
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির পক্ষে মত প্রকাশ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে দক্ষ ও মেধাবী জনবল আনার প্রয়োজন রয়েছে।
ফক্স নিউজের ইনগ্রাহাম-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এইচ-১বি ভিসা ইস্যুতে নিজের অবস্থানে অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন আনেন। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প যুক্তি দেন, দক্ষ অভিবাসী কর্মীরা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও প্রযুক্তি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ট্রাম্প বলেন, উৎপাদন ও প্রতিরক্ষা খাতের জটিল কাজে দীর্ঘদিন বেকার থাকা আমেরিকানদের তাৎক্ষণিকভাবে কাজে লাগানো সহজ নয়। এসব ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন।
যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয় প্রশাসন এইচ-১বি ভিসার বিধিনিষেধকে অগ্রাধিকার দেবে কি না, ট্রাম্প জবাব দেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মেধাবী মানুষকে এখানে আনতে হবে। আমাদের দেশে মেধা প্রয়োজন।
আমেরিকায় পর্যাপ্ত মেধাবী জনবল আছে কি না-এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, না, নেই। কিছু ক্ষেত্রে আমাদের যথেষ্ট মেধাবী জনবল নেই। তাই বিদেশ থেকে তাদের আনতে হবে-কারণ মানুষকে শেখার সুযোগ দিতে হয়।
ট্রাম্পের এই অবস্থান পরিবর্তন এমন এক সময়ে এসেছে, যখন তাঁর প্রশাসন প্রযুক্তি কোম্পানিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে বিদেশি কর্মী নিয়োগে ব্যবহৃত এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচিতে কঠোর নীতি প্রয়োগ করছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ ও চিকিৎসকরা এই ভিসার সবচেয়ে বড় ব্যবহারকারী।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন এইচ-১বি নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রোগ্রাম সংস্কারের অংশ হিসেবে ‘কিছু নন-ইমিগ্র্যান্ট কর্মীর প্রবেশে বিধিনিষেধ’ শীর্ষক একটি ঘোষণা জারি করে।
ঘোষণা অনুযায়ী, ২৫ সেপ্টেম্বরের পর জমা দেওয়া নির্দিষ্ট এইচ-১বি আবেদনগুলোতে অতিরিক্ত ১,০০,০০০ মার্কিন ডলার ফি দিতে হবে যোগ্যতার শর্ত হিসেবে।
পরবর্তীতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, এই নতুন ফি কেবল তাদের জন্য প্রযোজ্য হবে যারা ২১ সেপ্টেম্বরের পর নতুন আবেদন জমা দেবে বা লটারিতে অংশ নেবে।
বর্তমান ভিসাধারী ও ওই তারিখের আগে জমা দেওয়া আবেদনকারীরা এ নিয়মের আওতায় পড়বে না। তবে ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের লটারির জন্য দাখিল করা আবেদনসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দেওয়া কেসগুলোতে এই নীতি প্রযোজ্য হবে।
চাঁপাই জনপদ ডেস্ক 














