শিরোনামঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বালু উত্তোলনে এলাকাবাসীর বাধা, যন্ত্রাংশ ভাঙচুর শিক্ষা বোর্ড অভিমুখে শিক্ষার্থীরা, সায়েন্সল্যাবে যান চলাচল স্বাভাবিক কমতে শুরু করেছে তিস্তার পানি, কমেছে বন্যার শঙ্কা বিশ্বকাপে ‘৯ কার্ড’ দেখানো রেফারি পেলেন আর্জেন্টিনা ম্যাচের দায়িত্ব এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা পদার্থবিজ্ঞানের ৬ ও ৭ দুটি ভুল প্রশ্নের পুরো নম্বর দেওয়া হবে রথযাত্রা উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা অনৈতিক কাজের সময় যুবক-যুবতী ও দেহ ব্যবসা চক্রের দুই দালালকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক বিদ্যালয়ের ৫৩ পরীক্ষার্থীর ৫২ জনই পেল বৃত্তি নাচোলে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত
News Title :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বালু উত্তোলনে এলাকাবাসীর বাধা, যন্ত্রাংশ ভাঙচুর শিক্ষা বোর্ড অভিমুখে শিক্ষার্থীরা, সায়েন্সল্যাবে যান চলাচল স্বাভাবিক কমতে শুরু করেছে তিস্তার পানি, কমেছে বন্যার শঙ্কা বিশ্বকাপে ‘৯ কার্ড’ দেখানো রেফারি পেলেন আর্জেন্টিনা ম্যাচের দায়িত্ব এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা পদার্থবিজ্ঞানের ৬ ও ৭ দুটি ভুল প্রশ্নের পুরো নম্বর দেওয়া হবে রথযাত্রা উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা অনৈতিক কাজের সময় যুবক-যুবতী ও দেহ ব্যবসা চক্রের দুই দালালকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক বিদ্যালয়ের ৫৩ পরীক্ষার্থীর ৫২ জনই পেল বৃত্তি নাচোলে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

হবিগঞ্জে মুহিবুর হত্যা মামলার মূল আসামি গ্রেফতার

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালদাড়িয়া গ্রামের আলোচিত মুহিবুর রহমান (২৫) হত্যা মামলার মূল আসামিকে প্রায় তিন বছর পর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), হবিগঞ্জ জেলা ইউনিট।

 

গ্রেপ্তারকৃত আসামি মো. ফজল মিয়া (২৭) আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৬ জুন রাত আনুমানিক ৮টার দিকে মুহিবুর রহমান নিজ বাড়ি থেকে গান শোনার কথা বলে বের হন। রাতেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

 

পরদিন ২৭ জুন দুপুর আনুমানিক ১২টা ৪৫ মিনিটে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ৩ নম্বর তেঘরিয়া ইউনিয়নের শিয়ালদাড়িয়া গ্রামের চান মিয়ার ডোবায় একটি ভাসমান লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি মুহিবুর রহমানের বলে শনাক্ত করেন।

 

এ ঘটনায় নিহতের পিতা আতর আলী বাদী হয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা-এ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘদিন মামলাটি ক্লুলেস হিসেবে তদন্তাধীন ছিল।

 

পিবিআই জানায়, অতিরিক্ত আইজিপি মোস্তফা কামাল-এর দিকনির্দেশনা এবং পিবিআই হবিগঞ্জ ইউনিটের পুলিশ সুপার মোঃ হায়াতুন নবী-এর তত্ত্বাবধানে তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক পিযুষ কান্তি দেবনাথ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আব্দুল্লাহপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে সন্দেহভাজন আসামি মো. ফজল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেন।

 

জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ফজল মিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, ব্যক্তিগত আক্রোশের জেরে ২০২৩ সালের ২৬ জুন দিবাগত রাতে মুহিবুর রহমানকে টিউবওয়েলের রড দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে পাশের ডোবায় লাশ ফেলে দেন এবং আত্মগোপনে চলে যান।

 

পিবিআই আরও জানায়, আসামির পিতা মৃত্যুর পর একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে কথাকাটাকাটি এবং পরবর্তীতে স্থানীয় শালিসে জরিমানা ও অপমানিত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফজল মিয়া ক্ষুব্ধ ছিলেন। সেই আক্রোশ থেকেই তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটান বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

 

গ্রেপ্তারের পর আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পিবিআই জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বালু উত্তোলনে এলাকাবাসীর বাধা, যন্ত্রাংশ ভাঙচুর

হবিগঞ্জে মুহিবুর হত্যা মামলার মূল আসামি গ্রেফতার

Update Time : ০৩:২৫:৫৮ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালদাড়িয়া গ্রামের আলোচিত মুহিবুর রহমান (২৫) হত্যা মামলার মূল আসামিকে প্রায় তিন বছর পর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), হবিগঞ্জ জেলা ইউনিট।

 

গ্রেপ্তারকৃত আসামি মো. ফজল মিয়া (২৭) আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৬ জুন রাত আনুমানিক ৮টার দিকে মুহিবুর রহমান নিজ বাড়ি থেকে গান শোনার কথা বলে বের হন। রাতেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

 

পরদিন ২৭ জুন দুপুর আনুমানিক ১২টা ৪৫ মিনিটে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ৩ নম্বর তেঘরিয়া ইউনিয়নের শিয়ালদাড়িয়া গ্রামের চান মিয়ার ডোবায় একটি ভাসমান লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি মুহিবুর রহমানের বলে শনাক্ত করেন।

 

এ ঘটনায় নিহতের পিতা আতর আলী বাদী হয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা-এ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘদিন মামলাটি ক্লুলেস হিসেবে তদন্তাধীন ছিল।

 

পিবিআই জানায়, অতিরিক্ত আইজিপি মোস্তফা কামাল-এর দিকনির্দেশনা এবং পিবিআই হবিগঞ্জ ইউনিটের পুলিশ সুপার মোঃ হায়াতুন নবী-এর তত্ত্বাবধানে তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক পিযুষ কান্তি দেবনাথ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আব্দুল্লাহপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে সন্দেহভাজন আসামি মো. ফজল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেন।

 

জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ফজল মিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, ব্যক্তিগত আক্রোশের জেরে ২০২৩ সালের ২৬ জুন দিবাগত রাতে মুহিবুর রহমানকে টিউবওয়েলের রড দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে পাশের ডোবায় লাশ ফেলে দেন এবং আত্মগোপনে চলে যান।

 

পিবিআই আরও জানায়, আসামির পিতা মৃত্যুর পর একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে কথাকাটাকাটি এবং পরবর্তীতে স্থানীয় শালিসে জরিমানা ও অপমানিত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফজল মিয়া ক্ষুব্ধ ছিলেন। সেই আক্রোশ থেকেই তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটান বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

 

গ্রেপ্তারের পর আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পিবিআই জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।