শিরোনামঃ
যশোরে তাপপ্রবাহ অব্যহত সর্বোচ্চ তাপমাত্রা মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় ভাড়াটিয়াকে হুমকি ও থানায় জিডি যশোরে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা বাহুবলে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৪ হাজার ১১৩ টি গবাদিপশু যশোরের শার্শায় ধর্ষণ মামলার আসামি আটক নাচোলে দিনব্যাপি সবার জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি অনিশ্চিত ফ্রুট ব্যাগের সংকটে ধুঁকছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষিরা ফারাক্কার প্রভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নদী, ৪৯ বছরেও মেলেনি সমাধান সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় অবশেষে গ্রেপ্তার রাব্বি-সোহেল
News Title :
যশোরে তাপপ্রবাহ অব্যহত সর্বোচ্চ তাপমাত্রা মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় ভাড়াটিয়াকে হুমকি ও থানায় জিডি যশোরে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা বাহুবলে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৪ হাজার ১১৩ টি গবাদিপশু যশোরের শার্শায় ধর্ষণ মামলার আসামি আটক নাচোলে দিনব্যাপি সবার জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি অনিশ্চিত ফ্রুট ব্যাগের সংকটে ধুঁকছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষিরা ফারাক্কার প্রভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নদী, ৪৯ বছরেও মেলেনি সমাধান সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় অবশেষে গ্রেপ্তার রাব্বি-সোহেল

বাহুবলে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৪ হাজার ১১৩ টি গবাদিপশু

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১৯:০৯ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • ১৯ Time View

ঘনিয়ে আসছে পবিত্র ঈদুল আজহা। দিন যত পার হচ্ছে ততই জমে উঠছে কোরবানি পশু কেনা-বেচা। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে পশু কোরবানি দেবেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় প্রস্তুত করা হয়েছে মোট ৪ হাজার ১১৩ টি গবাদি পশু। যার মধ্যে বিভিন্ন জাতের গরু ২ হাজার ৮৬৫ টি, মহিষ ৫ টি, ছাগল ১ হাজার ১২৭টি এবং ভেড়া ১১৫টি। এসব গবাদি পশুর বাজারমূল্য এভারেজ বিভিন্ন জাতের গরু ৮০-৯০ হাজার এবং ছাগল ও ভেড়া ১৫০০০ হাজার ধরে গড় বাজার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা।

উপজেলার মোট চাহিদা ৪ হাজার হলেও অতিরিক্ত প্রস্তুত রয়েছে আরও ১১৩ টি পশু। ফলে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস।

ঈদুল আজহাকে ঘিরে ইতোমধ্যে বাহুবল উপজেলার হাট-বাজরগুলোতে বিক্রির জন্য উঠতে শুরু করেছে গবাদি পশু। দিন যত যাচ্ছে, ততই ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন বাহুবল উপজেলার পশু খামারিরা। নিজেদের লালন-পালন করা পোষা গবাদি পশুর পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। যার মধ্যে রয়েছে দেশী-বিদেশী জাতের বিভিন্ন প্রজাতির পশু। ইতোমধ্যে অনেক খামারি নিজেদের গবাদি পশু বিক্রির জন্য বাজারে তোলা শুরু করেছেন। ঘাস-খড়-ভুসি এবং দানাদার খাদ্য খাইয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে এসব গবাদি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করেছেন তারা।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে খামারিরা গরু-ছাগল বিক্রির জন্য হাটে তুলেছেন।

বিক্রেতা মো. জাহাঙ্গীর, তাজুল ইসলাম ও সৌরভ মিয়া জানান, বাজার এখনো পুরোপুরি জমে উঠেনি। তবে দিন যত যাবে, ততই জমতে শুরু করবে বাজার। বর্তমানে গত বছরের তুলনায় ক্রেতারা পশুর দাম কম বলছে। প্রাকৃতিক উপায়ে এসব পশু মোটাতাজা করায় আমাদের খরচ বেশি হয়েছে। তাই আমরা চেষ্টা করবো ব্যয় বাদে মোটামুটি সন্তোষজনক কিছু আয় হলেই পশু বিক্রি করার।

এদিকে, কোরবানি উপলক্ষে সাধ্যের ভেতর পছন্দের পশুর খোঁজ করছেন ক্রেতারা। এমনই এক ক্রেতা মো. নজরুল ইসলাম। তিনি জানান, এ বছর কোরবানিতে পশু কেনার জন্য বরাদ্দ ৬০ হাজার টাকা। তবে যেটি পছন্দ হয় তার দাম বাজেটের চেয়েও অনেক বেশি। এ জন্য এরইমধ্যে কয়েকটি বাজার ঘুরেছি পছন্দের পশু কেনার জন্য। বাজেটের মধ্যে পছন্দের পশু পেলে শিগগিরই কিনে নেবো। তবে বাজার ঘুরে যতটুকু মনে হয়েছে; গত বছরের তুলনায় এবার কোরবানির পশুর দাম কিছুটা বেশি।

এ বিষয়ে বাহুবল উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর আহমদ বলেন, কোরবানিকে সামনে রেখে কোনো খামারি যেন কৃত্রিমভাবে গবাদি পশুকে মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি অবলম্বন করতে না পারে সেদিকে আমরা ও প্রশাসন উভয়েরই নজরদারি আছে। আমরা খামারি পর্যায়ে উঠান বৈঠক, বিভিন্ন ট্রেনিং এর মাধ্যমে এ ব্যাপারে সচেতনা তৈরি করছি। এ ছাড়া কোরবানি পর্যন্ত আমাদের ভেটেরিনারি মেডিকেল ২টি টিম উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটগুলোতে নিয়মিত তদারকি করবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

যশোরে তাপপ্রবাহ অব্যহত সর্বোচ্চ তাপমাত্রা

বাহুবলে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৪ হাজার ১১৩ টি গবাদিপশু

Update Time : ০৯:১৯:০৯ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

ঘনিয়ে আসছে পবিত্র ঈদুল আজহা। দিন যত পার হচ্ছে ততই জমে উঠছে কোরবানি পশু কেনা-বেচা। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে পশু কোরবানি দেবেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় প্রস্তুত করা হয়েছে মোট ৪ হাজার ১১৩ টি গবাদি পশু। যার মধ্যে বিভিন্ন জাতের গরু ২ হাজার ৮৬৫ টি, মহিষ ৫ টি, ছাগল ১ হাজার ১২৭টি এবং ভেড়া ১১৫টি। এসব গবাদি পশুর বাজারমূল্য এভারেজ বিভিন্ন জাতের গরু ৮০-৯০ হাজার এবং ছাগল ও ভেড়া ১৫০০০ হাজার ধরে গড় বাজার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা।

উপজেলার মোট চাহিদা ৪ হাজার হলেও অতিরিক্ত প্রস্তুত রয়েছে আরও ১১৩ টি পশু। ফলে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস।

ঈদুল আজহাকে ঘিরে ইতোমধ্যে বাহুবল উপজেলার হাট-বাজরগুলোতে বিক্রির জন্য উঠতে শুরু করেছে গবাদি পশু। দিন যত যাচ্ছে, ততই ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন বাহুবল উপজেলার পশু খামারিরা। নিজেদের লালন-পালন করা পোষা গবাদি পশুর পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। যার মধ্যে রয়েছে দেশী-বিদেশী জাতের বিভিন্ন প্রজাতির পশু। ইতোমধ্যে অনেক খামারি নিজেদের গবাদি পশু বিক্রির জন্য বাজারে তোলা শুরু করেছেন। ঘাস-খড়-ভুসি এবং দানাদার খাদ্য খাইয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে এসব গবাদি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করেছেন তারা।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে খামারিরা গরু-ছাগল বিক্রির জন্য হাটে তুলেছেন।

বিক্রেতা মো. জাহাঙ্গীর, তাজুল ইসলাম ও সৌরভ মিয়া জানান, বাজার এখনো পুরোপুরি জমে উঠেনি। তবে দিন যত যাবে, ততই জমতে শুরু করবে বাজার। বর্তমানে গত বছরের তুলনায় ক্রেতারা পশুর দাম কম বলছে। প্রাকৃতিক উপায়ে এসব পশু মোটাতাজা করায় আমাদের খরচ বেশি হয়েছে। তাই আমরা চেষ্টা করবো ব্যয় বাদে মোটামুটি সন্তোষজনক কিছু আয় হলেই পশু বিক্রি করার।

এদিকে, কোরবানি উপলক্ষে সাধ্যের ভেতর পছন্দের পশুর খোঁজ করছেন ক্রেতারা। এমনই এক ক্রেতা মো. নজরুল ইসলাম। তিনি জানান, এ বছর কোরবানিতে পশু কেনার জন্য বরাদ্দ ৬০ হাজার টাকা। তবে যেটি পছন্দ হয় তার দাম বাজেটের চেয়েও অনেক বেশি। এ জন্য এরইমধ্যে কয়েকটি বাজার ঘুরেছি পছন্দের পশু কেনার জন্য। বাজেটের মধ্যে পছন্দের পশু পেলে শিগগিরই কিনে নেবো। তবে বাজার ঘুরে যতটুকু মনে হয়েছে; গত বছরের তুলনায় এবার কোরবানির পশুর দাম কিছুটা বেশি।

এ বিষয়ে বাহুবল উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর আহমদ বলেন, কোরবানিকে সামনে রেখে কোনো খামারি যেন কৃত্রিমভাবে গবাদি পশুকে মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি অবলম্বন করতে না পারে সেদিকে আমরা ও প্রশাসন উভয়েরই নজরদারি আছে। আমরা খামারি পর্যায়ে উঠান বৈঠক, বিভিন্ন ট্রেনিং এর মাধ্যমে এ ব্যাপারে সচেতনা তৈরি করছি। এ ছাড়া কোরবানি পর্যন্ত আমাদের ভেটেরিনারি মেডিকেল ২টি টিম উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটগুলোতে নিয়মিত তদারকি করবে।