শিরোনামঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে হামের প্রকোপ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ১১ রোগী ভারতের আগ্রাসন ও পুশ-ইনের চেষ্টা করলে আমাদের বিজিবি ও সীমান্তের জনগণ রুখে দেবে -এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল বিভ্রাট কাটিয়ে সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার তিন বছর ধরে ভবঘুরে জীবন, অবশেষে মিলল পরিচয়—ফিরছেন রাজশাহীর ষষ্ঠী বর্মন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখবেন যেভাবে ভতুর্কি খাতে বরাদ্দ ৮৯ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা ২৩ জেলা-৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিডনি ডায়ালাইসিসে খরচ কমাতে শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব পাহাড়ের উন্নয়নে বাজেটে বড় বরাদ্দ, অবকাঠামো-শিক্ষা-স্বাস্থ্যখাতে নতুন গতি বাজেটে বাড়ছে প্রতিবন্ধী ভাতা, বাড়ছে উপকারভোগীর সংখ্যাও
News Title :
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে হামের প্রকোপ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ১১ রোগী ভারতের আগ্রাসন ও পুশ-ইনের চেষ্টা করলে আমাদের বিজিবি ও সীমান্তের জনগণ রুখে দেবে -এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল বিভ্রাট কাটিয়ে সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার তিন বছর ধরে ভবঘুরে জীবন, অবশেষে মিলল পরিচয়—ফিরছেন রাজশাহীর ষষ্ঠী বর্মন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখবেন যেভাবে ভতুর্কি খাতে বরাদ্দ ৮৯ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা ২৩ জেলা-৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিডনি ডায়ালাইসিসে খরচ কমাতে শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব পাহাড়ের উন্নয়নে বাজেটে বড় বরাদ্দ, অবকাঠামো-শিক্ষা-স্বাস্থ্যখাতে নতুন গতি বাজেটে বাড়ছে প্রতিবন্ধী ভাতা, বাড়ছে উপকারভোগীর সংখ্যাও

শামসুলের চেষ্টায় নিজ দেশে ফিরে গেলেন রামদেব

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে রামদেব মাহাতো (৬০) নামে এক ভারতীয় নাগরিককে কারাভোগের পর নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দর আইসিপি গেট দিয়ে রামদেবকে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

এ সময় সেখানে বাংলাদেশ ও ভারতের ইমিগ্রেশন পুলিশের সঙ্গে বিজিবি ও বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রামদেব মাহাতো ভারতের বিহার প্রদেশের বাতিয়া জেলার মাজালিয়া থানার গুদারা পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম তাপা মাহাতো।

 

জানা গেছে, রামদেব মাহাতো ২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে আটক হন। পরবর্তীতে আদালত তাকে ৬ মাসের সাজা দেন। সাজা শেষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারা কর্তৃপক্ষ তাকে দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু মামলার নথিপত্রে রামদেবের ভারতের ঠিকানায় ছিল গরমিল। তাই ২০১৯ সালের ২৯ মে সাজা শেষে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও সঠিক ঠিকানা না থাকায় দীর্ঘদিন কারাগারেই থাকতে হয় তাকে।

দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর স্বেচ্ছাসেবী শামসুল হুদার চেষ্টায় ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর রামদেব মাহাতোর পরিবারকে খুঁজে পাওয়া যায়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর উভয় দেশের সম্মতিতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাকে।

এ বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবক শামসুল হুদা বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার মো. জাকির হোসেনের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাগারে ১০ জন বন্দি সাজা শেষে নিজ দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে। কিন্ত সঠিক ঠিকানা না থাকায় তাদের ফেরত পাঠানো যাচ্ছে না। পরে সে তালিকা মোতাবেক তিনি ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ভারতের বিহারের পশ্চিম চাঁমপাড়ান জেলার গুদ্রা গ্রামের খোঁজ পেয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত লাল বাচ্চা যাদবের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

পরে রামদেবের ছবি পাঠিয়ে গত বছরের ২০ নভেম্বর পরিবারের খোঁজ পাওয়ার তিন দিন পর ২৩ নভেম্বর তিনি বিষয়টি প্রমাণ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সব তথ্য-উপাত্তসহ বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা ভারতীয় দূতাবাসকে জানান। পরবর্তীতে নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাই শেষে ভারতীয় দূতাবাস ২০২৪ সালের ১৮ মার্চ রামদেব মাহাতোর ছাড়পত্র বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। এরপর বিভিন্ন দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার প্রায় ৬ বছর পর তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে হামের প্রকোপ অব্যাহত, হাসপাতালে ভর্তি ১১ রোগী

শামসুলের চেষ্টায় নিজ দেশে ফিরে গেলেন রামদেব

Update Time : ১১:২৬:১০ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে রামদেব মাহাতো (৬০) নামে এক ভারতীয় নাগরিককে কারাভোগের পর নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দর আইসিপি গেট দিয়ে রামদেবকে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

 

এ সময় সেখানে বাংলাদেশ ও ভারতের ইমিগ্রেশন পুলিশের সঙ্গে বিজিবি ও বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রামদেব মাহাতো ভারতের বিহার প্রদেশের বাতিয়া জেলার মাজালিয়া থানার গুদারা পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম তাপা মাহাতো।

 

জানা গেছে, রামদেব মাহাতো ২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে আটক হন। পরবর্তীতে আদালত তাকে ৬ মাসের সাজা দেন। সাজা শেষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারা কর্তৃপক্ষ তাকে দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু মামলার নথিপত্রে রামদেবের ভারতের ঠিকানায় ছিল গরমিল। তাই ২০১৯ সালের ২৯ মে সাজা শেষে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও সঠিক ঠিকানা না থাকায় দীর্ঘদিন কারাগারেই থাকতে হয় তাকে।

দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর স্বেচ্ছাসেবী শামসুল হুদার চেষ্টায় ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর রামদেব মাহাতোর পরিবারকে খুঁজে পাওয়া যায়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর উভয় দেশের সম্মতিতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাকে।

এ বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবক শামসুল হুদা বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার মো. জাকির হোসেনের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাগারে ১০ জন বন্দি সাজা শেষে নিজ দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে। কিন্ত সঠিক ঠিকানা না থাকায় তাদের ফেরত পাঠানো যাচ্ছে না। পরে সে তালিকা মোতাবেক তিনি ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ভারতের বিহারের পশ্চিম চাঁমপাড়ান জেলার গুদ্রা গ্রামের খোঁজ পেয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত লাল বাচ্চা যাদবের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

পরে রামদেবের ছবি পাঠিয়ে গত বছরের ২০ নভেম্বর পরিবারের খোঁজ পাওয়ার তিন দিন পর ২৩ নভেম্বর তিনি বিষয়টি প্রমাণ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সব তথ্য-উপাত্তসহ বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা ভারতীয় দূতাবাসকে জানান। পরবর্তীতে নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাই শেষে ভারতীয় দূতাবাস ২০২৪ সালের ১৮ মার্চ রামদেব মাহাতোর ছাড়পত্র বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। এরপর বিভিন্ন দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার প্রায় ৬ বছর পর তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।