
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কনফিডেন্সিয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট (সিএ) রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে গড়িমসির অভিযোগ উঠেছে। তদন্ত শুরুর এক মাস ১২ দিন পার হলেও প্রতিবেদন দাখিল করেননি তদন্তকারী কর্মকর্তা ও জেলা ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা জাহিদ হাসান। অভিযোগ উঠেছে, অভিযুক্ত রবিউলকে বাঁচানোর জন্যই প্রতিবেদন জমা দিতে দেরি করা হচ্ছে।
উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থ আত্মসাতের একাধিক সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের আলিশাপুর দাখিল মাদ্রাসা সংস্কারের জন্য বরাদ্দকৃত ২ লক্ষ টাকা পিআইসি কমিটির মাধ্যমে খরচ করার কথা থাকলেও রবিউল নিজেই সেই কাজ দায়সারাভাবে করে সিংহভাগ অর্থ আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়া, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এডিপি’র আওতায় ইলামিত্র সংগ্রহশালা সংস্কারের ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দের বিপরীতে চলতি মাসে মাত্র ৫০ হাজার টাকার রঙ করার কাজ করে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা লোপাট করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ইউএনও’র নাম ব্যবহার করে প্রকল্পের নিয়ন্ত্রণ নিতেন।
এই অনিয়ম নিয়ে গত ৩০ মার্চ গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে জেলা প্রশাসক বিষয়টি আমলে নেন। গত ৩১ মার্চ ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা জাহিদ হাসানকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি অভিযুক্তদের কার্যালয়ে ডেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং গত ২৩ এপ্রিল সরেজমিনে তদন্তে যান। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, প্রকল্পের সভাপতি নারী ইউপি সদস্য ইশমোতারার সঙ্গে এখন পর্যন্ত তদন্ত কর্মকর্তা কোনো কথা বলেননি।
অভিযুক্ত রবিউল ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য নয়।
অন্যদিকে, তদন্তকারী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান বলেন, তদন্তের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে, রিপোর্টের কাজ চলছে। তবে ঠিক কবে নাগাদ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে তিনি কোনো সুনির্দিষ্ট সময় জানাতে পারেননি।
Reporter Name 























