শিরোনামঃ
নাচোলে ভূমিসেবা মেলার শুভ উদ্বোধন অতিরিক্ত অধিকাল ভাতার দাবিতে বেনাপোল স্থল বন্দরে মানববন্ধন, এক মাসের আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত। চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ ইটভাটা ও সীসা কারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ২৬ লাখ টাকা বেনাপোল বন্দরে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রেন থেকে মাদক উদ্ধার, চোরাই পণ্য পাচার হচ্ছে যাত্রীবাহী ট্রেনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার  বালিয়াডাঙ্গীতে ৩ দিনব্যাপী ভূমি সেবা সপ্তাহ ও মেলা অনুষ্ঠিত ১৭ দিন পর সোনামসজিদ বন্দরে ফের শুরু হচ্ছে পাথর আমদানি নাচোলে ১৪ বছরের কিশোর ইব্রাহিম নিখোঁজ, দিশেহারা পরিবার যশোর শার্শায় পাঁচ সন্তানের জন্ম দিলেন গৃহবধূ, সবার মৃত্যু নাচোলে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে বিভাগীয় কমিশনারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
News Title :
নাচোলে ভূমিসেবা মেলার শুভ উদ্বোধন অতিরিক্ত অধিকাল ভাতার দাবিতে বেনাপোল স্থল বন্দরে মানববন্ধন, এক মাসের আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত। চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ ইটভাটা ও সীসা কারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ২৬ লাখ টাকা বেনাপোল বন্দরে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রেন থেকে মাদক উদ্ধার, চোরাই পণ্য পাচার হচ্ছে যাত্রীবাহী ট্রেনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার  বালিয়াডাঙ্গীতে ৩ দিনব্যাপী ভূমি সেবা সপ্তাহ ও মেলা অনুষ্ঠিত ১৭ দিন পর সোনামসজিদ বন্দরে ফের শুরু হচ্ছে পাথর আমদানি নাচোলে ১৪ বছরের কিশোর ইব্রাহিম নিখোঁজ, দিশেহারা পরিবার যশোর শার্শায় পাঁচ সন্তানের জন্ম দিলেন গৃহবধূ, সবার মৃত্যু নাচোলে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে বিভাগীয় কমিশনারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিশাল রেকর্ড

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:২৮:৪০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • ৪৬ Time View

বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিশাল রেকর্ড

চলতি বছরের এপ্রিলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিশাল রেকর্ড গড়েছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। মাসজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ ও বিদ্যুতের আকাশচুম্বী চাহিদার মধ্যেও কেন্দ্রটি ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিটেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে।

রোববার (৩ মে) বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সেখানে বলা হয়, জাতীয় সংকটের এ সময়ে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৯ শতাংশেরও বেশি একাই জোগান দিয়েছে কেন্দ্রটি। ফলে এটি জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে এক ধরনের ‘অতন্দ্র প্রহরী’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

এপ্রিলজুড়ে তীব্র দাবদাহের মধ্যেও কেন্দ্রটি গড়ে ৮০ শতাংশ প্লান্ট লোড ফ্যাক্টর (পিএলএফ) ধরে রাখতে সক্ষম হয়। বিশেষ করে মাসের প্রথম সপ্তাহে যখন জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে, তখন কেন্দ্রটি প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন অব্যাহত রেখে গ্রিডের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।

পঞ্চমবারের মতো এক মাসে ৭০০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাইলফলক স্পর্শ করল রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র। ধারাবাহিক এ সাফল্য কেন্দ্রটির নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের দিক থেকেও কেন্দ্রটি অত্যাধুনিক ‘আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল’ প্রযুক্তিতে নির্মিত। এতে ব্যবহৃত উন্নত ফ্লু গ্যাস ডি-সালফারাইজেশন (এফজিডি) প্রযুক্তি পরিবেশগত মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষাও নিশ্চিত করে। একই সঙ্গে শিল্প ও আবাসিক খাতে নিরবচ্ছিন্ন ‘বেসলোড’ বিদ্যুৎ সরবরাহে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কম্পানি লিমিটেডের (বিআইএফপিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক রমানাথ পূজারী বলেন, সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় কেন্দ্র পরিচালনা করা আমাদের শক্তিশালী নকশা ও দলের নিরলস প্রচেষ্টারই ফল। এটি দুই দেশের সফল সহযোগিতার একটি অনন্য উদাহরণ।

বর্তমানে ভারতের এনটিপিসির বিশেষজ্ঞদের তত্তাবধানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বাংলাদেশি প্রকৌশলীরাই কেন্দ্রটির দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এতে দেশের নিজস্ব কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি বড় অর্জন যুক্ত হয়েছে। জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণ ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলা বাংলাদেশের জন্য রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রতিকূল আবহাওয়া ও সর্বোচ্চ চাহিদার সময়েও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ করে কেন্দ্রটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে।

বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার আওতায় নির্মিত, মৈত্রী প্রকল্পটি আমদানি করা কয়লা ব্যবহার করে এবং দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নির্গমণ কমাতে অতি-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এর পরিবেশগত সুরক্ষার মধ্যে রয়েছে ফ্লু-গ্যাস ডিসালফারাইজেশন ইউনিট, ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক প্রিসিপিটেটর, একটি ২৭৫-মিটার চিমনি, ক্লোজড-সাইকেল কুলিং এবং একটি শূন্য-তরল-স্রাব ব্যবস্থা।

আমদানিকৃত জ্বালানির উপর নির্ভরতা সত্ত্বেও, বিদ্যুৎকেন্দ্রের আকার, ধারাবাহিক কর্মক্ষমতা এবং শক্তিশালী জ্বালানি সরবরাহ জাতীয় গ্রিডে কম খরচে স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে চলেছে, যা শিল্প কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করে এবং বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

নাচোলে ভূমিসেবা মেলার শুভ উদ্বোধন

বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিশাল রেকর্ড

Update Time : ১১:২৮:৪০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

চলতি বছরের এপ্রিলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিশাল রেকর্ড গড়েছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। মাসজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ ও বিদ্যুতের আকাশচুম্বী চাহিদার মধ্যেও কেন্দ্রটি ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিটেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে।

রোববার (৩ মে) বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সেখানে বলা হয়, জাতীয় সংকটের এ সময়ে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৯ শতাংশেরও বেশি একাই জোগান দিয়েছে কেন্দ্রটি। ফলে এটি জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে এক ধরনের ‘অতন্দ্র প্রহরী’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

এপ্রিলজুড়ে তীব্র দাবদাহের মধ্যেও কেন্দ্রটি গড়ে ৮০ শতাংশ প্লান্ট লোড ফ্যাক্টর (পিএলএফ) ধরে রাখতে সক্ষম হয়। বিশেষ করে মাসের প্রথম সপ্তাহে যখন জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে, তখন কেন্দ্রটি প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন অব্যাহত রেখে গ্রিডের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।

পঞ্চমবারের মতো এক মাসে ৭০০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাইলফলক স্পর্শ করল রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র। ধারাবাহিক এ সাফল্য কেন্দ্রটির নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের দিক থেকেও কেন্দ্রটি অত্যাধুনিক ‘আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল’ প্রযুক্তিতে নির্মিত। এতে ব্যবহৃত উন্নত ফ্লু গ্যাস ডি-সালফারাইজেশন (এফজিডি) প্রযুক্তি পরিবেশগত মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষাও নিশ্চিত করে। একই সঙ্গে শিল্প ও আবাসিক খাতে নিরবচ্ছিন্ন ‘বেসলোড’ বিদ্যুৎ সরবরাহে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কম্পানি লিমিটেডের (বিআইএফপিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক রমানাথ পূজারী বলেন, সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় কেন্দ্র পরিচালনা করা আমাদের শক্তিশালী নকশা ও দলের নিরলস প্রচেষ্টারই ফল। এটি দুই দেশের সফল সহযোগিতার একটি অনন্য উদাহরণ।

বর্তমানে ভারতের এনটিপিসির বিশেষজ্ঞদের তত্তাবধানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বাংলাদেশি প্রকৌশলীরাই কেন্দ্রটির দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এতে দেশের নিজস্ব কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি বড় অর্জন যুক্ত হয়েছে। জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণ ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলা বাংলাদেশের জন্য রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রতিকূল আবহাওয়া ও সর্বোচ্চ চাহিদার সময়েও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ করে কেন্দ্রটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে।

বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার আওতায় নির্মিত, মৈত্রী প্রকল্পটি আমদানি করা কয়লা ব্যবহার করে এবং দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নির্গমণ কমাতে অতি-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এর পরিবেশগত সুরক্ষার মধ্যে রয়েছে ফ্লু-গ্যাস ডিসালফারাইজেশন ইউনিট, ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক প্রিসিপিটেটর, একটি ২৭৫-মিটার চিমনি, ক্লোজড-সাইকেল কুলিং এবং একটি শূন্য-তরল-স্রাব ব্যবস্থা।

আমদানিকৃত জ্বালানির উপর নির্ভরতা সত্ত্বেও, বিদ্যুৎকেন্দ্রের আকার, ধারাবাহিক কর্মক্ষমতা এবং শক্তিশালী জ্বালানি সরবরাহ জাতীয় গ্রিডে কম খরচে স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে চলেছে, যা শিল্প কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করে এবং বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।