শিরোনামঃ
News Title :

বালু মহাল নিয়ে দ্বন্দ্ব, ম্যানেজারকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা

মানিকগঞ্জে শিবালয় উপজেলার তেওতা বালু মহালের ম্যানেজার মিরাজ হোসেনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

 

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় উপজেলার আলোকদিয়া চরে এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত মিরাজ হোসেন পাবনা সদর উপজেলার দাপুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

 

জানা যায়, বিকালে বালুমহালের ড্রেজারে বসে হিসাব করছিলেন মিরাজ। এ সময় স্পিডবোটে করে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে।

 

একটি গুলি তার শরীরে লাগার পর তাকে কুপিয়ে হত্যা করে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

বালুমহালের ইজারাদার কাওসার আলম জানান, সম্প্রতি অজ্ঞাত নম্বর থেকে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় তিনি শিবালয় থানায় জিডি করেন। এ বিষয়ে শিবালয় থানার ওসি মো. মনির হোসেন বলেন, বালু ব্যবসা কেন্দ্রিক বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৬ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

বালু মহাল নিয়ে দ্বন্দ্ব, ম্যানেজারকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা

Update Time : ১১:৪৬:০২ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

মানিকগঞ্জে শিবালয় উপজেলার তেওতা বালু মহালের ম্যানেজার মিরাজ হোসেনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

 

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় উপজেলার আলোকদিয়া চরে এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত মিরাজ হোসেন পাবনা সদর উপজেলার দাপুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

 

জানা যায়, বিকালে বালুমহালের ড্রেজারে বসে হিসাব করছিলেন মিরাজ। এ সময় স্পিডবোটে করে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে।

 

একটি গুলি তার শরীরে লাগার পর তাকে কুপিয়ে হত্যা করে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

বালুমহালের ইজারাদার কাওসার আলম জানান, সম্প্রতি অজ্ঞাত নম্বর থেকে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় তিনি শিবালয় থানায় জিডি করেন। এ বিষয়ে শিবালয় থানার ওসি মো. মনির হোসেন বলেন, বালু ব্যবসা কেন্দ্রিক বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।