
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার জোড়াদাহ ইউনিয়নের হরিশপুর গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গ্রাম্য শালিশে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হামলায় বিএনপি পরিবারের একাধিকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাত্র ০.৮০ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আক্তারুজ্জামান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগনিক সম্পাদক পারভেজ সাজ্জাদ জবার মধ্যে বিরোধ চলছিল। শনিবার বিকেলে স্থানীয় মাতব্বরদের উদ্যোগে শালিশ মীমাংসার চূড়ান্ত পর্যায়ে বসা হয়।
ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাজেদুর রহমান রনি বলেন, “মিটিং প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে আসে। এ সময় বাজে ভাষা ব্যবহার নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালায়।”
আক্তারুজ্জামান জানান, “৩৭ শতক জমি নিয়ে জবাদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ঝামেলা চলছিল। শালিশে মাতব্বররা তাদের পিলার সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। তখনই আগে থেকে মজুদ করা লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আমাদের পক্ষের আকরাম (৪৫), উন্নতি বেগম (৫০)সহ অন্তত তিনজন গুরুতর আহত হন। অপর পক্ষেরও একজন আহত হয়েছেন বলে শুনেছি।”ঘটনায় আহতদের হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
অভিযুক্ত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ সাজ্জাদ জবা এবং ২নং জোড়াদাহ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রুবেল জোয়ার্দারের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।
হরিণাকুণ্ডু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, “বিষয়টি আমরা জেনেছি। এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তৌহিদ হোসেন,ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি 






















