শিরোনামঃ
সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে ফলের পর পাথর আমদানিও বন্ধ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় গরু জব্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে ৬ কেজি ৮০০ গ্রাম হেরোইনসহ আটক ১ হজে গিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১ জনসহ ১৩ বাংলাদেশির মৃত্যু মহানন্দা সেতুর টোল বন্ধের দাবিতে ডিসি অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে এবার চলবে না ‘ম্যাংগো স্পেশাল’ ট্রেন ভোলাহাট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মোবাইল, ইয়াবা ও নেশাজাতীয় ট্যাবলেট জব্দ পিরোজপুরে কলেজ শিক্ষার্থীদের নিয়ে পূবালী ব্যাংকের ডিজিটাল ও ক্যাশলেস ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন পাটগ্রাম সীমান্তে গরু ধরে নিয়ে যাওয়া বিএসএফকে প্রতিহত করলো স্থানীয়রা চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদী থেকে অবৈধ মাটি উত্তোলন: ট্রাক্টরসহ আটক ১, জরিমানা ১৫ হাজার টাকা
News Title :
সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে ফলের পর পাথর আমদানিও বন্ধ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় গরু জব্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে ৬ কেজি ৮০০ গ্রাম হেরোইনসহ আটক ১ হজে গিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১ জনসহ ১৩ বাংলাদেশির মৃত্যু মহানন্দা সেতুর টোল বন্ধের দাবিতে ডিসি অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে এবার চলবে না ‘ম্যাংগো স্পেশাল’ ট্রেন ভোলাহাট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মোবাইল, ইয়াবা ও নেশাজাতীয় ট্যাবলেট জব্দ পিরোজপুরে কলেজ শিক্ষার্থীদের নিয়ে পূবালী ব্যাংকের ডিজিটাল ও ক্যাশলেস ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন পাটগ্রাম সীমান্তে গরু ধরে নিয়ে যাওয়া বিএসএফকে প্রতিহত করলো স্থানীয়রা চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদী থেকে অবৈধ মাটি উত্তোলন: ট্রাক্টরসহ আটক ১, জরিমানা ১৫ হাজার টাকা

সেই রাতে পাকিস্তান যেভাবে ভারতকে রুখেছে।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৫৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১০ মে ২০২৫
  • ২৬০ Time View

যেভাবে সেই রাতে পাকিস্তান ভারতকে রুখেছে।

সম্প্রতি ভারত-পাকিস্তান এর স্নায়ু যুদ্ধ রূপ নিয়েছে সামরিক অভিযানের দিকে। গত ৭ মে হঠাৎ ই ভারত অপারেশন সিঁদুর নামে পাকিস্তানের ৩টি ভিন্ন ভিন্ন স্থানে আচমকা মিসাইল হামলা করে। অপ্রস্তু পাকিস্তান বাহিনী যেভাবে তা সামলে নিয়েছে:

সেদিন ভারতীয় আকাশসীমা লঙ্ঘনের আশঙ্কায় পাকিস্তান এয়ার ফোর্স (PAF) ব্যাপক সামরিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলো। PAF-এর বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, ৪২টি উচ্চপ্রযুক্তির যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয় এবং আকাশে সম্পূর্ণ কন্ট্রোল ও সুপিরিয়রিটি বজায় রাখা হয়। নিরাপত্তাজনিত কারণে বাণিজ্যিক বিমানের রুট পরিবর্তন করা হয়।

যুদ্ধনীতির নিয়ম পরিবর্তন করে করা হয়: “Assure Kill, Deny Own Loss”—অর্থাৎ শত্রুকে নিশ্চিতভাবে ধ্বংস করতে হবে এবং নিজের কোনো ক্ষতি মেনে নেওয়া যাবে না। এই মোডে চলে যায় পাকিস্তান এয়ারফোর্স। আগের কৌশল ছিল “Deter”, অর্থাৎ বাধা দেওয়া বা ভয় দেখিয়ে দূরে রাখা। সেই রাতে সেটি পরিবর্তন করে করা হয়েছে “Destroy”, দেয়া হয়েছে বিশেষভাবে রাফালে টার্গেট করে আঘাত হানার নির্দেশনা।

১ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তীব্র ডগফাইট চলেছে আকাশে। পাকিস্তান দাবি করেছে যে, তারা তিনটি ভারতীয় রাফালে, একটি SU-30MKI এবং একটি MiG-29 বিমান ভূপাতিত করেছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ এসব দাবি অস্বীকার করেছে, তবে ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। সামরিক বিশ্লেষকরা এটিকে আধুনিক যুগের অন্যতম বড় আকাশযুদ্ধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

এই সংঘর্ষে পাকিস্তান চীনা নির্মিত J-10C যুদ্ধবিমান ব্যবহার করেছে। ভারতীয় রাফালে বিমানগুলো পাকিস্তানের আকাশে প্রবেশের পর তা শনাক্ত করে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এই ঘটনা ভারতীয় আকাশসীমা লঙ্ঘনের আশঙ্কা এবং পাকিস্তানের শক্তিশালী প্রতিক্রিয়ার প্রতিফলন।

উল্লেখযোগ্য যে, পাকিস্তান এয়ারফোর্সের এই প্রতিক্রিয়া আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে এবং দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে ফলের পর পাথর আমদানিও বন্ধ

সেই রাতে পাকিস্তান যেভাবে ভারতকে রুখেছে।

Update Time : ০২:৫৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

সম্প্রতি ভারত-পাকিস্তান এর স্নায়ু যুদ্ধ রূপ নিয়েছে সামরিক অভিযানের দিকে। গত ৭ মে হঠাৎ ই ভারত অপারেশন সিঁদুর নামে পাকিস্তানের ৩টি ভিন্ন ভিন্ন স্থানে আচমকা মিসাইল হামলা করে। অপ্রস্তু পাকিস্তান বাহিনী যেভাবে তা সামলে নিয়েছে:

সেদিন ভারতীয় আকাশসীমা লঙ্ঘনের আশঙ্কায় পাকিস্তান এয়ার ফোর্স (PAF) ব্যাপক সামরিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলো। PAF-এর বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, ৪২টি উচ্চপ্রযুক্তির যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয় এবং আকাশে সম্পূর্ণ কন্ট্রোল ও সুপিরিয়রিটি বজায় রাখা হয়। নিরাপত্তাজনিত কারণে বাণিজ্যিক বিমানের রুট পরিবর্তন করা হয়।

যুদ্ধনীতির নিয়ম পরিবর্তন করে করা হয়: “Assure Kill, Deny Own Loss”—অর্থাৎ শত্রুকে নিশ্চিতভাবে ধ্বংস করতে হবে এবং নিজের কোনো ক্ষতি মেনে নেওয়া যাবে না। এই মোডে চলে যায় পাকিস্তান এয়ারফোর্স। আগের কৌশল ছিল “Deter”, অর্থাৎ বাধা দেওয়া বা ভয় দেখিয়ে দূরে রাখা। সেই রাতে সেটি পরিবর্তন করে করা হয়েছে “Destroy”, দেয়া হয়েছে বিশেষভাবে রাফালে টার্গেট করে আঘাত হানার নির্দেশনা।

১ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তীব্র ডগফাইট চলেছে আকাশে। পাকিস্তান দাবি করেছে যে, তারা তিনটি ভারতীয় রাফালে, একটি SU-30MKI এবং একটি MiG-29 বিমান ভূপাতিত করেছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ এসব দাবি অস্বীকার করেছে, তবে ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। সামরিক বিশ্লেষকরা এটিকে আধুনিক যুগের অন্যতম বড় আকাশযুদ্ধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

এই সংঘর্ষে পাকিস্তান চীনা নির্মিত J-10C যুদ্ধবিমান ব্যবহার করেছে। ভারতীয় রাফালে বিমানগুলো পাকিস্তানের আকাশে প্রবেশের পর তা শনাক্ত করে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এই ঘটনা ভারতীয় আকাশসীমা লঙ্ঘনের আশঙ্কা এবং পাকিস্তানের শক্তিশালী প্রতিক্রিয়ার প্রতিফলন।

উল্লেখযোগ্য যে, পাকিস্তান এয়ারফোর্সের এই প্রতিক্রিয়া আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে এবং দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।