শিরোনামঃ
কারচুপির অভিযোগে হাইকোর্টে নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা চাঁদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৪ জেলের কারাদণ্ড ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে যা যা হবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিজিএফের চাল পাচ্ছে দুইলাখ পরিবার তিন শর্তে যুদ্ধ থামাতে রাজি ইরান সৌদি আরবের খেজুর বিতরণ নিয়ে সংসদ সদস্য ড. কেরামত আলীর স্পষ্টিকরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ১ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে পৌঁছেছে ৩৭ কার্টুন সরকারি খেজুর, দ্রুতই শুরু হচ্ছে বিতরণ কার্যক্রম ঈদের ছুটিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের যে স্থানগুলো ঘুরে দেখতে পারেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফোরামের উদ্যোগে নবনির্বাচিত ৪ এমপিকে সংবর্ধনা প্রদান
News Title :
কারচুপির অভিযোগে হাইকোর্টে নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা চাঁদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৪ জেলের কারাদণ্ড ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে যা যা হবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিজিএফের চাল পাচ্ছে দুইলাখ পরিবার তিন শর্তে যুদ্ধ থামাতে রাজি ইরান সৌদি আরবের খেজুর বিতরণ নিয়ে সংসদ সদস্য ড. কেরামত আলীর স্পষ্টিকরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ১ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে পৌঁছেছে ৩৭ কার্টুন সরকারি খেজুর, দ্রুতই শুরু হচ্ছে বিতরণ কার্যক্রম ঈদের ছুটিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের যে স্থানগুলো ঘুরে দেখতে পারেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফোরামের উদ্যোগে নবনির্বাচিত ৪ এমপিকে সংবর্ধনা প্রদান

-১২০ টাকার কমে কোন সবজি নেই,মাছের দাম ও অন্য বাজার থেকে বেশি

 

চট্টগ্রাম শহরে বেশ কয়েকমাস পর বাজারে চালের দাম সামান্য নিম্নমুখী। মূলত ভারত থেকে আমদানি বাড়ায় এর প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

অন্যদিকে, চড়া সবজি, মাছ ও পেঁয়াজের দামও কিছুটা কমলেও স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে আসেনি। আগের তুলনায় কিছুটা কমলেও এখনো প্রায় বেশিরভাগ সবজি কিনতে গুনতে হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১২০ টাকা। যা আগের তুলনায় অনেক বেশি।অন্যদিকে, ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে কেজি প্রতি পনের টাকা ও ডিম ও নানা ধরনের মুদি পণ্যের দাম আগের মতোই আছে।

আজ সোমবার বিকেলে সদরঘাট থানার কালিবাড়ীর মোড় বাজার ঘুরে দেখা গেলে।এই ভাসমান বাজারটি প্রতিদিন সদরঘাট মোড়ে মূল রাস্তার উপর বসে যার কারণে একেদিকে যেমন প্রতিদিন বিকেলবেলা রাস্তায় তীব্র যানজটে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পাদচারী ও সাধারণ আশপাশের মানুষের,অন্যদিকে খরচ নিয়ে জানা গেছে এই মূল রাস্তা দখল করে প্রতিদিন কাঁচা বাজার বসানোর কোন অনুমতি ও বৈধতা নেই চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন বা অন্য কোন সরকারি সংস্থার।তারপরও কোন সরকারি বা প্রভাবশালী কাউকে ম্যানেস করে চালিয়ে যাচ্ছে নিয়মিত বাজার ইচ্ছে মতো নেওয়া হচ্ছে দ্রব্য মূল্য। বাজার ঘুরে দেখলাম প্রতিটি সবজি ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সবজির দাম গত কয়েক সপ্তাহ ৬০ থেকে ৮০ মধ্যে ছিল। সবজি বিক্রেতা দের সাথে কথা বললে এরা আরত থেকে সবজি কিনে এনে বিক্রি করছেন বলে জানালেও দেখাতে পারেননি কোন আরত দারের ক্রয় রশিদ।সবজি বিক্রেতারা জানান তারা রিয়াজুদ্দিন বাজার আরত থেকে সবজি কিনে বিক্রি করে কিন্তু আদতদার তাদের কোন রশিদ প্রদান করে না।যার ফলে তাদেরও ইচ্ছে মতো দাম নেওয়ার সুবিধা হচ্ছে।দীর্ঘ দিন থেকে এই বাজার বসলেও এখানে কখনো মনিটরিং করতে আসেনি চট্টগ্রাম ভোক্তা অধিকারের কোন কর্মকর্তা। একজন তরকারি ব্যবসায়ি কে বললাম এখানে ভোক্তা অধিকার চট্টগ্রাম এর কোন কর্মকর্তা বাজার মনিটরিং করতে আসেন কিনা? সে আমাকে পাল্টা প্রশ্ন করলেন এরা কারা?এদের এখানে কাজ কি?

 

 


বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে এখন প্রতি কেজি পটোল, ঢ্যাঁড়শ, ঝিঙার শশা কাঁকরল কেজি৮০ থেকে ১২০ টাকা। করলা, বেগুন, বরবটি, চিচিঙ্গা কিনতে খরচ করতে হচ্ছে কেজিতে ৯০ থেকে ১০০ টাকা। তবে পেঁপে ৪০ টাকা এবং আলু ৩০ টাকা দরে কেনা যাচ্ছে।
তবে বাজারের পেঁয়াজের দাম সামান্য কমেছে। আগে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৭৫ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হলে এখন ৬৫ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে পাড়া-মহল্লায় এ দাম আরও অন্তত ৫ টাকা বেশি। এদিকে, মাছের বাজারেও বেশ চড়াভাব দেখা গেছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বর্তমানে চাষের মাছের সরবরাহ কিছুটা কম। এতে নদীর কিছু মাছের দাম বেড়েছে।
বাজারে ইলিশসহ চিংড়ি মাছের দাম চড়া। প্রতিটি ৭০০ গ্রামের ১কেজি ওজনের ইলিশ ১৮০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ দুই থেকে তিন হাজার টাকা দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা। ৪০০-৫০০ গ্রামের মাছ প্রতি কেজি ১২০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, দাম বেড়ে প্রতি কেজি চাষের চিংড়ি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং নদীর চিংড়ি ১০০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। স্বাভাবিক সময়ে এর দাম কেজিতে ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত কম থাকে।
এছাড়া, কই, শিং, শোল, ট্যাংরা ও পুঁটির দাম বাড়তি। চাষের রুই, তেলাপিয়া ও পাঙ্গাশও আগের চেয়ে ২০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি চাষের রুই, কাতলা ৩৫০-৪২০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০-২৬০ টাকা ও পাঙ্গাশ ২০০-২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে, বাজারে এখন মুরগি ও ডিমের দাম অপরিবর্তিত আছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি ১৭০ থেকে ১৮০ এবং সোনালি জাতের মুরগি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা দামে বিক্রয় হচ্ছে।
তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে এই সদরঘাট কালি বাড়ীর মোড় বাজার থেকে ২০০গজের মধ্যে চট্টগ্রামের সবচেয়ে পরিচিত বাজার রিয়াজুদ্দিন বাজার। এই কাঁচা বাজার ঘুরে দেখলাম প্রতিকেজি সবজি সদরঘাট বাজার থেকে ২০-৩০ টাকা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। এবং সব ধরনের মাছও সদরঘাট কালি বাড়ীর মোড় বাজার থেকে কেজি প্রতি ৫০-১০০ টাকা কম দামে বিক্রি হচ্ছে।

এতো কাছাকাছি পাশাপাশি বাজারে দ্রব্য মূল্যের দামের এতো পার্থক্যের বিষয়ে ক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন -এই বাজারে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন চট্টগ্রাম ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর সহ সরকারের বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা গুলো দ্রুত মনিটরিং করলে এই বাজারে গলাকাটা দাম নিতে পারবেনা। আপনারা মিডিয়াতে এগুলো তুলে ধরে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করুন, যাতে সরকার বাজার দর নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ এই কথা কেউ বলতে না পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

কারচুপির অভিযোগে হাইকোর্টে নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা

-১২০ টাকার কমে কোন সবজি নেই,মাছের দাম ও অন্য বাজার থেকে বেশি

Update Time : ০৯:৫৩:৪৩ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

চট্টগ্রাম শহরে বেশ কয়েকমাস পর বাজারে চালের দাম সামান্য নিম্নমুখী। মূলত ভারত থেকে আমদানি বাড়ায় এর প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

অন্যদিকে, চড়া সবজি, মাছ ও পেঁয়াজের দামও কিছুটা কমলেও স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে আসেনি। আগের তুলনায় কিছুটা কমলেও এখনো প্রায় বেশিরভাগ সবজি কিনতে গুনতে হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১২০ টাকা। যা আগের তুলনায় অনেক বেশি।অন্যদিকে, ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে কেজি প্রতি পনের টাকা ও ডিম ও নানা ধরনের মুদি পণ্যের দাম আগের মতোই আছে।

আজ সোমবার বিকেলে সদরঘাট থানার কালিবাড়ীর মোড় বাজার ঘুরে দেখা গেলে।এই ভাসমান বাজারটি প্রতিদিন সদরঘাট মোড়ে মূল রাস্তার উপর বসে যার কারণে একেদিকে যেমন প্রতিদিন বিকেলবেলা রাস্তায় তীব্র যানজটে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পাদচারী ও সাধারণ আশপাশের মানুষের,অন্যদিকে খরচ নিয়ে জানা গেছে এই মূল রাস্তা দখল করে প্রতিদিন কাঁচা বাজার বসানোর কোন অনুমতি ও বৈধতা নেই চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন বা অন্য কোন সরকারি সংস্থার।তারপরও কোন সরকারি বা প্রভাবশালী কাউকে ম্যানেস করে চালিয়ে যাচ্ছে নিয়মিত বাজার ইচ্ছে মতো নেওয়া হচ্ছে দ্রব্য মূল্য। বাজার ঘুরে দেখলাম প্রতিটি সবজি ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সবজির দাম গত কয়েক সপ্তাহ ৬০ থেকে ৮০ মধ্যে ছিল। সবজি বিক্রেতা দের সাথে কথা বললে এরা আরত থেকে সবজি কিনে এনে বিক্রি করছেন বলে জানালেও দেখাতে পারেননি কোন আরত দারের ক্রয় রশিদ।সবজি বিক্রেতারা জানান তারা রিয়াজুদ্দিন বাজার আরত থেকে সবজি কিনে বিক্রি করে কিন্তু আদতদার তাদের কোন রশিদ প্রদান করে না।যার ফলে তাদেরও ইচ্ছে মতো দাম নেওয়ার সুবিধা হচ্ছে।দীর্ঘ দিন থেকে এই বাজার বসলেও এখানে কখনো মনিটরিং করতে আসেনি চট্টগ্রাম ভোক্তা অধিকারের কোন কর্মকর্তা। একজন তরকারি ব্যবসায়ি কে বললাম এখানে ভোক্তা অধিকার চট্টগ্রাম এর কোন কর্মকর্তা বাজার মনিটরিং করতে আসেন কিনা? সে আমাকে পাল্টা প্রশ্ন করলেন এরা কারা?এদের এখানে কাজ কি?

 

 


বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে এখন প্রতি কেজি পটোল, ঢ্যাঁড়শ, ঝিঙার শশা কাঁকরল কেজি৮০ থেকে ১২০ টাকা। করলা, বেগুন, বরবটি, চিচিঙ্গা কিনতে খরচ করতে হচ্ছে কেজিতে ৯০ থেকে ১০০ টাকা। তবে পেঁপে ৪০ টাকা এবং আলু ৩০ টাকা দরে কেনা যাচ্ছে।
তবে বাজারের পেঁয়াজের দাম সামান্য কমেছে। আগে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৭৫ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হলে এখন ৬৫ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে পাড়া-মহল্লায় এ দাম আরও অন্তত ৫ টাকা বেশি। এদিকে, মাছের বাজারেও বেশ চড়াভাব দেখা গেছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বর্তমানে চাষের মাছের সরবরাহ কিছুটা কম। এতে নদীর কিছু মাছের দাম বেড়েছে।
বাজারে ইলিশসহ চিংড়ি মাছের দাম চড়া। প্রতিটি ৭০০ গ্রামের ১কেজি ওজনের ইলিশ ১৮০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ দুই থেকে তিন হাজার টাকা দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা। ৪০০-৫০০ গ্রামের মাছ প্রতি কেজি ১২০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, দাম বেড়ে প্রতি কেজি চাষের চিংড়ি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং নদীর চিংড়ি ১০০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। স্বাভাবিক সময়ে এর দাম কেজিতে ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত কম থাকে।
এছাড়া, কই, শিং, শোল, ট্যাংরা ও পুঁটির দাম বাড়তি। চাষের রুই, তেলাপিয়া ও পাঙ্গাশও আগের চেয়ে ২০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি চাষের রুই, কাতলা ৩৫০-৪২০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০-২৬০ টাকা ও পাঙ্গাশ ২০০-২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে, বাজারে এখন মুরগি ও ডিমের দাম অপরিবর্তিত আছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি ১৭০ থেকে ১৮০ এবং সোনালি জাতের মুরগি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা দামে বিক্রয় হচ্ছে।
তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে এই সদরঘাট কালি বাড়ীর মোড় বাজার থেকে ২০০গজের মধ্যে চট্টগ্রামের সবচেয়ে পরিচিত বাজার রিয়াজুদ্দিন বাজার। এই কাঁচা বাজার ঘুরে দেখলাম প্রতিকেজি সবজি সদরঘাট বাজার থেকে ২০-৩০ টাকা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। এবং সব ধরনের মাছও সদরঘাট কালি বাড়ীর মোড় বাজার থেকে কেজি প্রতি ৫০-১০০ টাকা কম দামে বিক্রি হচ্ছে।

এতো কাছাকাছি পাশাপাশি বাজারে দ্রব্য মূল্যের দামের এতো পার্থক্যের বিষয়ে ক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন -এই বাজারে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন চট্টগ্রাম ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর সহ সরকারের বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা গুলো দ্রুত মনিটরিং করলে এই বাজারে গলাকাটা দাম নিতে পারবেনা। আপনারা মিডিয়াতে এগুলো তুলে ধরে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করুন, যাতে সরকার বাজার দর নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ এই কথা কেউ বলতে না পারে।