শিরোনামঃ
আমার বক্তব্য স্পষ্ট, পুলিশ কোনো দলের নয়: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর কোন আম কখন বাজারে আসবে, সময়সূচি ঘোষণা নাচোলে বসতবাড়িতে ককটেল হামলা, মামলা হয়নি থানায় আধুনিক সংবাদ পরিবেশনে আসছে “চাঁপাই জনপদ” সোনামসজিদ বন্দরে বন্ধ পাথর আমদানি, বিপাকে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা আমনুরা বাইপাসে ট্রাকচালককে অস্ত্রের মুখে আটকে ছিনতাইচেষ্টা, আতঙ্কে পথচারীরা খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পে জোর দিচ্ছে সরকার: শিল্পমন্ত্রী বন্ধ চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: শিল্পমন্ত্রী বরেন্দ্র অঞ্চলে চলছে আমন ধান কাটা ও মাড়াই ব্যয় ও বাজার দরের চাপে চাষিরা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কোনো সংকটকে ইস্যু করতে চাই না: গোলাম পরোয়ার
News Title :
আমার বক্তব্য স্পষ্ট, পুলিশ কোনো দলের নয়: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর কোন আম কখন বাজারে আসবে, সময়সূচি ঘোষণা নাচোলে বসতবাড়িতে ককটেল হামলা, মামলা হয়নি থানায় আধুনিক সংবাদ পরিবেশনে আসছে “চাঁপাই জনপদ” সোনামসজিদ বন্দরে বন্ধ পাথর আমদানি, বিপাকে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা আমনুরা বাইপাসে ট্রাকচালককে অস্ত্রের মুখে আটকে ছিনতাইচেষ্টা, আতঙ্কে পথচারীরা খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পে জোর দিচ্ছে সরকার: শিল্পমন্ত্রী বন্ধ চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: শিল্পমন্ত্রী বরেন্দ্র অঞ্চলে চলছে আমন ধান কাটা ও মাড়াই ব্যয় ও বাজার দরের চাপে চাষিরা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কোনো সংকটকে ইস্যু করতে চাই না: গোলাম পরোয়ার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শেষ হয়নি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:০৩:৩২ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ৩৪ Time View

দেশের বেশিরভাগ এলাকায় জ্বালানি সংকট কাটলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংকট রয়েই গেছে। সকাল থেকেই বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারসহ অন্যান্য যানবাহনের দীর্ঘ সারি লেগে থাকে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকেই জ্বালানি নিতে পারছেন না। চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম হওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, দাবি পাম্প মালিকদের। দাম বৃদ্ধির পর সারাদেশে জ্বালানি সংকটের ভোগান্তি কমলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। জেলায় অধিকাংশ পেট্রোল পাম্পে সরবরাহ কম হওয়ায় কোথাও কোথাও পাম্প বন্ধ রাখা হয়েছে। আবার কিছু পাম্পে সীমিত পরিমাণে জ্বালানি বিক্রি করায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। ডিজেল পাওয়া গেলেও বেশি সংকট পেট্রোল-অনটেনে। ভোগান্তি আগের মতোই রয়েছে বলে জানান তেল নিতে আসা বাইকার। ভোক্তাদের অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। যার ফলে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। তেল নিতে আসা একজন বলেন, ‘তেল নিয়ে অনেক বড় একটা সিন্ডিকেট হচ্ছে। এক পাম্পে দিচ্ছে তো আরেক পাম্পে দিচ্ছে না।’ এদিকে, চাহিদার তুলনায় জ্বালানি তেলের বরাদ্দ অনেক কম হওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি পেট্রল পাম্প মালিক সমিতির। অন্যদিকে, সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে বলে জানান চেম্বার অব কমার্সের নেতারা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সভাপতি রাশেদুল হাসান বলেন, ‘সব পাম্পে তেল এভেলএবেল না। আমাদেরকে বলা হয়েছে অ্যাপের মাধ্যমে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকার তেল দেওয়ার জন্য। আমরা যদি এভেলএবেলভাবে তেল দিতে পারতাম তাহলে তেল নিতে মানুষের এত সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হতো না।’ চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র প্রেসিডেন্ট খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘একসঙ্গে যদি অনেক তেল দেওয়া যেত তাহলে এত সমস্যায় পড়তে হতো না।’ তেল মজুত বা কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজাল রাজন। তিনি বলেন, ‘আমরা সব সময় মনিটরিং করছি, কেউ তেল মজুত করছে কিনা।’

দেশের বেশিরভাগ এলাকায় জ্বালানি সংকট কাটলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংকট রয়েই গেছে। সকাল থেকেই বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারসহ অন্যান্য যানবাহনের দীর্ঘ সারি লেগে থাকে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকেই জ্বালানি নিতে পারছেন না। চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম হওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, দাবি পাম্প মালিকদের।

দাম বৃদ্ধির পর সারাদেশে জ্বালানি সংকটের ভোগান্তি কমলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। জেলায় অধিকাংশ পেট্রোল পাম্পে সরবরাহ কম হওয়ায় কোথাও কোথাও পাম্প বন্ধ রাখা হয়েছে। আবার কিছু পাম্পে সীমিত পরিমাণে জ্বালানি বিক্রি করায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। ডিজেল পাওয়া গেলেও বেশি সংকট পেট্রোল-অনটেনে। ভোগান্তি আগের মতোই রয়েছে বলে জানান তেল নিতে আসা বাইকার।

ভোক্তাদের অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। যার ফলে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। তেল নিতে আসা একজন বলেন, ‘তেল নিয়ে অনেক বড় একটা সিন্ডিকেট হচ্ছে। এক পাম্পে দিচ্ছে তো আরেক পাম্পে দিচ্ছে না।’

এদিকে, চাহিদার তুলনায় জ্বালানি তেলের বরাদ্দ অনেক কম হওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি পেট্রল পাম্প মালিক সমিতির। অন্যদিকে, সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে বলে জানান চেম্বার অব কমার্সের নেতারা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সভাপতি রাশেদুল হাসান বলেন, ‘সব পাম্পে তেল এভেলএবেল না। আমাদেরকে বলা হয়েছে অ্যাপের মাধ্যমে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকার তেল দেওয়ার জন্য। আমরা যদি এভেলএবেলভাবে তেল দিতে পারতাম তাহলে তেল নিতে মানুষের এত সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হতো না।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র প্রেসিডেন্ট খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘একসঙ্গে যদি অনেক তেল দেওয়া যেত তাহলে এত সমস্যায় পড়তে হতো না।’

তেল মজুত বা কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজাল রাজন। তিনি বলেন, ‘আমরা সব সময় মনিটরিং করছি, কেউ তেল মজুত করছে কিনা।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

আমার বক্তব্য স্পষ্ট, পুলিশ কোনো দলের নয়: প্রধানমন্ত্রী

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শেষ হয়নি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন

Update Time : ০৯:০৩:৩২ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

দেশের বেশিরভাগ এলাকায় জ্বালানি সংকট কাটলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংকট রয়েই গেছে। সকাল থেকেই বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারসহ অন্যান্য যানবাহনের দীর্ঘ সারি লেগে থাকে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকেই জ্বালানি নিতে পারছেন না। চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম হওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, দাবি পাম্প মালিকদের।

দাম বৃদ্ধির পর সারাদেশে জ্বালানি সংকটের ভোগান্তি কমলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। জেলায় অধিকাংশ পেট্রোল পাম্পে সরবরাহ কম হওয়ায় কোথাও কোথাও পাম্প বন্ধ রাখা হয়েছে। আবার কিছু পাম্পে সীমিত পরিমাণে জ্বালানি বিক্রি করায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। ডিজেল পাওয়া গেলেও বেশি সংকট পেট্রোল-অনটেনে। ভোগান্তি আগের মতোই রয়েছে বলে জানান তেল নিতে আসা বাইকার।

ভোক্তাদের অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। যার ফলে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। তেল নিতে আসা একজন বলেন, ‘তেল নিয়ে অনেক বড় একটা সিন্ডিকেট হচ্ছে। এক পাম্পে দিচ্ছে তো আরেক পাম্পে দিচ্ছে না।’

এদিকে, চাহিদার তুলনায় জ্বালানি তেলের বরাদ্দ অনেক কম হওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি পেট্রল পাম্প মালিক সমিতির। অন্যদিকে, সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে বলে জানান চেম্বার অব কমার্সের নেতারা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সভাপতি রাশেদুল হাসান বলেন, ‘সব পাম্পে তেল এভেলএবেল না। আমাদেরকে বলা হয়েছে অ্যাপের মাধ্যমে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকার তেল দেওয়ার জন্য। আমরা যদি এভেলএবেলভাবে তেল দিতে পারতাম তাহলে তেল নিতে মানুষের এত সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হতো না।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র প্রেসিডেন্ট খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘একসঙ্গে যদি অনেক তেল দেওয়া যেত তাহলে এত সমস্যায় পড়তে হতো না।’

তেল মজুত বা কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজাল রাজন। তিনি বলেন, ‘আমরা সব সময় মনিটরিং করছি, কেউ তেল মজুত করছে কিনা।’