শিরোনামঃ
ছয় দাবিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি শুরু পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে কড়া নজরদারি, বিজিবির সঙ্গে মোতায়েন আনসার-ভিডিপি হামে শিশুর মৃত্যু: ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ৪৮ ঘণ্টা পর শূন্যরেখা থেকে ১১ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ রামিসা হত্যার বিচার তার বাবার আস্থা ফিরিয়ে দিয়েছে: আইনমন্ত্রী বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন শুরু আজ জামিনে মুক্তি পেলেন গোমস্তাপুরের বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল-রাইহান, নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দ প্রবীণদের মুখে হাসি ফোটাতে বৃদ্ধাশ্রমে এসিল্যান্ড শিবু দাশ জিডি করা হারানো ২৩টি মোবাইল উদ্ধার, মালিকদের হাতে তুলে দিলেন——– পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস নাচোলে গ্রাম আদালত সম্পর্কে কর্মশালা অনুষ্ঠিত
News Title :
ছয় দাবিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি শুরু পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে কড়া নজরদারি, বিজিবির সঙ্গে মোতায়েন আনসার-ভিডিপি হামে শিশুর মৃত্যু: ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ৪৮ ঘণ্টা পর শূন্যরেখা থেকে ১১ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ রামিসা হত্যার বিচার তার বাবার আস্থা ফিরিয়ে দিয়েছে: আইনমন্ত্রী বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন শুরু আজ জামিনে মুক্তি পেলেন গোমস্তাপুরের বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল-রাইহান, নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দ প্রবীণদের মুখে হাসি ফোটাতে বৃদ্ধাশ্রমে এসিল্যান্ড শিবু দাশ জিডি করা হারানো ২৩টি মোবাইল উদ্ধার, মালিকদের হাতে তুলে দিলেন——– পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস নাচোলে গ্রাম আদালত সম্পর্কে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

রামিসা হত্যার বিচার তার বাবার আস্থা ফিরিয়ে দিয়েছে: আইনমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:০৯:২৫ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • ২৫ Time View

রামিসা হত্যার বিচারের মাধ্যমে তার বাবার আস্থার জায়গা ফিরিরে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। রোববার (৭ জুন) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের পর সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ অনুযায়ী সাত ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ মূল দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তিনি বলেন, ‘রামিসার বাবার আহাজারি ছিল যে উনি বিচার চান না। কারণ এদেশে এ ধরনের ঘটনার বিচার হবে না। আমরা আশ্বস্ত করেছিলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছিলেন এই ঘটনার আমরা বিচার করতে বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, ২৪ মে চার্জশিট পাওয়ার পর পরই আমরা যখন দেখেছি যে আসামি পক্ষ কোন আইনজীবী দেয়নি তাদের বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অন্যতম একটা প্রক্রিয়া ছিল। আমরা আইনের বিধান মেনে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ২৪ তারিখে আমরা আসামিকে একটি স্টেট ডিফেন্স লয়ার দিতে সক্ষম হই।

 

 

আসাদুজ্জামান বলেন, আজকে রায়ের দিন ধার্য ছিল এবং এটি যথারীতি ঘোষিত হয়েছে। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ থেকে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে, সমস্ত সাক্ষ্য সুবাদ উপস্থাপনপূর্বক যে রায় প্রত্যাশা করেছিলাম, যে রায় প্রস্তাব করেছিলাম, যে রায় আদালতের কাছে প্রার্থনা করেছিলাম, আদালত সমস্ত সাক্ষ্য প্রমাণ আলোচনা করে ৪১ মিনিট শুধু তার পর্যালোচনা এবং আদেশের পাঠটা ঘোষণা করেছেন এবং আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, আমরা রামিসা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত দুইজন আসামি মূল আসামি সোহেল এবং তার সহযোগীতার স্ত্রী তাকে আদালতের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডের রায় পেয়েছি।

আইমন্ত্রী বলেন, মাও সেতুং এর একটি ঐতিহাসিক উক্তি আছে। কোন কোন মৃত্যু থাই পাহাড়ের মত ভারী। কোন কোন মৃত্যু পাখির পালকের মত হালকা। মাননীয় স্পিকার রামিসা হত্যাকাণ্ড আমাদের জীবনে থাই পাহাড়ের মত ভারী হয়ে আছে। আর যদি এই ফাঁসির আসামিদেরকে আমরা ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে তাদের মৃত্যু ঘটাতে পারি, তাহলে সেটা আমাদের জাতির কাছে পাখির পালকের মত হালকা হিসেবে আসবে বলে আমরা বিশ্বাস রাখি।’

আইমন্ত্রী আরও বলেন, সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করেছিলেন রামিসার বাবা বিচার চান না এ বিষয়ে সরকারের বক্তব্য কি? সরকারের পক্ষ থেকে তখন বলা হয়েছিল, এর একমাত্র জবাব হবে তাকে সেই আস্থার জায়গা ফিরিয়ে দেওয়া। আজ রামিসার বাবা বলেছেন এই বিচারে উনি সন্তুষ্ট। আমরা তার আস্থার জায়গা ফিরিয়ে দিতে পেরেছি।

তিনি বলেন, রামিসা সহ সম্প্রতি যে সমস্ত ঘটনা ঘটেছে আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ তদারকির মাধ্যমে তদন্ত এবং বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য যা যা পদক্ষেপ নেওয়া দরকার আমরা নিয়েছি এবং সেই গতিতে আগাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

ছয় দাবিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি শুরু

রামিসা হত্যার বিচার তার বাবার আস্থা ফিরিয়ে দিয়েছে: আইনমন্ত্রী

Update Time : ০২:০৯:২৫ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

রামিসা হত্যার বিচারের মাধ্যমে তার বাবার আস্থার জায়গা ফিরিরে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। রোববার (৭ জুন) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের পর সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ অনুযায়ী সাত ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ মূল দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তিনি বলেন, ‘রামিসার বাবার আহাজারি ছিল যে উনি বিচার চান না। কারণ এদেশে এ ধরনের ঘটনার বিচার হবে না। আমরা আশ্বস্ত করেছিলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছিলেন এই ঘটনার আমরা বিচার করতে বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, ২৪ মে চার্জশিট পাওয়ার পর পরই আমরা যখন দেখেছি যে আসামি পক্ষ কোন আইনজীবী দেয়নি তাদের বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অন্যতম একটা প্রক্রিয়া ছিল। আমরা আইনের বিধান মেনে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ২৪ তারিখে আমরা আসামিকে একটি স্টেট ডিফেন্স লয়ার দিতে সক্ষম হই।

 

 

আসাদুজ্জামান বলেন, আজকে রায়ের দিন ধার্য ছিল এবং এটি যথারীতি ঘোষিত হয়েছে। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ থেকে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে, সমস্ত সাক্ষ্য সুবাদ উপস্থাপনপূর্বক যে রায় প্রত্যাশা করেছিলাম, যে রায় প্রস্তাব করেছিলাম, যে রায় আদালতের কাছে প্রার্থনা করেছিলাম, আদালত সমস্ত সাক্ষ্য প্রমাণ আলোচনা করে ৪১ মিনিট শুধু তার পর্যালোচনা এবং আদেশের পাঠটা ঘোষণা করেছেন এবং আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, আমরা রামিসা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত দুইজন আসামি মূল আসামি সোহেল এবং তার সহযোগীতার স্ত্রী তাকে আদালতের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডের রায় পেয়েছি।

আইমন্ত্রী বলেন, মাও সেতুং এর একটি ঐতিহাসিক উক্তি আছে। কোন কোন মৃত্যু থাই পাহাড়ের মত ভারী। কোন কোন মৃত্যু পাখির পালকের মত হালকা। মাননীয় স্পিকার রামিসা হত্যাকাণ্ড আমাদের জীবনে থাই পাহাড়ের মত ভারী হয়ে আছে। আর যদি এই ফাঁসির আসামিদেরকে আমরা ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে তাদের মৃত্যু ঘটাতে পারি, তাহলে সেটা আমাদের জাতির কাছে পাখির পালকের মত হালকা হিসেবে আসবে বলে আমরা বিশ্বাস রাখি।’

আইমন্ত্রী আরও বলেন, সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করেছিলেন রামিসার বাবা বিচার চান না এ বিষয়ে সরকারের বক্তব্য কি? সরকারের পক্ষ থেকে তখন বলা হয়েছিল, এর একমাত্র জবাব হবে তাকে সেই আস্থার জায়গা ফিরিয়ে দেওয়া। আজ রামিসার বাবা বলেছেন এই বিচারে উনি সন্তুষ্ট। আমরা তার আস্থার জায়গা ফিরিয়ে দিতে পেরেছি।

তিনি বলেন, রামিসা সহ সম্প্রতি যে সমস্ত ঘটনা ঘটেছে আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ তদারকির মাধ্যমে তদন্ত এবং বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য যা যা পদক্ষেপ নেওয়া দরকার আমরা নিয়েছি এবং সেই গতিতে আগাচ্ছে।