শিরোনামঃ
বর্ডার পার হয়ে গেল ২০০ গরু, বিএসএফ জানালে জানলো বিজিবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল নিবন্ধনে উপচে পড়া ভিড় এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে যান চলাচলে ডিএমপির নির্দেশনা চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় পাপিয়া ও শুচি মহিলালীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে ফুটবল মাঠ ভরাট ও গোরস্থানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আমনুরায় চুক্তি শেষ হওয়ায় ৫০ মেগাওয়াট কেন্দ্র বন্ধ, চাপে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভোলাহাটে মাদকের বিরুদ্ধে ওসি বারিকের বিশেষ অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিমরুলের কামড়ে প্রাণ গেলো বৃদ্ধের, ১০ জনের বেশি আহত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিএমডি’র আধুনিক শেচ প্রযুক্তি ও খাল খননে বদলে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি
News Title :
বর্ডার পার হয়ে গেল ২০০ গরু, বিএসএফ জানালে জানলো বিজিবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল নিবন্ধনে উপচে পড়া ভিড় এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে যান চলাচলে ডিএমপির নির্দেশনা চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় পাপিয়া ও শুচি মহিলালীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে ফুটবল মাঠ ভরাট ও গোরস্থানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আমনুরায় চুক্তি শেষ হওয়ায় ৫০ মেগাওয়াট কেন্দ্র বন্ধ, চাপে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভোলাহাটে মাদকের বিরুদ্ধে ওসি বারিকের বিশেষ অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিমরুলের কামড়ে প্রাণ গেলো বৃদ্ধের, ১০ জনের বেশি আহত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিএমডি’র আধুনিক শেচ প্রযুক্তি ও খাল খননে বদলে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অসময়ের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে ধান-আলু ও সবজির খেত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে রাতভর বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে এবং পাশাপাশি ডুবে গেছে জমির পাকা, আধাপাকা ধান ও শীতকালীন সবজিক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে, ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষি বিভাগ বলছে গত ১০ বছরে একদিনে এমন বৃষ্টির রেকর্ড নেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী জেলার ৫ উপজেলায় মোট ৯৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। জেলায় গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৯১ মিলিমিটার। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে ২৬০ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া জেলার শিবগঞ্জে ১৭৫ মিমি, গোমস্তাপুরে ১৮০ মিমি, নাচোলে ১৭৫ মিমি এবং ভোলাহাটে ১৬৫ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
কৃষকরা বলছেন, আর এক সপ্তাহ পরেই শুরু হতো ধান কাটা। কিন্তু শেষ মুহুর্তে এসে বৃষ্টিতে তাদের ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হলো। নিম্নাঞ্চলের খেতগুলোতে পুরো ধান পানিতে নিমজ্জিত হয়ে গেছে। কৃষকদেরে দাবি- আগে যেসব জমিতে বিঘাপ্রতি ২০ মণ ধান পাওয়ার আশা করছিলেন, সেখানে হয়তো ৫ মণের বেশি পাবেন না।
নাচোল নেজামপুর এলাকার আমন ধান চাষী মাসুদ হাসান বলেন, আমার তিন বিঘা জমির ধান পুরোপুরি ডুবে গেছে। কয়েকদিন পরেই ধান কাটা শুরু হতো। কিন্তু শেষ মুহূর্তে দুর্যোগের কবলে পড়ে অধিকাংশ ধান শেষ হয়ে গেছে। আশা করেছিলাম বিঘায় ২০ মণ করে ধান হবে। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে বিঘাতে ৫ মণের বেশি পাবো না।
ইসলামপুর এলকার আব্দুস সাত্তার বলেন, গত বছর আলু চাষে অনেক লোকসান হয়েছে। ভাবলাম আগাম লাগালে ভালো দাম পাব। তাই দেড় বিঘা জমিতে এক সপ্তাহ আগে বীজ রোপণ করেছি। কিন্তু বৃষ্টির পানি জমে গাছ ঠিকভাবে উঠছে না। এখন কী করব বুঝতে পারছি না।
দেবিনগর এলাকার মোশারফ জানান, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে ফুলকপিসহ নানা সবজির গোড়ায় পচন ধরেছে। অসময়ের এই বৃষ্টিতে খরচের টাকাও তুলতে পারব কিনা, তা নিয়ে শঙ্কায় আছি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. ইয়াছিন আলী জানান, গত ১০ বছরের একদিনে এত বৃষ্টির রেকর্ড নেই চাঁপাইনবাবগঞ্জে। বৃষ্টিতে জেলার ৪ হাজার ৪৫৯ হেক্টর জমির ফসল আক্রান্ত হয়েছে। এসব ফসলের মধ্যে রয়েছে রোপা আমন, সরিষা, বিভিন্ন শীতকালিন সবজি, পেঁয়াজ, মাসকলাইসহ
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

বর্ডার পার হয়ে গেল ২০০ গরু, বিএসএফ জানালে জানলো বিজিবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অসময়ের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে ধান-আলু ও সবজির খেত

Update Time : ০৮:৪৮:৩৬ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
চাঁপাইনবাবগঞ্জে রাতভর বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে এবং পাশাপাশি ডুবে গেছে জমির পাকা, আধাপাকা ধান ও শীতকালীন সবজিক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে, ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষি বিভাগ বলছে গত ১০ বছরে একদিনে এমন বৃষ্টির রেকর্ড নেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী জেলার ৫ উপজেলায় মোট ৯৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। জেলায় গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৯১ মিলিমিটার। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে ২৬০ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া জেলার শিবগঞ্জে ১৭৫ মিমি, গোমস্তাপুরে ১৮০ মিমি, নাচোলে ১৭৫ মিমি এবং ভোলাহাটে ১৬৫ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
কৃষকরা বলছেন, আর এক সপ্তাহ পরেই শুরু হতো ধান কাটা। কিন্তু শেষ মুহুর্তে এসে বৃষ্টিতে তাদের ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হলো। নিম্নাঞ্চলের খেতগুলোতে পুরো ধান পানিতে নিমজ্জিত হয়ে গেছে। কৃষকদেরে দাবি- আগে যেসব জমিতে বিঘাপ্রতি ২০ মণ ধান পাওয়ার আশা করছিলেন, সেখানে হয়তো ৫ মণের বেশি পাবেন না।
নাচোল নেজামপুর এলাকার আমন ধান চাষী মাসুদ হাসান বলেন, আমার তিন বিঘা জমির ধান পুরোপুরি ডুবে গেছে। কয়েকদিন পরেই ধান কাটা শুরু হতো। কিন্তু শেষ মুহূর্তে দুর্যোগের কবলে পড়ে অধিকাংশ ধান শেষ হয়ে গেছে। আশা করেছিলাম বিঘায় ২০ মণ করে ধান হবে। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে বিঘাতে ৫ মণের বেশি পাবো না।
ইসলামপুর এলকার আব্দুস সাত্তার বলেন, গত বছর আলু চাষে অনেক লোকসান হয়েছে। ভাবলাম আগাম লাগালে ভালো দাম পাব। তাই দেড় বিঘা জমিতে এক সপ্তাহ আগে বীজ রোপণ করেছি। কিন্তু বৃষ্টির পানি জমে গাছ ঠিকভাবে উঠছে না। এখন কী করব বুঝতে পারছি না।
দেবিনগর এলাকার মোশারফ জানান, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে ফুলকপিসহ নানা সবজির গোড়ায় পচন ধরেছে। অসময়ের এই বৃষ্টিতে খরচের টাকাও তুলতে পারব কিনা, তা নিয়ে শঙ্কায় আছি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. ইয়াছিন আলী জানান, গত ১০ বছরের একদিনে এত বৃষ্টির রেকর্ড নেই চাঁপাইনবাবগঞ্জে। বৃষ্টিতে জেলার ৪ হাজার ৪৫৯ হেক্টর জমির ফসল আক্রান্ত হয়েছে। এসব ফসলের মধ্যে রয়েছে রোপা আমন, সরিষা, বিভিন্ন শীতকালিন সবজি, পেঁয়াজ, মাসকলাইসহ