয়নের ঢুষমারা কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। আকস্মিক ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে এবং নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে স্থানীয়দের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

বিএমডি’র আধুনিক শেচ প্রযুক্তি ও খাল খননে বদলে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি

কালবৈশাখীর তান্ডবে ভেঙে গেল ১২টি নৌকা, নিহত ১

Update Time : ০৩:১৯:৫৫ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আকস্মিক কালবৈশাখী ঘূর্ণিঝড়ে একজন নিহত ও একজন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঝড়ের তান্ডবে নদীর ঘাটে থাকা ১২টি নৌকা ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে।

 

শনিবার (১৪ মার্চ) রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নের গাজিরপাড়া নৌকা ঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এসময় ঘুর্ণিঝড়ের তান্ডবে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম কাজী।

 

নিহত ব্যক্তি হলেন, মিন্টু মিয়া(৫০) তিনি ইউনিয়নের শাহাবুদ্দিন রহমানের ছেলে। এছাড়াও নিখোঁজ ফরিদ উদ্দিন(৪৫) তিনি একই এলাকার এছাহক মেম্বারের ছেলে বলে জানা গেছে।

 

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শনিবার রাতে হঠাৎ করে ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে মিন্টু মিয়া ও ফরিদ উদ্দিন গাজিরপাড়া নৌকা ঘাট এলাকায় নৌকা বাঁধতে যান। এ সময় প্রবল ঝড়ো হাওয়া ও নদীর উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যে তারা দুর্ঘটনার শিকার হন। ঝড়ের তান্ডবে ঘাটে থাকা প্রায় ১২টি নৌকা ভেঙে যায় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

 

ঝড়ের সময় মিন্টু মিয়া গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। তবে অবস্থা অবনতি হলে বাড়িতেই তিনি মৃত্যু বরণ করেন। অন্যদিকে ফরিদ উদ্দিন নদীতে নিখোঁজ হন।

 

নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য রোববার সকাল থেকে স্থানীয় লোকজন নদীতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

 

এদিকে নিহত মিন্টু মিয়ার জানাজা শেষে রোববার সকাল ৯টায় চিলমারী ইউনিয়নের ঢুষমারা কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। আকস্মিক ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে এবং নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে স্থানীয়দের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।