শিরোনামঃ
ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে ব্যবসায়ীরা চাপ দিচ্ছেন সরকারকে এলপি গ্যাসের নতুন দাম কার্যকর সন্ধ্যা থেকেই, বাড়ল কত? কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি দিল সরকার, দাম কমার আশা জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এলো ২৮৬ কোটি ডলার জামিন পেলেও আমিরাত ত্যাগ করতে পারবেন না বেনজীর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদ্রাসার ছাত্র আব্দুল্লাহ মাহাদী  নিখোঁজ চাঁপাইনবাবগঞ্জের বারঘরিয়ায় ভয়াবহ লোডশেডিং, ক্ষোভে ফুঁসছে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জামায়াতের গণমিছিল চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবির অভিযানে ৬০ বোতল এস্কাফ সিরাপসহ দুই নারী গ্রেপ্তার গোমস্তাপুরে প্রতিবন্ধীদের মধ্যে হুইল চেয়ার বিতরণ 
News Title :
ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে ব্যবসায়ীরা চাপ দিচ্ছেন সরকারকে এলপি গ্যাসের নতুন দাম কার্যকর সন্ধ্যা থেকেই, বাড়ল কত? কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি দিল সরকার, দাম কমার আশা জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এলো ২৮৬ কোটি ডলার জামিন পেলেও আমিরাত ত্যাগ করতে পারবেন না বেনজীর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদ্রাসার ছাত্র আব্দুল্লাহ মাহাদী  নিখোঁজ চাঁপাইনবাবগঞ্জের বারঘরিয়ায় ভয়াবহ লোডশেডিং, ক্ষোভে ফুঁসছে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জামায়াতের গণমিছিল চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবির অভিযানে ৬০ বোতল এস্কাফ সিরাপসহ দুই নারী গ্রেপ্তার গোমস্তাপুরে প্রতিবন্ধীদের মধ্যে হুইল চেয়ার বিতরণ 

জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এলো ২৮৬ কোটি ডলার

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাসেই প্রবাসী আয়ে শক্তিশালী সূচনা করেছে বাংলাদেশ। জুলাই মাসে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে এসেছে ২৮৫ কোটি ৯০ লাখ (২.৮৫৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এক বছরের ব্যবধানে এই প্রবাহ বেড়েছে ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং ডলারের বাজারে চাপের মধ্যে রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেশের বহিঃখাতকে আরও শক্তিশালী করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুলাইয়ে দেশে এসেছিল ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে এক বছরে অতিরিক্ত এসেছে ৩৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। মাসের শেষ দুই দিন (৩০ ও ৩১ জুলাই) এসেছে ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলার।

ডলারপ্রতি ১২৩ টাকা বিনিময় হার ধরে হিসাব করলে, জুলাই মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল প্রায় ৩০ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে দেশে অতিরিক্ত এসেছে প্রায় ৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

ব্যাংকারদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রণোদনা, ব্যাংকগুলোর ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ, বিদেশে এক্সচেঞ্জ হাউসের কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং হুন্ডির বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারির কারণে বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বেড়েছে। এর সুফল মিলছে রেমিট্যান্স প্রবাহে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি শুধু বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতেই সহায়তা করবে না, বরং ডলারের সরবরাহ বাড়িয়ে বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতেও ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এলসি নিষ্পত্তি ও বিদেশি ঋণের কিস্তি পরিশোধেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর চাপ কিছুটা কমবে।

সূত্র মতে, দেশের রেমিট্যান্স বাজার প্রায় পুরোপুরি বেসরকারি ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রণে। জুলাই মাসজুড়ে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২০৮ কোটি ৯৮ লাখ ডলার, যা মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ৭৩ শতাংশ। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৩ কোটি ৭৯ লাখ ডলার, যা মোটের প্রায় ১৫ শতাংশ।

বিশেষায়িত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক একাই সংগ্রহ করেছে ৩২ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, যা মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ১১ শতাংশ। অন্যদিকে বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে মাত্র ৫৩ লাখ ডলার, যা মোট রেমিট্যান্সের শূন্য দশমিক শূন্য দুই শতাংশেরও কম।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রবাসী অধ্যুষিত দেশগুলোতে শক্তিশালী উপস্থিতি, দ্রুত অর্থ বিতরণ, মোবাইল ব্যাংকিং সংযোগ এবং বিস্তৃত এক্সচেঞ্জ হাউস নেটওয়ার্ক থাকায় বেসরকারি ব্যাংকগুলো ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স বাজারে আধিপত্য বজায় রেখেছে।

একক ব্যাংক হিসেবে আবারও সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। জুলাই মাসে ব্যাংকটির মাধ্যমে এসেছে ৪৫ কোটি ২২ লাখ ডলার, যা মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ১৬ শতাংশ। অর্থাৎ দেশে আসা প্রতি ছয় ডলারের প্রায় এক ডলারই এসেছে এই একটি ব্যাংকের মাধ্যমে।

ব্যাংকিং খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যে ইসলামী ব্যাংকের দীর্ঘদিনের এক্সচেঞ্জ হাউস নেটওয়ার্ক, প্রবাসীদের মধ্যে আস্থা এবং দ্রুত অর্থ বিতরণ ব্যবস্থার কারণে ব্যাংকটি এখনও রেমিট্যান্স আহরণে প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩২ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক, যার মাধ্যমে এসেছে ২৭ কোটি ডলার।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে অগ্রণী ব্যাংকে। ব্যাংকটি একাই সংগ্রহ করেছে ২৪ কোটি ৫৭ লাখ ডলার, যা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মোট রেমিট্যান্সের অর্ধেকেরও বেশি।

এ ছাড়া ১০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পেয়েছে সিটি ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক এবং ট্রাস্ট ব্যাংক। এসব ব্যাংকের বিদেশে শক্তিশালী প্রতিনিধি নেটওয়ার্ক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবাকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে ৭টি ব্যাংক কোনো রেমিট্যান্সই সংগ্রহ করতে পারেনি। এটি প্রমাণ করে যে দেশের রেমিট্যান্স বাজার এখনও কয়েকটি বড় ব্যাংকের মধ্যেই কেন্দ্রীভূত। দুর্বল আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, সীমিত প্রবাসী গ্রাহক এবং এক্সচেঞ্জ হাউসের অভাবের কারণে অনেক ব্যাংক এই বাজারে কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে রপ্তানি আয়ও ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। তার সঙ্গে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ডলারের বাজারে অস্থিরতা কমানো এবং আমদানি ব্যয় নির্বিঘ্নে মেটানোর ক্ষেত্রেও এই প্রবাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে ব্যবসায়ীরা চাপ দিচ্ছেন সরকারকে

জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এলো ২৮৬ কোটি ডলার

Update Time : ০৮:৪৪:৪৭ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাসেই প্রবাসী আয়ে শক্তিশালী সূচনা করেছে বাংলাদেশ। জুলাই মাসে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে এসেছে ২৮৫ কোটি ৯০ লাখ (২.৮৫৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এক বছরের ব্যবধানে এই প্রবাহ বেড়েছে ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং ডলারের বাজারে চাপের মধ্যে রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেশের বহিঃখাতকে আরও শক্তিশালী করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুলাইয়ে দেশে এসেছিল ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে এক বছরে অতিরিক্ত এসেছে ৩৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। মাসের শেষ দুই দিন (৩০ ও ৩১ জুলাই) এসেছে ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলার।

ডলারপ্রতি ১২৩ টাকা বিনিময় হার ধরে হিসাব করলে, জুলাই মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল প্রায় ৩০ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে দেশে অতিরিক্ত এসেছে প্রায় ৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

ব্যাংকারদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রণোদনা, ব্যাংকগুলোর ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ, বিদেশে এক্সচেঞ্জ হাউসের কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং হুন্ডির বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারির কারণে বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বেড়েছে। এর সুফল মিলছে রেমিট্যান্স প্রবাহে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি শুধু বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতেই সহায়তা করবে না, বরং ডলারের সরবরাহ বাড়িয়ে বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতেও ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এলসি নিষ্পত্তি ও বিদেশি ঋণের কিস্তি পরিশোধেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর চাপ কিছুটা কমবে।

সূত্র মতে, দেশের রেমিট্যান্স বাজার প্রায় পুরোপুরি বেসরকারি ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রণে। জুলাই মাসজুড়ে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২০৮ কোটি ৯৮ লাখ ডলার, যা মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ৭৩ শতাংশ। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৩ কোটি ৭৯ লাখ ডলার, যা মোটের প্রায় ১৫ শতাংশ।

বিশেষায়িত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক একাই সংগ্রহ করেছে ৩২ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, যা মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ১১ শতাংশ। অন্যদিকে বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে মাত্র ৫৩ লাখ ডলার, যা মোট রেমিট্যান্সের শূন্য দশমিক শূন্য দুই শতাংশেরও কম।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রবাসী অধ্যুষিত দেশগুলোতে শক্তিশালী উপস্থিতি, দ্রুত অর্থ বিতরণ, মোবাইল ব্যাংকিং সংযোগ এবং বিস্তৃত এক্সচেঞ্জ হাউস নেটওয়ার্ক থাকায় বেসরকারি ব্যাংকগুলো ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স বাজারে আধিপত্য বজায় রেখেছে।

একক ব্যাংক হিসেবে আবারও সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। জুলাই মাসে ব্যাংকটির মাধ্যমে এসেছে ৪৫ কোটি ২২ লাখ ডলার, যা মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ১৬ শতাংশ। অর্থাৎ দেশে আসা প্রতি ছয় ডলারের প্রায় এক ডলারই এসেছে এই একটি ব্যাংকের মাধ্যমে।

ব্যাংকিং খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যে ইসলামী ব্যাংকের দীর্ঘদিনের এক্সচেঞ্জ হাউস নেটওয়ার্ক, প্রবাসীদের মধ্যে আস্থা এবং দ্রুত অর্থ বিতরণ ব্যবস্থার কারণে ব্যাংকটি এখনও রেমিট্যান্স আহরণে প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩২ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক, যার মাধ্যমে এসেছে ২৭ কোটি ডলার।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে অগ্রণী ব্যাংকে। ব্যাংকটি একাই সংগ্রহ করেছে ২৪ কোটি ৫৭ লাখ ডলার, যা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মোট রেমিট্যান্সের অর্ধেকেরও বেশি।

এ ছাড়া ১০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পেয়েছে সিটি ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক এবং ট্রাস্ট ব্যাংক। এসব ব্যাংকের বিদেশে শক্তিশালী প্রতিনিধি নেটওয়ার্ক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবাকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে ৭টি ব্যাংক কোনো রেমিট্যান্সই সংগ্রহ করতে পারেনি। এটি প্রমাণ করে যে দেশের রেমিট্যান্স বাজার এখনও কয়েকটি বড় ব্যাংকের মধ্যেই কেন্দ্রীভূত। দুর্বল আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, সীমিত প্রবাসী গ্রাহক এবং এক্সচেঞ্জ হাউসের অভাবের কারণে অনেক ব্যাংক এই বাজারে কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে রপ্তানি আয়ও ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। তার সঙ্গে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ডলারের বাজারে অস্থিরতা কমানো এবং আমদানি ব্যয় নির্বিঘ্নে মেটানোর ক্ষেত্রেও এই প্রবাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে