শিরোনামঃ
বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জনজীবন বিপর্যস্ত: মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা ধাইনগর ইউনিয়ন যুব বিভাগের উদ্যোগে যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত। কৃষকদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ,আশরাফুল হক এর উদ্যোগে হাজার দিঘি বিলের রাস্তা নির্মাণ ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, সরকারের কার্যকর উদ্যোগের দাবি এমপি বুলবুলের ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে হোন্ডার ম্যাংগো ফেস্ট, উচ্চস্বরে মাইক বাজিয়ে পরিবেশ দূষণ শনিবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে গুজব ছড়ালে ছাড় দেয়া হবেনা: শিক্ষা মন্ত্রী দেশে হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৭০০ ছাড়াল মেসির ছায়ায় নতুনদের পরীক্ষা, জর্ডান ম্যাচে একাদশে চমক! আমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবার ড্রাই আনারসের সম্ভাবনার গল্প
News Title :
বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জনজীবন বিপর্যস্ত: মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা ধাইনগর ইউনিয়ন যুব বিভাগের উদ্যোগে যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত। কৃষকদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ,আশরাফুল হক এর উদ্যোগে হাজার দিঘি বিলের রাস্তা নির্মাণ ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, সরকারের কার্যকর উদ্যোগের দাবি এমপি বুলবুলের ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে হোন্ডার ম্যাংগো ফেস্ট, উচ্চস্বরে মাইক বাজিয়ে পরিবেশ দূষণ শনিবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে গুজব ছড়ালে ছাড় দেয়া হবেনা: শিক্ষা মন্ত্রী দেশে হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৭০০ ছাড়াল মেসির ছায়ায় নতুনদের পরীক্ষা, জর্ডান ম্যাচে একাদশে চমক! আমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবার ড্রাই আনারসের সম্ভাবনার গল্প

কালবৈশাখীর তান্ডবে ভেঙে গেল ১২টি নৌকা, নিহত ১

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আকস্মিক কালবৈশাখী ঘূর্ণিঝড়ে একজন নিহত ও একজন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঝড়ের তান্ডবে নদীর ঘাটে থাকা ১২টি নৌকা ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে।

 

শনিবার (১৪ মার্চ) রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নের গাজিরপাড়া নৌকা ঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এসময় ঘুর্ণিঝড়ের তান্ডবে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম কাজী।

 

নিহত ব্যক্তি হলেন, মিন্টু মিয়া(৫০) তিনি ইউনিয়নের শাহাবুদ্দিন রহমানের ছেলে। এছাড়াও নিখোঁজ ফরিদ উদ্দিন(৪৫) তিনি একই এলাকার এছাহক মেম্বারের ছেলে বলে জানা গেছে।

 

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শনিবার রাতে হঠাৎ করে ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে মিন্টু মিয়া ও ফরিদ উদ্দিন গাজিরপাড়া নৌকা ঘাট এলাকায় নৌকা বাঁধতে যান। এ সময় প্রবল ঝড়ো হাওয়া ও নদীর উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যে তারা দুর্ঘটনার শিকার হন। ঝড়ের তান্ডবে ঘাটে থাকা প্রায় ১২টি নৌকা ভেঙে যায় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

 

ঝড়ের সময় মিন্টু মিয়া গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। তবে অবস্থা অবনতি হলে বাড়িতেই তিনি মৃত্যু বরণ করেন। অন্যদিকে ফরিদ উদ্দিন নদীতে নিখোঁজ হন।

 

নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য রোববার সকাল থেকে স্থানীয় লোকজন নদীতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

 

এদিকে নিহত মিন্টু মিয়ার জানাজা শেষে রোববার সকাল ৯টায় চিলমারী ইউনিয়নের ঢুষমারা কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। আকস্মিক ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে এবং নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে স্থানীয়দের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জনজীবন বিপর্যস্ত: মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা

কালবৈশাখীর তান্ডবে ভেঙে গেল ১২টি নৌকা, নিহত ১

Update Time : ০৩:১৯:৫৫ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে আকস্মিক কালবৈশাখী ঘূর্ণিঝড়ে একজন নিহত ও একজন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঝড়ের তান্ডবে নদীর ঘাটে থাকা ১২টি নৌকা ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে।

 

শনিবার (১৪ মার্চ) রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নের গাজিরপাড়া নৌকা ঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এসময় ঘুর্ণিঝড়ের তান্ডবে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম কাজী।

 

নিহত ব্যক্তি হলেন, মিন্টু মিয়া(৫০) তিনি ইউনিয়নের শাহাবুদ্দিন রহমানের ছেলে। এছাড়াও নিখোঁজ ফরিদ উদ্দিন(৪৫) তিনি একই এলাকার এছাহক মেম্বারের ছেলে বলে জানা গেছে।

 

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শনিবার রাতে হঠাৎ করে ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে মিন্টু মিয়া ও ফরিদ উদ্দিন গাজিরপাড়া নৌকা ঘাট এলাকায় নৌকা বাঁধতে যান। এ সময় প্রবল ঝড়ো হাওয়া ও নদীর উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যে তারা দুর্ঘটনার শিকার হন। ঝড়ের তান্ডবে ঘাটে থাকা প্রায় ১২টি নৌকা ভেঙে যায় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

 

ঝড়ের সময় মিন্টু মিয়া গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। তবে অবস্থা অবনতি হলে বাড়িতেই তিনি মৃত্যু বরণ করেন। অন্যদিকে ফরিদ উদ্দিন নদীতে নিখোঁজ হন।

 

নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য রোববার সকাল থেকে স্থানীয় লোকজন নদীতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

 

এদিকে নিহত মিন্টু মিয়ার জানাজা শেষে রোববার সকাল ৯টায় চিলমারী ইউনিয়নের ঢুষমারা কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। আকস্মিক ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে এবং নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে স্থানীয়দের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।