শিরোনামঃ
পুশ-ইন ঠেকাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে আনসার-ভিডিপি মোতায়েন চাঁপাই ব্লাড ডোনেট ফাউন্ডেশন এর উদ্দেগে স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা ও গৌরবময় ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন । বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ এক যুবকের বিরুদ্ধে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আটক ২১ মিথ্যা মামলা ও বিলভাতিয়া জলমহল দখলের অভিযোগে শিবগঞ্জে মৎস্যজীবীদের মানববন্ধন জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা, নারীসহ দুইজন আহত; আদালতে মামলা আম খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেফতার নতুন পে-স্কেল নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পুশইন-পুশব্যাক কেন ও কীভাবে ঘটে? এর আইনগত ভিত্তি কী? ইতালির পথে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম, মৌসুমের প্রথম চালানে গেল ২ টন খিরসাপাত ও ব্যানানা ম্যাংগো
News Title :
পুশ-ইন ঠেকাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে আনসার-ভিডিপি মোতায়েন চাঁপাই ব্লাড ডোনেট ফাউন্ডেশন এর উদ্দেগে স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা ও গৌরবময় ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন । বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ এক যুবকের বিরুদ্ধে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আটক ২১ মিথ্যা মামলা ও বিলভাতিয়া জলমহল দখলের অভিযোগে শিবগঞ্জে মৎস্যজীবীদের মানববন্ধন জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা, নারীসহ দুইজন আহত; আদালতে মামলা আম খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেফতার নতুন পে-স্কেল নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পুশইন-পুশব্যাক কেন ও কীভাবে ঘটে? এর আইনগত ভিত্তি কী? ইতালির পথে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম, মৌসুমের প্রথম চালানে গেল ২ টন খিরসাপাত ও ব্যানানা ম্যাংগো

নতুন পে-স্কেল নিয়ে বড় দুঃসংবাদ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:২১:১৯ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • ২৮ Time View

দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নতুন পে-স্কেলের অপেক্ষায় থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আবারও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

আগামী ১ জুলাই থেকে নবম পে-স্কেল কার্যকর হতে পারে-এমন আলোচনা বিভিন্ন মহলে থাকলেও সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

বাজেট উপস্থাপনের সময় ঘনিয়ে এলেও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নীরবতা চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে। ফলে কাঙ্ক্ষিত বেতন কাঠামো সময় মতো বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন ও জল্পনা।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ, নতুন পে-স্কেল নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে যেসব তথ্য সামনে এসেছে, তার সবই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সূত্রে।

সরকারের কোনো মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কিংবা পে-কমিশনের সদস্যদের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও বিষয়টি নিয়ে একই ধরনের ধোঁয়াশা ছিল, যা বর্তমান সময়েও অব্যাহত রয়েছে। এ অবস্থায় চাকরিজীবীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে- ১ জুলাই থেকে আদৌ পে-স্কেল কার্যকর হচ্ছে কি না এবং হলে তা কীভাবে বাস্তবায়িত হবে।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক আবদুল মালেক এ প্রসঙ্গে বলেন, মনের ভেতরে একটা ভয় থেকেই যাচ্ছে যে সরকার তো কিছুই বলেনি।

আনুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রতি মুহূর্তে ব্রিফিং-বিবৃতি দেয়া হলেও আসন্ন পে-স্কেল নিয়ে আজ পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট ঘোষণা আমরা পাইনি।

তিনি আরও বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় বা অর্থ-সচিবের পক্ষ থেকেও কোনো বক্তব্য আসেনি। যার কারণে কর্মচারীদের মধ্যে এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে যে আসলেই কি পে-স্কেল হচ্ছে?

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির এই নেতা বলেন, কর্মচারীরা দীর্ঘ ১১ বছর ধরে নতুন পে-স্কেলের অপেক্ষায় রয়েছেন। নির্বাচনী ইশতেহারেও প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় এলে পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

আগামী ১১ জুন সরকারের প্রথম বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে, যার আকার প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। চাকরিজীবীদের প্রত্যাশা, এই বাজেটে তাদের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা হবে।

এদিকে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও ‘ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের’ খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি।

গত ৩১ মে সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য-সচিব আশিকুল ইসলামের পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত ১১ বছরে সরকারি কর্মচারীদের বেতনে কোনো মৌলিক পরিবর্তন না এলেও জীবনযাত্রার ব্যয় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে অনেক নিম্নপদস্থ কর্মচারী জীবিকার তাগিদে চাকরির পাশাপাশি অতিরিক্ত খণ্ডকালীন কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিন ধাপে তিন বছরে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে সংগঠনটির নেতারা বলছেন, অতীতে পে-স্কেল কার্যকরের আগে ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হতো এবং প্রথম ধাপে শতভাগ বেসিক ও দ্বিতীয় ধাপে অন্যান্য ভাতা চালু করা হতো। এবারও সেই পদ্ধতি অনুসরণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

অন্যদিকে দায়িত্বশীল সরকারি সূত্রগুলোর আভাস অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে তিনটি অর্থবছর সময় লাগতে পারে। খসড়া পরিকল্পনা অনুসারে, আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন বেসিক বেতনের ৫০ শতাংশ সুবিধা পেতে পারেন।

পরবর্তী অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ কার্যকর করা হবে। আর ২০২৮-২৯ অর্থবছরে নতুন পে-স্কেলের আওতাধীন বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা ধাপে ধাপে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের এমন ধীরগতির বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিয়েই মূলত কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।

যদিও সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটতে পারে আগামী সপ্তাহেই। রাষ্ট্রপতির আহ্বানে আগামী ৭ জুন বিকেল ৩টায় শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন। এরপর ১১ জুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সংসদে উপস্থাপন করবেন।

সেদিনের বাজেটেই স্পষ্ট হবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারের প্রকৃত অবস্থান এবং বিদ্যমান শঙ্কা কতটা কাটছে বা আরও বাড়ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

পুশ-ইন ঠেকাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে আনসার-ভিডিপি মোতায়েন

নতুন পে-স্কেল নিয়ে বড় দুঃসংবাদ

Update Time : ০৩:২১:১৯ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নতুন পে-স্কেলের অপেক্ষায় থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আবারও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

আগামী ১ জুলাই থেকে নবম পে-স্কেল কার্যকর হতে পারে-এমন আলোচনা বিভিন্ন মহলে থাকলেও সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

বাজেট উপস্থাপনের সময় ঘনিয়ে এলেও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নীরবতা চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে। ফলে কাঙ্ক্ষিত বেতন কাঠামো সময় মতো বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন ও জল্পনা।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ, নতুন পে-স্কেল নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে যেসব তথ্য সামনে এসেছে, তার সবই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সূত্রে।

সরকারের কোনো মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কিংবা পে-কমিশনের সদস্যদের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও বিষয়টি নিয়ে একই ধরনের ধোঁয়াশা ছিল, যা বর্তমান সময়েও অব্যাহত রয়েছে। এ অবস্থায় চাকরিজীবীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে- ১ জুলাই থেকে আদৌ পে-স্কেল কার্যকর হচ্ছে কি না এবং হলে তা কীভাবে বাস্তবায়িত হবে।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক আবদুল মালেক এ প্রসঙ্গে বলেন, মনের ভেতরে একটা ভয় থেকেই যাচ্ছে যে সরকার তো কিছুই বলেনি।

আনুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রতি মুহূর্তে ব্রিফিং-বিবৃতি দেয়া হলেও আসন্ন পে-স্কেল নিয়ে আজ পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট ঘোষণা আমরা পাইনি।

তিনি আরও বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় বা অর্থ-সচিবের পক্ষ থেকেও কোনো বক্তব্য আসেনি। যার কারণে কর্মচারীদের মধ্যে এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে যে আসলেই কি পে-স্কেল হচ্ছে?

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির এই নেতা বলেন, কর্মচারীরা দীর্ঘ ১১ বছর ধরে নতুন পে-স্কেলের অপেক্ষায় রয়েছেন। নির্বাচনী ইশতেহারেও প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় এলে পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

আগামী ১১ জুন সরকারের প্রথম বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে, যার আকার প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। চাকরিজীবীদের প্রত্যাশা, এই বাজেটে তাদের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা হবে।

এদিকে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও ‘ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের’ খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি।

গত ৩১ মে সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য-সচিব আশিকুল ইসলামের পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত ১১ বছরে সরকারি কর্মচারীদের বেতনে কোনো মৌলিক পরিবর্তন না এলেও জীবনযাত্রার ব্যয় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে অনেক নিম্নপদস্থ কর্মচারী জীবিকার তাগিদে চাকরির পাশাপাশি অতিরিক্ত খণ্ডকালীন কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিন ধাপে তিন বছরে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে সংগঠনটির নেতারা বলছেন, অতীতে পে-স্কেল কার্যকরের আগে ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হতো এবং প্রথম ধাপে শতভাগ বেসিক ও দ্বিতীয় ধাপে অন্যান্য ভাতা চালু করা হতো। এবারও সেই পদ্ধতি অনুসরণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

অন্যদিকে দায়িত্বশীল সরকারি সূত্রগুলোর আভাস অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে তিনটি অর্থবছর সময় লাগতে পারে। খসড়া পরিকল্পনা অনুসারে, আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন বেসিক বেতনের ৫০ শতাংশ সুবিধা পেতে পারেন।

পরবর্তী অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ কার্যকর করা হবে। আর ২০২৮-২৯ অর্থবছরে নতুন পে-স্কেলের আওতাধীন বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা ধাপে ধাপে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের এমন ধীরগতির বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিয়েই মূলত কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।

যদিও সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটতে পারে আগামী সপ্তাহেই। রাষ্ট্রপতির আহ্বানে আগামী ৭ জুন বিকেল ৩টায় শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন। এরপর ১১ জুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সংসদে উপস্থাপন করবেন।

সেদিনের বাজেটেই স্পষ্ট হবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারের প্রকৃত অবস্থান এবং বিদ্যমান শঙ্কা কতটা কাটছে বা আরও বাড়ছে।