শিরোনামঃ
আধুনিক সংবাদ পরিবেশনে আসছে “চাঁপাই জনপদ” সোনামসজিদ বন্দরে বন্ধ পাথর আমদানি, বিপাকে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা আমনুরা বাইপাসে ট্রাকচালককে অস্ত্রের মুখে আটকে ছিনতাইচেষ্টা, আতঙ্কে পথচারীরা খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পে জোর দিচ্ছে সরকার: শিল্পমন্ত্রী বন্ধ চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: শিল্পমন্ত্রী বরেন্দ্র অঞ্চলে চলছে আমন ধান কাটা ও মাড়াই ব্যয় ও বাজার দরের চাপে চাষিরা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কোনো সংকটকে ইস্যু করতে চাই না: গোলাম পরোয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য লন্ডনে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার চাঁপাইনবাবগঞ্জে শেষ হয়নি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন
News Title :
আধুনিক সংবাদ পরিবেশনে আসছে “চাঁপাই জনপদ” সোনামসজিদ বন্দরে বন্ধ পাথর আমদানি, বিপাকে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা আমনুরা বাইপাসে ট্রাকচালককে অস্ত্রের মুখে আটকে ছিনতাইচেষ্টা, আতঙ্কে পথচারীরা খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পে জোর দিচ্ছে সরকার: শিল্পমন্ত্রী বন্ধ চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: শিল্পমন্ত্রী বরেন্দ্র অঞ্চলে চলছে আমন ধান কাটা ও মাড়াই ব্যয় ও বাজার দরের চাপে চাষিরা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কোনো সংকটকে ইস্যু করতে চাই না: গোলাম পরোয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য লন্ডনে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার চাঁপাইনবাবগঞ্জে শেষ হয়নি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন

সোনামসজিদ বন্দরে বন্ধ পাথর আমদানি, বিপাকে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫০:২৭ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ৫৭ Time View

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে পাথর আমদানি ঘিরে সৃষ্ট বিরোধ এখন অর্থনৈতিকভাবে অচলাবস্থায় রূপ নিয়েছে। পাথরের অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু বৃদ্ধি নিয়ে ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের দ্বন্দ্বের জেরে টানা আট দিন ধরে বন্ধ রয়েছে আমদানি কার্যক্রম। এতে স্থবির হয়ে পড়েছে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম, কমেছে রাজস্ব আয়। আর কর্মহীন হয়ে পড়েছেন শত শত শ্রমিক। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এতদিন প্রতি টন পাথরের অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু ছিল প্রায় ১৩ মার্কিন ডলার। কিন্তু হঠাৎ করে তা বাড়িয়ে ১৫ ডলার নির্ধারণ করায় আমদানি ব্যয় বেড়ে গেছে। তাদের দাবি, আমদানি করা পাথরের একটি বড় অংশ প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ নিম্নমানের হওয়ায় ব্যবহারযোগ্য থাকে না। ফলে প্রকৃত লাভ আগেই কম ছিল, নতুন করে মূল্য বাড়ানো হলে তা সরাসরি লোকসানে পরিণত হবে। এ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা প্রতিবাদ হিসেবে ২ মে থেকে আমদানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। আমদানিকারকদের অভিযোগ, তারা পূর্বনির্ধারিত ১৩ ডলারের ভিত্তিতে ব্যাংকের মাধ্যমে এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খুলেছেন। কিন্তু নতুন করে ১৫ ডলারের অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু কার্যকর হলে সেই এলসি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ছে। একদিকে যেমন অতিরিক্ত অর্থের চাপ তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে ব্যাংকিং জটিলতা ও অনিশ্চয়তায় পড়ছেন ব্যবসায়ীরা। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩০০ পাথরবাহী ট্রাক প্রবেশ করত এই স্থলবন্দর দিয়ে। কিন্তু আমদানি বন্ধ থাকায় বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২০ থেকে ৩০টি ট্রাকে, যেগুলো মূলত অন্যান্য পণ্য বহন করছে। ফলে বন্দরের স্বাভাবিক কোলাহল এখন প্রায় নেই বললেই চলে। গুদাম, লোড-আনলোড পয়েন্ট এবং পরিবহন খাত—সবখানেই নেমে এসেছে স্থবিরতা। এই অচলাবস্থার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে দিনমজুর ও শ্রমিকদের ওপর। যারা প্রতিদিন পাথর খালাস, বহন বা সংশ্লিষ্ট কাজে যুক্ত ছিলেন, তারা এখন কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় শ্রমিক নেতা আইনাল হোসেন জানিয়েছেন, কয়েকদিন ধরে কাজ না থাকায় তাদের পরিবার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিকল্প কাজের সুযোগও সীমিত হওয়ায় তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। সোনামসজিদ স্থলবন্দর পানামা পোট লিংক লিমিটেডের ট্রাফিক অফিসার জানান, আমদানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। পাথর আমদানি এই বন্দরের অন্যতম প্রধান রাজস্ব উৎস হওয়ায় এর স্থবিরতা সরাসরি জাতীয় অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলছে। ব্যবসায়ীরা জানান, বর্ধিত অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তারা আমদানি কার্যক্রম পুনরায় শুরু করবেন না। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান না এলে এই অচলাবস্থা আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে পাথর আমদানি ঘিরে সৃষ্ট বিরোধ এখন অর্থনৈতিকভাবে অচলাবস্থায় রূপ নিয়েছে। পাথরের অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু বৃদ্ধি নিয়ে ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের দ্বন্দ্বের জেরে টানা আট দিন ধরে বন্ধ রয়েছে আমদানি কার্যক্রম। এতে স্থবির হয়ে পড়েছে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম, কমেছে রাজস্ব আয়। আর কর্মহীন হয়ে পড়েছেন শত শত শ্রমিক।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এতদিন প্রতি টন পাথরের অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু ছিল প্রায় ১৩ মার্কিন ডলার। কিন্তু হঠাৎ করে তা বাড়িয়ে ১৫ ডলার নির্ধারণ করায় আমদানি ব্যয় বেড়ে গেছে। তাদের দাবি, আমদানি করা পাথরের একটি বড় অংশ প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ নিম্নমানের হওয়ায় ব্যবহারযোগ্য থাকে না। ফলে প্রকৃত লাভ আগেই কম ছিল, নতুন করে মূল্য বাড়ানো হলে তা সরাসরি লোকসানে পরিণত হবে।

এ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা প্রতিবাদ হিসেবে ২ মে থেকে আমদানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। আমদানিকারকদের অভিযোগ, তারা পূর্বনির্ধারিত ১৩ ডলারের ভিত্তিতে ব্যাংকের মাধ্যমে এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খুলেছেন। কিন্তু নতুন করে ১৫ ডলারের অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু কার্যকর হলে সেই এলসি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ছে। একদিকে যেমন অতিরিক্ত অর্থের চাপ তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে ব্যাংকিং জটিলতা ও অনিশ্চয়তায় পড়ছেন ব্যবসায়ীরা। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩০০ পাথরবাহী ট্রাক প্রবেশ করত এই স্থলবন্দর দিয়ে। কিন্তু আমদানি বন্ধ থাকায় বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২০ থেকে ৩০টি ট্রাকে, যেগুলো মূলত অন্যান্য পণ্য বহন করছে। ফলে বন্দরের স্বাভাবিক কোলাহল এখন প্রায় নেই বললেই চলে। গুদাম, লোড-আনলোড পয়েন্ট এবং পরিবহন খাত—সবখানেই নেমে এসেছে স্থবিরতা।

এই অচলাবস্থার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে দিনমজুর ও শ্রমিকদের ওপর। যারা প্রতিদিন পাথর খালাস, বহন বা সংশ্লিষ্ট কাজে যুক্ত ছিলেন, তারা এখন কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় শ্রমিক নেতা আইনাল হোসেন জানিয়েছেন, কয়েকদিন ধরে কাজ না থাকায় তাদের পরিবার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিকল্প কাজের সুযোগও সীমিত হওয়ায় তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।

সোনামসজিদ স্থলবন্দর পানামা পোট লিংক লিমিটেডের ট্রাফিক অফিসার জানান, আমদানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। পাথর আমদানি এই বন্দরের অন্যতম প্রধান রাজস্ব উৎস হওয়ায় এর স্থবিরতা সরাসরি জাতীয় অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, বর্ধিত অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তারা আমদানি কার্যক্রম পুনরায় শুরু করবেন না। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান না এলে এই অচলাবস্থা আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

আধুনিক সংবাদ পরিবেশনে আসছে “চাঁপাই জনপদ”

সোনামসজিদ বন্দরে বন্ধ পাথর আমদানি, বিপাকে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা

Update Time : ১১:৫০:২৭ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে পাথর আমদানি ঘিরে সৃষ্ট বিরোধ এখন অর্থনৈতিকভাবে অচলাবস্থায় রূপ নিয়েছে। পাথরের অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু বৃদ্ধি নিয়ে ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের দ্বন্দ্বের জেরে টানা আট দিন ধরে বন্ধ রয়েছে আমদানি কার্যক্রম। এতে স্থবির হয়ে পড়েছে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম, কমেছে রাজস্ব আয়। আর কর্মহীন হয়ে পড়েছেন শত শত শ্রমিক।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এতদিন প্রতি টন পাথরের অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু ছিল প্রায় ১৩ মার্কিন ডলার। কিন্তু হঠাৎ করে তা বাড়িয়ে ১৫ ডলার নির্ধারণ করায় আমদানি ব্যয় বেড়ে গেছে। তাদের দাবি, আমদানি করা পাথরের একটি বড় অংশ প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ নিম্নমানের হওয়ায় ব্যবহারযোগ্য থাকে না। ফলে প্রকৃত লাভ আগেই কম ছিল, নতুন করে মূল্য বাড়ানো হলে তা সরাসরি লোকসানে পরিণত হবে।

এ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা প্রতিবাদ হিসেবে ২ মে থেকে আমদানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। আমদানিকারকদের অভিযোগ, তারা পূর্বনির্ধারিত ১৩ ডলারের ভিত্তিতে ব্যাংকের মাধ্যমে এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খুলেছেন। কিন্তু নতুন করে ১৫ ডলারের অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু কার্যকর হলে সেই এলসি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ছে। একদিকে যেমন অতিরিক্ত অর্থের চাপ তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে ব্যাংকিং জটিলতা ও অনিশ্চয়তায় পড়ছেন ব্যবসায়ীরা। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩০০ পাথরবাহী ট্রাক প্রবেশ করত এই স্থলবন্দর দিয়ে। কিন্তু আমদানি বন্ধ থাকায় বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২০ থেকে ৩০টি ট্রাকে, যেগুলো মূলত অন্যান্য পণ্য বহন করছে। ফলে বন্দরের স্বাভাবিক কোলাহল এখন প্রায় নেই বললেই চলে। গুদাম, লোড-আনলোড পয়েন্ট এবং পরিবহন খাত—সবখানেই নেমে এসেছে স্থবিরতা।

এই অচলাবস্থার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে দিনমজুর ও শ্রমিকদের ওপর। যারা প্রতিদিন পাথর খালাস, বহন বা সংশ্লিষ্ট কাজে যুক্ত ছিলেন, তারা এখন কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় শ্রমিক নেতা আইনাল হোসেন জানিয়েছেন, কয়েকদিন ধরে কাজ না থাকায় তাদের পরিবার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিকল্প কাজের সুযোগও সীমিত হওয়ায় তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।

সোনামসজিদ স্থলবন্দর পানামা পোট লিংক লিমিটেডের ট্রাফিক অফিসার জানান, আমদানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। পাথর আমদানি এই বন্দরের অন্যতম প্রধান রাজস্ব উৎস হওয়ায় এর স্থবিরতা সরাসরি জাতীয় অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, বর্ধিত অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তারা আমদানি কার্যক্রম পুনরায় শুরু করবেন না। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান না এলে এই অচলাবস্থা আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।