শিরোনামঃ
সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি অনিশ্চিত ফ্রুট ব্যাগের সংকটে ধুঁকছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষিরা ফারাক্কার প্রভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নদী, ৪৯ বছরেও মেলেনি সমাধান সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় অবশেষে গ্রেপ্তার রাব্বি-সোহেল ডিবি সেজে চাঁদাবাজির অভিযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পলিটেকনিক শিক্ষার্থী আটক রাজৈরের ইশিবপুর ইউনিয়ন সাবেক ৩নং ওয়ার্ডের প্রবাসী ও যুব সমাজের উদ্যগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পিং নাচোলে বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ও ৬ দফা দাবি উত্থাপন রাজশাহীর ৫ ফেরিঘাট মাদক পাচারের নিরাপদ রুট গোমস্তাপুরের আড্ডা রাইহোগ্রাম থেকে চোলাইমদ ও ওয়াশ উদ্ধার, আটক ১ সকাল ৯টার মধ্যে ২ অঞ্চলে ঝড়ের পূর্বাভাস
News Title :
সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি অনিশ্চিত ফ্রুট ব্যাগের সংকটে ধুঁকছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষিরা ফারাক্কার প্রভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নদী, ৪৯ বছরেও মেলেনি সমাধান সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় অবশেষে গ্রেপ্তার রাব্বি-সোহেল ডিবি সেজে চাঁদাবাজির অভিযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পলিটেকনিক শিক্ষার্থী আটক রাজৈরের ইশিবপুর ইউনিয়ন সাবেক ৩নং ওয়ার্ডের প্রবাসী ও যুব সমাজের উদ্যগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পিং নাচোলে বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ও ৬ দফা দাবি উত্থাপন রাজশাহীর ৫ ফেরিঘাট মাদক পাচারের নিরাপদ রুট গোমস্তাপুরের আড্ডা রাইহোগ্রাম থেকে চোলাইমদ ও ওয়াশ উদ্ধার, আটক ১ সকাল ৯টার মধ্যে ২ অঞ্চলে ঝড়ের পূর্বাভাস

এক পণ পানের দাম ৩ টাকা, খরচ তুলতেই হিমশিম অবস্থা চাষিদের

  • চাঁপাই জনপদ
  • Update Time : ০৪:৩৬:১৬ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৯৭ Time View
বাজারে দাম পড়ে যাওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের পান চাষিরা মারাত্মক বিপাকে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, এক পণ পান এখন ৩ থেকে ৫ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে, যা খুচরা বাজারের একটি পানের সমান দাম। এতে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেকে আবার দাম না পেয়ে ক্ষোভে বাজারে ফেলে দিচ্ছেন পান। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে কৃষি বিভাগ চাষিদের বিকল্প ও লাভজনক ফসল চাষের পরামর্শ দিচ্ছে।
গত কয়েক মাসের টানা বৃষ্টিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এখনো বরজে পানের পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকরা। পাশাপাশি পরিপক্ব পান বাজারজাত করা হচ্ছে। তবে এত ফলন হয়েও দাম না থাকায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে চাষিদের।
কৃষক ও ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছর প্রতি পণ বড় পান বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকায়, মাঝারি ১৬০ টাকায় এবং ছোট পান ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। কিন্তু চলতি বছর একই বড় পান বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, মাঝারি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় এবং ছোট পান মাত্র ৩ থেকে ৫ টাকায়।
পানচাষিরা বলছেন, আগের তুলনায় এখন দাম অনেক কমে গেছে। বাজারে পান বিক্রি হচ্ছে না, চাহিদাও নেই। ফলে সকালে বরজ থেকে পান ভেঙে হাটে নিলেও ঠিকমতো বিক্রি করা যায় না, অনেকেই দাম না পেয়ে ক্ষোভে ফেলে দিচ্ছেন। দামের এই ধসের কারণে উৎপাদন খরচও উঠছে না। বরং যা খরচ হয়েছে তার অর্ধেকও ফেরত আসছে না।
কৃষক নেতারা বলছেন, পানের বাজার টিকিয়ে রাখতে রফতানি বাড়াতে হবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মুনজের আলম মানিকের মতে, রফতানি কমে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন চাষিরা। এ ক্ষেত্রে কৃষি বিভাগ ও কৃষি বিপণনের মধ্যে সমন্বয় জরুরি।
অন্যদিকে কৃষি বিভাগ বলছে, ক্ষতির মুখ থেকে কৃষকদের রক্ষা করতে বিকল্প ও লাভজনক ফসলের দিকে নজর দিতে হবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. মো. ইয়াছিন আলী বলেন, লাভজনক ফসলগুলো আবাদের বিষয়ে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। যাতে তারা বেশি লাভবান হতে পারেন এবং বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ এগিয়ে নিতে পারেন।
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৫ হেক্টর জমিতে পানের চাষ হচ্ছে। যা গত বছরের তুলনায় ৫ হেক্টর কম।
মোঃ সিফাত রানা
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
০১৭১৫৫৬২৯২৪
বাজারে দাম পড়ে যাওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের পান চাষিরা মারাত্মক বিপাকে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, এক পণ পান এখন ৩ থেকে ৫ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে, যা খুচরা বাজারের একটি পানের সমান দাম। এতে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেকে আবার দাম না পেয়ে ক্ষোভে বাজারে ফেলে দিচ্ছেন পান। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে কৃষি বিভাগ চাষিদের বিকল্প ও লাভজনক ফসল চাষের পরামর্শ দিচ্ছে।
গত কয়েক মাসের টানা বৃষ্টিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এখনো বরজে পানের পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকরা। পাশাপাশি পরিপক্ব পান বাজারজাত করা হচ্ছে। তবে এত ফলন হয়েও দাম না থাকায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে চাষিদের।
কৃষক ও ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছর প্রতি পণ বড় পান বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকায়, মাঝারি ১৬০ টাকায় এবং ছোট পান ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। কিন্তু চলতি বছর একই বড় পান বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, মাঝারি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় এবং ছোট পান মাত্র ৩ থেকে ৫ টাকায়।
পানচাষিরা বলছেন, আগের তুলনায় এখন দাম অনেক কমে গেছে। বাজারে পান বিক্রি হচ্ছে না, চাহিদাও নেই। ফলে সকালে বরজ থেকে পান ভেঙে হাটে নিলেও ঠিকমতো বিক্রি করা যায় না, অনেকেই দাম না পেয়ে ক্ষোভে ফেলে দিচ্ছেন। দামের এই ধসের কারণে উৎপাদন খরচও উঠছে না। বরং যা খরচ হয়েছে তার অর্ধেকও ফেরত আসছে না।
কৃষক নেতারা বলছেন, পানের বাজার টিকিয়ে রাখতে রফতানি বাড়াতে হবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মুনজের আলম মানিকের মতে, রফতানি কমে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন চাষিরা। এ ক্ষেত্রে কৃষি বিভাগ ও কৃষি বিপণনের মধ্যে সমন্বয় জরুরি।
অন্যদিকে কৃষি বিভাগ বলছে, ক্ষতির মুখ থেকে কৃষকদের রক্ষা করতে বিকল্প ও লাভজনক ফসলের দিকে নজর দিতে হবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. মো. ইয়াছিন আলী বলেন, লাভজনক ফসলগুলো আবাদের বিষয়ে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। যাতে তারা বেশি লাভবান হতে পারেন এবং বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ এগিয়ে নিতে পারেন।
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৫ হেক্টর জমিতে পানের চাষ হচ্ছে। যা গত বছরের তুলনায় ৫ হেক্টর কম।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি অনিশ্চিত

এক পণ পানের দাম ৩ টাকা, খরচ তুলতেই হিমশিম অবস্থা চাষিদের

Update Time : ০৪:৩৬:১৬ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫
বাজারে দাম পড়ে যাওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের পান চাষিরা মারাত্মক বিপাকে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, এক পণ পান এখন ৩ থেকে ৫ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে, যা খুচরা বাজারের একটি পানের সমান দাম। এতে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেকে আবার দাম না পেয়ে ক্ষোভে বাজারে ফেলে দিচ্ছেন পান। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে কৃষি বিভাগ চাষিদের বিকল্প ও লাভজনক ফসল চাষের পরামর্শ দিচ্ছে।
গত কয়েক মাসের টানা বৃষ্টিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এখনো বরজে পানের পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকরা। পাশাপাশি পরিপক্ব পান বাজারজাত করা হচ্ছে। তবে এত ফলন হয়েও দাম না থাকায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে চাষিদের।
কৃষক ও ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছর প্রতি পণ বড় পান বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকায়, মাঝারি ১৬০ টাকায় এবং ছোট পান ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। কিন্তু চলতি বছর একই বড় পান বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, মাঝারি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় এবং ছোট পান মাত্র ৩ থেকে ৫ টাকায়।
পানচাষিরা বলছেন, আগের তুলনায় এখন দাম অনেক কমে গেছে। বাজারে পান বিক্রি হচ্ছে না, চাহিদাও নেই। ফলে সকালে বরজ থেকে পান ভেঙে হাটে নিলেও ঠিকমতো বিক্রি করা যায় না, অনেকেই দাম না পেয়ে ক্ষোভে ফেলে দিচ্ছেন। দামের এই ধসের কারণে উৎপাদন খরচও উঠছে না। বরং যা খরচ হয়েছে তার অর্ধেকও ফেরত আসছে না।
কৃষক নেতারা বলছেন, পানের বাজার টিকিয়ে রাখতে রফতানি বাড়াতে হবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মুনজের আলম মানিকের মতে, রফতানি কমে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন চাষিরা। এ ক্ষেত্রে কৃষি বিভাগ ও কৃষি বিপণনের মধ্যে সমন্বয় জরুরি।
অন্যদিকে কৃষি বিভাগ বলছে, ক্ষতির মুখ থেকে কৃষকদের রক্ষা করতে বিকল্প ও লাভজনক ফসলের দিকে নজর দিতে হবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. মো. ইয়াছিন আলী বলেন, লাভজনক ফসলগুলো আবাদের বিষয়ে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। যাতে তারা বেশি লাভবান হতে পারেন এবং বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ এগিয়ে নিতে পারেন।
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৫ হেক্টর জমিতে পানের চাষ হচ্ছে। যা গত বছরের তুলনায় ৫ হেক্টর কম।
মোঃ সিফাত রানা
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
০১৭১৫৫৬২৯২৪
বাজারে দাম পড়ে যাওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের পান চাষিরা মারাত্মক বিপাকে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, এক পণ পান এখন ৩ থেকে ৫ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে, যা খুচরা বাজারের একটি পানের সমান দাম। এতে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেকে আবার দাম না পেয়ে ক্ষোভে বাজারে ফেলে দিচ্ছেন পান। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে কৃষি বিভাগ চাষিদের বিকল্প ও লাভজনক ফসল চাষের পরামর্শ দিচ্ছে।
গত কয়েক মাসের টানা বৃষ্টিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এখনো বরজে পানের পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকরা। পাশাপাশি পরিপক্ব পান বাজারজাত করা হচ্ছে। তবে এত ফলন হয়েও দাম না থাকায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে চাষিদের।
কৃষক ও ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছর প্রতি পণ বড় পান বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকায়, মাঝারি ১৬০ টাকায় এবং ছোট পান ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। কিন্তু চলতি বছর একই বড় পান বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, মাঝারি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় এবং ছোট পান মাত্র ৩ থেকে ৫ টাকায়।
পানচাষিরা বলছেন, আগের তুলনায় এখন দাম অনেক কমে গেছে। বাজারে পান বিক্রি হচ্ছে না, চাহিদাও নেই। ফলে সকালে বরজ থেকে পান ভেঙে হাটে নিলেও ঠিকমতো বিক্রি করা যায় না, অনেকেই দাম না পেয়ে ক্ষোভে ফেলে দিচ্ছেন। দামের এই ধসের কারণে উৎপাদন খরচও উঠছে না। বরং যা খরচ হয়েছে তার অর্ধেকও ফেরত আসছে না।
কৃষক নেতারা বলছেন, পানের বাজার টিকিয়ে রাখতে রফতানি বাড়াতে হবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মুনজের আলম মানিকের মতে, রফতানি কমে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন চাষিরা। এ ক্ষেত্রে কৃষি বিভাগ ও কৃষি বিপণনের মধ্যে সমন্বয় জরুরি।
অন্যদিকে কৃষি বিভাগ বলছে, ক্ষতির মুখ থেকে কৃষকদের রক্ষা করতে বিকল্প ও লাভজনক ফসলের দিকে নজর দিতে হবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. মো. ইয়াছিন আলী বলেন, লাভজনক ফসলগুলো আবাদের বিষয়ে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। যাতে তারা বেশি লাভবান হতে পারেন এবং বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ এগিয়ে নিতে পারেন।
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৫ হেক্টর জমিতে পানের চাষ হচ্ছে। যা গত বছরের তুলনায় ৫ হেক্টর কম।