
পেনাল্টি মিস করেছিলেন। ম্যাচের এক পর্যায়ে আর্জেন্টিনা ছিল বিদায়ের দুয়ারে। কিন্তু সংকটের মুহূর্তে আবারও বিশ্বমঞ্চে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করলেন লিওনেল মেসি।
মিসরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর নাটকীয় ম্যাচে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও ৩-২ ব্যবধানে জিতে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। সেই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের অন্যতম নায়ক ছিলেন অধিনায়ক মেসি। তার দুর্দান্ত সমতাসূচক গোলই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং শুরু হয় আর্জেন্টিনার অবিশ্বাস্য ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প।
এই গোলের মাধ্যমে চলতি বিশ্বকাপে মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ৮। এর ফলে তিনি ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে গিয়ের্মো স্তাবিলের গড়া এক আসরে আর্জেন্টিনার সর্বোচ্চ ৮ গোলের রেকর্ডে ভাগ বসান। প্রায় ৯৬ বছর ধরে অক্ষত থাকা সেই কীর্তির পাশে এবার যুক্ত হলো মেসির নাম।
এতেই শেষ নয়। আটবারের ব্যালন ডি’র বিজয়ী এই তারকা বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা ছয়টি নকআউট ম্যাচে গোল করার নজির গড়েছেন। বড় ম্যাচে ধারাবাহিকভাবে গোল করার এই রেকর্ড তার অসাধারণ মানসিক দৃঢ়তা ও ম্যাচ জেতানোর সামর্থ্যেরই আরেকটি প্রমাণ।
এছাড়া মিসরের বিপক্ষে গোল করে মেসি বিশ্বকাপে টানা নয় ম্যাচে গোল করার অবিশ্বাস্য ধারাও বজায় রেখেছেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে কোনো ফুটবলার টানা ছয়টির বেশি ম্যাচে গোল করতে পারেননি। সেই রেকর্ডও এখন অনেক দূরে নিয়ে গেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
৩৯ বছর বয়সেও বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ইতিহাস লিখেই চলেছেন মেসি। প্রতিটি ম্যাচে যেন নতুন করে প্রমাণ করছেন-বয়স বাড়লেও তার ফুটবলীয় জাদু এখনও অমলিন!
Reporter Name 

















