শিরোনামঃ
বর্ডার পার হয়ে গেল ২০০ গরু, বিএসএফ জানালে জানলো বিজিবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল নিবন্ধনে উপচে পড়া ভিড় এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে যান চলাচলে ডিএমপির নির্দেশনা চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় পাপিয়া ও শুচি মহিলালীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে ফুটবল মাঠ ভরাট ও গোরস্থানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আমনুরায় চুক্তি শেষ হওয়ায় ৫০ মেগাওয়াট কেন্দ্র বন্ধ, চাপে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভোলাহাটে মাদকের বিরুদ্ধে ওসি বারিকের বিশেষ অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিমরুলের কামড়ে প্রাণ গেলো বৃদ্ধের, ১০ জনের বেশি আহত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিএমডি’র আধুনিক শেচ প্রযুক্তি ও খাল খননে বদলে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি
News Title :
বর্ডার পার হয়ে গেল ২০০ গরু, বিএসএফ জানালে জানলো বিজিবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল নিবন্ধনে উপচে পড়া ভিড় এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে যান চলাচলে ডিএমপির নির্দেশনা চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় পাপিয়া ও শুচি মহিলালীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে ফুটবল মাঠ ভরাট ও গোরস্থানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আমনুরায় চুক্তি শেষ হওয়ায় ৫০ মেগাওয়াট কেন্দ্র বন্ধ, চাপে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভোলাহাটে মাদকের বিরুদ্ধে ওসি বারিকের বিশেষ অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিমরুলের কামড়ে প্রাণ গেলো বৃদ্ধের, ১০ জনের বেশি আহত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিএমডি’র আধুনিক শেচ প্রযুক্তি ও খাল খননে বদলে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি

৭ গোলের রোমাঞ্চ, শেষ মিনিটে স্বপ্ন ভাঙল বাংলাদেশের

হামজার জাদু ম্লান শেষ মিনিটে

অবিশ্বাস্য নাটকীয় এক ম্যাচ! খেলার পুরো ৯০ মিনিটই উত্তেজনার কমতি ছিল না! দুর্দান্ত খেলে হামজা চৌধুরী-শমিত সোমরা পথ দেখাচ্ছিলেন বাংলাদেশকে। কিন্তু শেষ মিনিটে এসে সর্বনাশ! ইনজুরি সময়ের গোলে ম্যাচটাই হেরে গেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ৭ গোলের রোমাঞ্চের রাতে হৃদয় ভাঙল বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের।

ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ আজ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে হংকংয়ের বিপক্ষে বিপক্ষে জিততে পারল না জামাল ভূঁইয়ার দল। সফরকারীরা ৪-৩ গোলের জয় নিয়ে ছাড়ল মাঠ। এটি বাংলাদেশের জন্য ছিল টিকে থাকার লড়াই। গ্রুপের আগের দুই ম্যাচ শেষে মাত্র ১ পয়েন্ট নিয়ে পিছিয়ে ছিল তারা। অন্যদিকে হংকং ও সিঙ্গাপুর ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে। জয় পেলে এশিয়ান কাপে খেলার আশা টিকিয়ে রাখার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে।

এই ম্যাচে জয় মানেই ছিল টিকে থাকার আশা। গ্রুপের আগের দুই ম্যাচ শেষে মাত্র এক পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে থাকা বাংলাদেশকে জয়ের বিকল্প খুঁজতেই নামতে হয়েছিল হংকংয়ের বিপক্ষে। কিন্তু শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত লড়াই করেও জয়ের দেখা পেল না লাল-সবুজরা।

ম্যাচের শুরুটা ছিল বাংলাদেশের দখলে। ১৩তম মিনিটে বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক থেকে হামজা চৌধুরীর জাদুকরী শটে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা এই মিডফিল্ডারের নিখুঁত কার্ভে বল হংকংয়ের ডিফেন্ডারের মাথা ছুঁয়ে জালে জড়ায়। গ্যালারিতে তখন উচ্ছ্বাসের ঝড়।

লিডের পরও ছন্দে ছিল বাংলাদেশ। মিতুল মারমার দারুণ সেভে বাঁচে একটি নিশ্চিত গোল, আর রাকিব ও ফয়সালের সমন্বয়ে তৈরি হয় আরও কয়েকটি সুযোগ। কিন্তু প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে কর্নার থেকে গোল হজম করে ফের সমতায় ফেরে হংকং। এভারটনের আলতো টোকার শট বাংলাদেশের পোস্টে জড়াতেই প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-১ সমতায়।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচ ঘুরে যায় বিপক্ষে। ৫০ মিনিটে সোহেল রানার ব্যাক পাসের ভুলে সুযোগ পান বদলি ফরোয়ার্ড রাফায়েল মার্কিজ, সহজেই মিতুলকে পরাস্ত করে হংকংকে এগিয়ে দেন। কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা এরপর টানা তিনটি পরিবর্তন এনে নামান জামাল ভূঁইয়া, শমিত সোম ও ফাহামিদুল ইসলামকে। কিন্তু বিপদ কাটেনি।

৭৪ মিনিটে আবারও গোল করেন মার্কিজ, এবার সতীর্থ এভারটনের পাস থেকে নিখুঁত শটে। স্কোরলাইন তখন ৩-১, আর বাংলাদেশের সমর্থকরা নিস্তব্ধ। তবে এখানেই থামেনি নাটক।

৮৪ মিনিটে শেখ মোরসালিনের গোলে ফিরে আসে আশার আলো। জামালের ফ্রি-কিক থেকে ফাহামিদুলের ভলি গোলকিপার সামলাতে না পারলে মোরসালিন রিবাউন্ডে জালের ঠিকানা খুঁজে পান। তারপর যোগ করা সময়ে আবারও গর্জে ওঠে জাতীয় স্টেডিয়াম। মোরসালিনের কর্নারে এক ডিফেন্ডারের মাথা ছুঁয়ে বল আসতেই শমিত সোম হেডে সমতা ফেরান (৩-৩)।

দল যখন হার এড়ানোর আনন্দে ভাসছে, তখনই আসে চূড়ান্ত আঘাত। ইনজুরি সময়ের একদম শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের আরেক ভুলের সুযোগ নিয়ে রাফায়েল মার্কিজ হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন এবং দলকে এনে দেন ৪-৩ গোলের জয়।

শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে স্তব্ধ হয়ে যায় গ্যালারি। হামজা–মোরসালিন-শমিতদের লড়াই সত্ত্বেও জয় হাতছাড়া, আর এশিয়ান কাপে খেলার আশা ঝুঁকিতে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

বর্ডার পার হয়ে গেল ২০০ গরু, বিএসএফ জানালে জানলো বিজিবি

৭ গোলের রোমাঞ্চ, শেষ মিনিটে স্বপ্ন ভাঙল বাংলাদেশের

Update Time : ১১:৪৩:৪৭ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

অবিশ্বাস্য নাটকীয় এক ম্যাচ! খেলার পুরো ৯০ মিনিটই উত্তেজনার কমতি ছিল না! দুর্দান্ত খেলে হামজা চৌধুরী-শমিত সোমরা পথ দেখাচ্ছিলেন বাংলাদেশকে। কিন্তু শেষ মিনিটে এসে সর্বনাশ! ইনজুরি সময়ের গোলে ম্যাচটাই হেরে গেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ৭ গোলের রোমাঞ্চের রাতে হৃদয় ভাঙল বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের।

ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ আজ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে হংকংয়ের বিপক্ষে বিপক্ষে জিততে পারল না জামাল ভূঁইয়ার দল। সফরকারীরা ৪-৩ গোলের জয় নিয়ে ছাড়ল মাঠ। এটি বাংলাদেশের জন্য ছিল টিকে থাকার লড়াই। গ্রুপের আগের দুই ম্যাচ শেষে মাত্র ১ পয়েন্ট নিয়ে পিছিয়ে ছিল তারা। অন্যদিকে হংকং ও সিঙ্গাপুর ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে। জয় পেলে এশিয়ান কাপে খেলার আশা টিকিয়ে রাখার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে।

এই ম্যাচে জয় মানেই ছিল টিকে থাকার আশা। গ্রুপের আগের দুই ম্যাচ শেষে মাত্র এক পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে থাকা বাংলাদেশকে জয়ের বিকল্প খুঁজতেই নামতে হয়েছিল হংকংয়ের বিপক্ষে। কিন্তু শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত লড়াই করেও জয়ের দেখা পেল না লাল-সবুজরা।

ম্যাচের শুরুটা ছিল বাংলাদেশের দখলে। ১৩তম মিনিটে বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক থেকে হামজা চৌধুরীর জাদুকরী শটে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা এই মিডফিল্ডারের নিখুঁত কার্ভে বল হংকংয়ের ডিফেন্ডারের মাথা ছুঁয়ে জালে জড়ায়। গ্যালারিতে তখন উচ্ছ্বাসের ঝড়।

লিডের পরও ছন্দে ছিল বাংলাদেশ। মিতুল মারমার দারুণ সেভে বাঁচে একটি নিশ্চিত গোল, আর রাকিব ও ফয়সালের সমন্বয়ে তৈরি হয় আরও কয়েকটি সুযোগ। কিন্তু প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে কর্নার থেকে গোল হজম করে ফের সমতায় ফেরে হংকং। এভারটনের আলতো টোকার শট বাংলাদেশের পোস্টে জড়াতেই প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-১ সমতায়।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচ ঘুরে যায় বিপক্ষে। ৫০ মিনিটে সোহেল রানার ব্যাক পাসের ভুলে সুযোগ পান বদলি ফরোয়ার্ড রাফায়েল মার্কিজ, সহজেই মিতুলকে পরাস্ত করে হংকংকে এগিয়ে দেন। কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা এরপর টানা তিনটি পরিবর্তন এনে নামান জামাল ভূঁইয়া, শমিত সোম ও ফাহামিদুল ইসলামকে। কিন্তু বিপদ কাটেনি।

৭৪ মিনিটে আবারও গোল করেন মার্কিজ, এবার সতীর্থ এভারটনের পাস থেকে নিখুঁত শটে। স্কোরলাইন তখন ৩-১, আর বাংলাদেশের সমর্থকরা নিস্তব্ধ। তবে এখানেই থামেনি নাটক।

৮৪ মিনিটে শেখ মোরসালিনের গোলে ফিরে আসে আশার আলো। জামালের ফ্রি-কিক থেকে ফাহামিদুলের ভলি গোলকিপার সামলাতে না পারলে মোরসালিন রিবাউন্ডে জালের ঠিকানা খুঁজে পান। তারপর যোগ করা সময়ে আবারও গর্জে ওঠে জাতীয় স্টেডিয়াম। মোরসালিনের কর্নারে এক ডিফেন্ডারের মাথা ছুঁয়ে বল আসতেই শমিত সোম হেডে সমতা ফেরান (৩-৩)।

দল যখন হার এড়ানোর আনন্দে ভাসছে, তখনই আসে চূড়ান্ত আঘাত। ইনজুরি সময়ের একদম শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের আরেক ভুলের সুযোগ নিয়ে রাফায়েল মার্কিজ হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন এবং দলকে এনে দেন ৪-৩ গোলের জয়।

শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে স্তব্ধ হয়ে যায় গ্যালারি। হামজা–মোরসালিন-শমিতদের লড়াই সত্ত্বেও জয় হাতছাড়া, আর এশিয়ান কাপে খেলার আশা ঝুঁকিতে।