শিরোনামঃ
মেধা পাচার নাকি বিশ্বজয়ের পথে বাংলাদেশের নাহিদ আলম? হাওরে ডুবছে পাকা ধান, কাঁদছে কৃষক হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোনায় বাড়ছে নদ-নদীর পানি, ধান নিয়ে শঙ্কায় কৃষকরা জুলাই সনদ নিয়ে সরকার গণবিরোধীতায় লিপ্ত হয়েছে স্কুলে এসে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী পাম্পের অনিয়মের ভিডিও করায় ছাত্র অধিকারের নেতাকে মারধর ও আটকে রাখার অভিযোগ ভোলাহাটে জ্বালানি তেল পাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন বজ্রপাতে প্রাণ গেল বাবার, কোল থেকে ছিটকে প্রাণে বাঁচল মেয়ে পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফায় ১৪২ আসনে ভোট আজ
News Title :
মেধা পাচার নাকি বিশ্বজয়ের পথে বাংলাদেশের নাহিদ আলম? হাওরে ডুবছে পাকা ধান, কাঁদছে কৃষক হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোনায় বাড়ছে নদ-নদীর পানি, ধান নিয়ে শঙ্কায় কৃষকরা জুলাই সনদ নিয়ে সরকার গণবিরোধীতায় লিপ্ত হয়েছে স্কুলে এসে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী পাম্পের অনিয়মের ভিডিও করায় ছাত্র অধিকারের নেতাকে মারধর ও আটকে রাখার অভিযোগ ভোলাহাটে জ্বালানি তেল পাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন বজ্রপাতে প্রাণ গেল বাবার, কোল থেকে ছিটকে প্রাণে বাঁচল মেয়ে পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফায় ১৪২ আসনে ভোট আজ

জামায়াত আমিরের নির্বাচনের ব্যয় বিবরণী প্রকাশ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৫ আসনে নির্বাচনি ব্যয় করেছেন ৩২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।

 

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া নির্বাচনি ব্যয় বিবরণী থেকে এ তথ্য জানা যায়।

 

ব্যয় বিবরণী বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারণা বাবদ ব্যয় করেছেন ১৫ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫০ টাকা। পরিবহন বাবদ খরচ করেছেন ৮৮ হাজার ৯৬ টাকা। জনসভা করতে খরচ করেছেন ৫ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। নির্বাচনি ক্যাম্পে খরচ হয়েছে ৪ লাখ ১৭ হাজার ৬৪২ টাকা।

 

এ ছাড়া এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফ বাবদ খরচ করেছেন ২ লাখ ৯৩ হাজার ৮৯০ টাকা। আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ব্যয় হয়েছে ২ লাখ ৮৭ হাজার টাকা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনি প্রচারণা বাবদ খরচ করেছেন ৭১ হাজার ৬০ টাকা। সব মিলিয়ে তিনি মোট ব্যয় করেছেন ৩২ লাখ ৫৮ হাজার ২৩৮ টাকা।

 

ইসি সূত্র আরও জানায়, বিগত নির্বাচনে ভোটারপ্রতি ব্যয় ১০ টাকা হলেও সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকার বেশি কেউ ব্যয় করতে পারতেন না। এবার সেই নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা ব্যয় ধরে যেটি বেশি হবে, প্রার্থীরা সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন।

 

সে হিসাবে ঢাকা-১৫ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন। এই আসনের প্রার্থীরা সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ ১৭ হাজার ১৮০ টাকা পর্যন্ত নির্বাচনি ব্যয় করতে পারতেন। সে হিসেবে জামায়াতের আমির প্রায় আড়াই লাখ টাকা কম ব্যয় করেছেন।

 

আরপিওর অনুচ্ছেদ ৪৪ অনুযায়ী প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয় ভোটারপ্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া অনুচ্ছেদ ১৩ অনুযায়ী প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জামানত জমা দিতে হয়, যা আগে ছিল ২০ হাজার টাকা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

মেধা পাচার নাকি বিশ্বজয়ের পথে বাংলাদেশের নাহিদ আলম?

জামায়াত আমিরের নির্বাচনের ব্যয় বিবরণী প্রকাশ

Update Time : ১১:২৩:৫৯ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৫ আসনে নির্বাচনি ব্যয় করেছেন ৩২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।

 

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া নির্বাচনি ব্যয় বিবরণী থেকে এ তথ্য জানা যায়।

 

ব্যয় বিবরণী বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারণা বাবদ ব্যয় করেছেন ১৫ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫০ টাকা। পরিবহন বাবদ খরচ করেছেন ৮৮ হাজার ৯৬ টাকা। জনসভা করতে খরচ করেছেন ৫ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। নির্বাচনি ক্যাম্পে খরচ হয়েছে ৪ লাখ ১৭ হাজার ৬৪২ টাকা।

 

এ ছাড়া এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফ বাবদ খরচ করেছেন ২ লাখ ৯৩ হাজার ৮৯০ টাকা। আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ব্যয় হয়েছে ২ লাখ ৮৭ হাজার টাকা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনি প্রচারণা বাবদ খরচ করেছেন ৭১ হাজার ৬০ টাকা। সব মিলিয়ে তিনি মোট ব্যয় করেছেন ৩২ লাখ ৫৮ হাজার ২৩৮ টাকা।

 

ইসি সূত্র আরও জানায়, বিগত নির্বাচনে ভোটারপ্রতি ব্যয় ১০ টাকা হলেও সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকার বেশি কেউ ব্যয় করতে পারতেন না। এবার সেই নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা ব্যয় ধরে যেটি বেশি হবে, প্রার্থীরা সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন।

 

সে হিসাবে ঢাকা-১৫ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন। এই আসনের প্রার্থীরা সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ ১৭ হাজার ১৮০ টাকা পর্যন্ত নির্বাচনি ব্যয় করতে পারতেন। সে হিসেবে জামায়াতের আমির প্রায় আড়াই লাখ টাকা কম ব্যয় করেছেন।

 

আরপিওর অনুচ্ছেদ ৪৪ অনুযায়ী প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয় ভোটারপ্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া অনুচ্ছেদ ১৩ অনুযায়ী প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জামানত জমা দিতে হয়, যা আগে ছিল ২০ হাজার টাকা।