শিরোনামঃ
ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা: শিবগঞ্জে ৩ শিক্ষক অব্যাহতি, পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ সহকারী চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাইমুম পারভেজ নওগাঁয় চার খুনের রহস্য উদঘাটন চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে ২০ শিক্ষার্থী অসুস্থ প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও নগ্ন ভিডিও ধারণ করে চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তার ১ হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু বিএনপির ছয় নেতাকে আজীবন বহিষ্কার চাঁপাইনবাবগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির নামে ভয়াবহ প্রতারণা: ভূয়া কার্ডে ৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া—নেপথ্যে কারা? ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে টাস্কফোর্সের বড় সাফল্য বিপুল পরিমাণ হেরোইন ও ৮ লক্ষাধিক টাকাসহ আটক ২ ট্রাকের ধাক্কায় ঝরল কিশোরের প্রাণ, বিক্ষোভে মহাসড়ক অবরোধ
News Title :
ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা: শিবগঞ্জে ৩ শিক্ষক অব্যাহতি, পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ সহকারী চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাইমুম পারভেজ নওগাঁয় চার খুনের রহস্য উদঘাটন চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে ২০ শিক্ষার্থী অসুস্থ প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও নগ্ন ভিডিও ধারণ করে চাঁদাবাজি, গ্রেপ্তার ১ হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু বিএনপির ছয় নেতাকে আজীবন বহিষ্কার চাঁপাইনবাবগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির নামে ভয়াবহ প্রতারণা: ভূয়া কার্ডে ৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া—নেপথ্যে কারা? ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে টাস্কফোর্সের বড় সাফল্য বিপুল পরিমাণ হেরোইন ও ৮ লক্ষাধিক টাকাসহ আটক ২ ট্রাকের ধাক্কায় ঝরল কিশোরের প্রাণ, বিক্ষোভে মহাসড়ক অবরোধ

নওগাঁয় চার খুনের রহস্য উদঘাটন

নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে নৃশংস হত্যার ঘটনার পিছনে রয়েছে জমিজমা ভাগ বাটোয়ারা। পুলিশ বলছে আপন ভাগ্নে আর দুলাভাই হচ্ছে মূল হত্যাকারী। এঘটনায় নিহত হাবিবুরের আপন দুই ভাগিনা সবুজ হোসেন ও শাহীন রানা এবং বড় বোনের স্বামী শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করছে পুলিশ।

 

দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম। পুলিশ সুপার জানান, ২০ এপ্রিল রাতে নিহত হাবিবুর ও তার স্ত্রী এবং দুই সন্তানসহ তার দুই ভাগিনা সবুজ ও শাহীন একসঙ্গে রাতে খাবার খায়। এরপর ওইদিন রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে পাশের খোলা মাঠে হত্যার পরিকল্পনা করেন তারা৷ যেখানে দুই ভাগ্নে ছাড়াও অংশ নেয় হাবিবুরের দুলাভাই শহিদুলসহ আরও কয়েকজন।

 

পরিকল্পনা অনুযায়ী রাত ১টার দিকে বাড়িতে ঢুকে দরজা আটকিয়ে দেয় তারা। এরপর প্রথমে মামা হাবিবুরকে জবাই করে দুই ভাগ্নে। কিছু পরে মামি পপি আক্তার সৌচ কাজে বাহিরে বের হলে তাকে জবাই করা হয় বাড়ির আঙ্গিনায়। সবশেষে মামাতো দুই ভাই বোনকে ঘুমের ঘরেই জবাই করে পালিয়ে যায় তারা।

 

পুলিশ সুপার আরও বলছে, মূলত ১৭ বিঘা জমির ভাগবাটোয়ারা নিয়েই শুরু হয় ঝামেলা। ৫ বোনের পর একমাত্র ছোট ভাই হাবিবুর। বাবা-মা’র কাছ থেকে জমির ভাগ বেশি পাওয়ায় কাল হয় হাবিবুরের। এ নিয়ে আদালাতে মামলাও হয় কয়েকটি। সব ঝামেলা মিটাতে হাবিবুরকে নির্বংশ করতেই এই কিলিং মিশন হয়।

 

অন্যদিকে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নিজ গ্রামে। সেখানে দাফনের জন্য বাড়ির সামনে পাশাপাশি প্রস্তুত করা হয়েছে চারটি কবর। বিকেলে জানাজার নামাজ শেষে তাদের দাফন করার কথা রয়েছে৷

 

এই ঘটনায় নিহত গৃহবধূর বাবার দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেফতা দেখানো হয়েছে ৩ জনকে। পুলিশ বলছে ঘটনার সাথে জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা ব্যবহৃত রয়েছে। অন্যদিকে ভাগ্নে সবুজের বাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা: শিবগঞ্জে ৩ শিক্ষক অব্যাহতি, পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ

নওগাঁয় চার খুনের রহস্য উদঘাটন

Update Time : ০৫:৫৭:৪০ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে নৃশংস হত্যার ঘটনার পিছনে রয়েছে জমিজমা ভাগ বাটোয়ারা। পুলিশ বলছে আপন ভাগ্নে আর দুলাভাই হচ্ছে মূল হত্যাকারী। এঘটনায় নিহত হাবিবুরের আপন দুই ভাগিনা সবুজ হোসেন ও শাহীন রানা এবং বড় বোনের স্বামী শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করছে পুলিশ।

 

দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম। পুলিশ সুপার জানান, ২০ এপ্রিল রাতে নিহত হাবিবুর ও তার স্ত্রী এবং দুই সন্তানসহ তার দুই ভাগিনা সবুজ ও শাহীন একসঙ্গে রাতে খাবার খায়। এরপর ওইদিন রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে পাশের খোলা মাঠে হত্যার পরিকল্পনা করেন তারা৷ যেখানে দুই ভাগ্নে ছাড়াও অংশ নেয় হাবিবুরের দুলাভাই শহিদুলসহ আরও কয়েকজন।

 

পরিকল্পনা অনুযায়ী রাত ১টার দিকে বাড়িতে ঢুকে দরজা আটকিয়ে দেয় তারা। এরপর প্রথমে মামা হাবিবুরকে জবাই করে দুই ভাগ্নে। কিছু পরে মামি পপি আক্তার সৌচ কাজে বাহিরে বের হলে তাকে জবাই করা হয় বাড়ির আঙ্গিনায়। সবশেষে মামাতো দুই ভাই বোনকে ঘুমের ঘরেই জবাই করে পালিয়ে যায় তারা।

 

পুলিশ সুপার আরও বলছে, মূলত ১৭ বিঘা জমির ভাগবাটোয়ারা নিয়েই শুরু হয় ঝামেলা। ৫ বোনের পর একমাত্র ছোট ভাই হাবিবুর। বাবা-মা’র কাছ থেকে জমির ভাগ বেশি পাওয়ায় কাল হয় হাবিবুরের। এ নিয়ে আদালাতে মামলাও হয় কয়েকটি। সব ঝামেলা মিটাতে হাবিবুরকে নির্বংশ করতেই এই কিলিং মিশন হয়।

 

অন্যদিকে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নিজ গ্রামে। সেখানে দাফনের জন্য বাড়ির সামনে পাশাপাশি প্রস্তুত করা হয়েছে চারটি কবর। বিকেলে জানাজার নামাজ শেষে তাদের দাফন করার কথা রয়েছে৷

 

এই ঘটনায় নিহত গৃহবধূর বাবার দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেফতা দেখানো হয়েছে ৩ জনকে। পুলিশ বলছে ঘটনার সাথে জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা ব্যবহৃত রয়েছে। অন্যদিকে ভাগ্নে সবুজের বাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা।