শিরোনামঃ
আমতলী চা বাগানের ব্যবস্থাপককে জড়িয়ে অপপ্রচার, বাগানবাসীর প্রতিবাদ বাহুবলে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস পালিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরাঞ্চলে সেচ বিপর্যয়, আশঙ্কায় খাদ্য উৎপাদন বজ্রপাতের ঝুঁকিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষি ভিত্তিক শিল্পে নয়া দিগন্ত বানিজ্যিক ভাবে শুকনা আনারস উৎপাদন চরের পতিত জমিতে সোনালি ফসল: চিনাবাদাম চাষে বদলে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি অর্থনীতি শিবগঞ্জের আদি চমচমকে জিআই স্বীকৃতির দাবি জোরালো চাঁদাবাজি বন্ধ ও শ্রমিক অধিকার রক্ষায় দুর্বার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মহান মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ের দিন অর্থের টানাপোড়েনে থমকে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ হার্ট হাসপাতাল
News Title :
আমতলী চা বাগানের ব্যবস্থাপককে জড়িয়ে অপপ্রচার, বাগানবাসীর প্রতিবাদ বাহুবলে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস পালিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরাঞ্চলে সেচ বিপর্যয়, আশঙ্কায় খাদ্য উৎপাদন বজ্রপাতের ঝুঁকিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষি ভিত্তিক শিল্পে নয়া দিগন্ত বানিজ্যিক ভাবে শুকনা আনারস উৎপাদন চরের পতিত জমিতে সোনালি ফসল: চিনাবাদাম চাষে বদলে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি অর্থনীতি শিবগঞ্জের আদি চমচমকে জিআই স্বীকৃতির দাবি জোরালো চাঁদাবাজি বন্ধ ও শ্রমিক অধিকার রক্ষায় দুর্বার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মহান মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ের দিন অর্থের টানাপোড়েনে থমকে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ হার্ট হাসপাতাল

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঝড়ে লন্ডভন্ড ঘরবাড়ি, বিদ্যুৎহীন অনেক এলাকা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরবাড়ি ও গাছপালা উপড়ে যাওয়ার পাশাপাশি আমবাগানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

 

রোববার (১৫ মার্চ) রাত ৯টার দিকে এই দুর্যোগ আঘাত হানে।

 

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার রাতে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ধেয়ে আসা তীব্র দমকা হাওয়ার সঙ্গে শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। মুহূর্তেই রহনপুর পৌরসভা ছাড়াও উপজেলার বোয়ালিয়া, গোমস্তাপুর, আলিনগর, পার্বতীপুর, রাধানগর ও চৌডালা ইউনিয়নের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বাতাসের প্রচণ্ড গতিবেগে বহু কাঁচা ও আধা-পাকা ঘরের টিনের চাল উড়ে গেছে এবং অসংখ্য বড় গাছ উপড়ে পড়েছে। ঝড়ের সময় গাছ উপড়ে পড়ার শব্দে এবং ঘরের চাল উড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই প্রাণভয়ে ঘর ছেড়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন।

 

এই দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন স্থানীয় আম চাষিরা। রহনপুর এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত আম চাষি আব্দুর রাজ্জাক আক্ষেপ করে বলেন, কয়েক দিন আগেই মুকুল থেকে গুটি বের হয়েছিল, ভেবেছিলেন এবার ভালো ফলন পাবেন। কিন্তু রাতের ঝড়ে অর্ধেকের বেশি গুটি ঝরে গেছে এবং বড় কয়েকটি গাছও ভেঙে পড়েছে।

 

আলিনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা মরিয়ম বেগম। তিনি জানান, রাতে বাতাস শুরু হলে মনে হচ্ছিল ঘরবাড়ি সব উড়িয়ে নিয়ে যাবে। সন্তানের হাত ধরে কোনোমতে বাইরে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি, আর চোখের সামনেই উড়ে গেছে নিজের ঘরের চাল।

 

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্যমতে, ঝড়ের কারণে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে এবং বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকের আলী মুন্সি বলেন, ঝড়ে ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি কৃষির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণ শুরু হয়েছে এবং জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

আমতলী চা বাগানের ব্যবস্থাপককে জড়িয়ে অপপ্রচার, বাগানবাসীর প্রতিবাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঝড়ে লন্ডভন্ড ঘরবাড়ি, বিদ্যুৎহীন অনেক এলাকা

Update Time : ১১:৪২:২৯ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরবাড়ি ও গাছপালা উপড়ে যাওয়ার পাশাপাশি আমবাগানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

 

রোববার (১৫ মার্চ) রাত ৯টার দিকে এই দুর্যোগ আঘাত হানে।

 

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার রাতে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ধেয়ে আসা তীব্র দমকা হাওয়ার সঙ্গে শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। মুহূর্তেই রহনপুর পৌরসভা ছাড়াও উপজেলার বোয়ালিয়া, গোমস্তাপুর, আলিনগর, পার্বতীপুর, রাধানগর ও চৌডালা ইউনিয়নের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বাতাসের প্রচণ্ড গতিবেগে বহু কাঁচা ও আধা-পাকা ঘরের টিনের চাল উড়ে গেছে এবং অসংখ্য বড় গাছ উপড়ে পড়েছে। ঝড়ের সময় গাছ উপড়ে পড়ার শব্দে এবং ঘরের চাল উড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই প্রাণভয়ে ঘর ছেড়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন।

 

এই দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন স্থানীয় আম চাষিরা। রহনপুর এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত আম চাষি আব্দুর রাজ্জাক আক্ষেপ করে বলেন, কয়েক দিন আগেই মুকুল থেকে গুটি বের হয়েছিল, ভেবেছিলেন এবার ভালো ফলন পাবেন। কিন্তু রাতের ঝড়ে অর্ধেকের বেশি গুটি ঝরে গেছে এবং বড় কয়েকটি গাছও ভেঙে পড়েছে।

 

আলিনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা মরিয়ম বেগম। তিনি জানান, রাতে বাতাস শুরু হলে মনে হচ্ছিল ঘরবাড়ি সব উড়িয়ে নিয়ে যাবে। সন্তানের হাত ধরে কোনোমতে বাইরে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি, আর চোখের সামনেই উড়ে গেছে নিজের ঘরের চাল।

 

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্যমতে, ঝড়ের কারণে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে এবং বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকের আলী মুন্সি বলেন, ঝড়ে ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি কৃষির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণ শুরু হয়েছে এবং জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।