শিরোনামঃ
নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত নাচোলে বেগম রোকেয়া ও আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস পালিত নাচোলে সাংবাদিকদের সঙ্গে জামায়াত প্রার্থীর মতবিনিময় সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে এলো ৬০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ এমপি হলে বরাদ্দের এক পয়সাও না নেয়ার অঙ্গীকার জামায়াত প্রার্থী – মিজানুর রহমান  চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে মোটরসাইকেল ও মোবাইলসহ আটক ২ বাংলায় কথা বলায়, জোর করে পুশইন, ৪ ভারতীয় দেশে ফেরার অপেক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে সীমান্তে কাস্তে হাতে ভাইরাল কৃষক বাবুলকে বিজিবির সংবর্ধনা  জামিন পেলেও দেশে ফেরা হচ্ছে না অন্তঃসত্ত্বা সোনালিসহ ৬ ভারতীয়র পরিবার সাবলম্বী হলে সমাজ সাবলম্বী হবে, সমাজ সাবলম্বী হলে রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী হবে – বুলবুল
News Title :
নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত নাচোলে বেগম রোকেয়া ও আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস পালিত নাচোলে সাংবাদিকদের সঙ্গে জামায়াত প্রার্থীর মতবিনিময় সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে এলো ৬০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ এমপি হলে বরাদ্দের এক পয়সাও না নেয়ার অঙ্গীকার জামায়াত প্রার্থী – মিজানুর রহমান  চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে মোটরসাইকেল ও মোবাইলসহ আটক ২ বাংলায় কথা বলায়, জোর করে পুশইন, ৪ ভারতীয় দেশে ফেরার অপেক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে সীমান্তে কাস্তে হাতে ভাইরাল কৃষক বাবুলকে বিজিবির সংবর্ধনা  জামিন পেলেও দেশে ফেরা হচ্ছে না অন্তঃসত্ত্বা সোনালিসহ ৬ ভারতীয়র পরিবার সাবলম্বী হলে সমাজ সাবলম্বী হবে, সমাজ সাবলম্বী হলে রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী হবে – বুলবুল

রাত পোহালেই ডাকসু নির্বাচন, বদলে যাবে ইতিহাস

 

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন। আগামীকাল মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোটের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বেছে নেবেন তাদের নতুন নেতৃত্ব।

ডাকসু কেবল একটি ছাত্র সংসদ নয়; এটি দেশের রাজনীতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত বিভিন্ন আন্দোলনে ডাকসুর নেতারা রেখেছেন অবদান। তাই নতুন নেতৃত্বের নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি দেশবাসীরও দৃষ্টি রয়েছে।

প্রচার-প্রচারণা, পোস্টার-ব্যানার, শোভাযাত্রা আর নানা আয়োজন শেষ হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যেই উৎসবের আবহে ভরে উঠেছে। ক্যাম্পাসজুড়ে শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতি একে রূপ দিয়েছে আনন্দমুখর পরিবেশে।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্যে, বহু বছর পর ডাকসু নির্বাচন ঘিরে তারা ভীষণ উৎসাহিত ও উচ্ছ্বসিত। তাদের বিশ্বাস, এই ভোটের মাধ্যমে গড়ে উঠবে নতুন নেতৃত্ব, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক অগ্রগতি ও সামাজিক পরিমণ্ডলকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।

 

শিক্ষার্থীরা চান— এবারের নির্বাচন যেন হয় অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক। তাদের আশা, নতুন নেতৃত্ব ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং ছাত্র রাজনীতিকে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে।

নির্বাচনকে ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। হলে হলে ভোটকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে, পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন থাকবেন। নির্বিঘ্ন ভোট গ্রহণে ভ্রাম্যমাণ আদালতও মাঠে কাজ করবে।

এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অনেকের বিশ্বাস, ডাকসুর নেতৃত্ব শুধু বিশ্ববিদ্যালয় নয়, দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

রাত পোহালেই ভোট। শিক্ষার্থীদের হাতে ইতিহাস গড়ার সুযোগ। এই নির্বাচনই হয়তো বদলে দেবে আগামী দিনের ছাত্র রাজনীতি ও গণতন্ত্রের ধারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত

রাত পোহালেই ডাকসু নির্বাচন, বদলে যাবে ইতিহাস

Update Time : ১১:১৮:২০ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন। আগামীকাল মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোটের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বেছে নেবেন তাদের নতুন নেতৃত্ব।

ডাকসু কেবল একটি ছাত্র সংসদ নয়; এটি দেশের রাজনীতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত বিভিন্ন আন্দোলনে ডাকসুর নেতারা রেখেছেন অবদান। তাই নতুন নেতৃত্বের নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি দেশবাসীরও দৃষ্টি রয়েছে।

প্রচার-প্রচারণা, পোস্টার-ব্যানার, শোভাযাত্রা আর নানা আয়োজন শেষ হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যেই উৎসবের আবহে ভরে উঠেছে। ক্যাম্পাসজুড়ে শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতি একে রূপ দিয়েছে আনন্দমুখর পরিবেশে।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্যে, বহু বছর পর ডাকসু নির্বাচন ঘিরে তারা ভীষণ উৎসাহিত ও উচ্ছ্বসিত। তাদের বিশ্বাস, এই ভোটের মাধ্যমে গড়ে উঠবে নতুন নেতৃত্ব, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক অগ্রগতি ও সামাজিক পরিমণ্ডলকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।

 

শিক্ষার্থীরা চান— এবারের নির্বাচন যেন হয় অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক। তাদের আশা, নতুন নেতৃত্ব ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং ছাত্র রাজনীতিকে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে।

নির্বাচনকে ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। হলে হলে ভোটকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে, পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন থাকবেন। নির্বিঘ্ন ভোট গ্রহণে ভ্রাম্যমাণ আদালতও মাঠে কাজ করবে।

এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অনেকের বিশ্বাস, ডাকসুর নেতৃত্ব শুধু বিশ্ববিদ্যালয় নয়, দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

রাত পোহালেই ভোট। শিক্ষার্থীদের হাতে ইতিহাস গড়ার সুযোগ। এই নির্বাচনই হয়তো বদলে দেবে আগামী দিনের ছাত্র রাজনীতি ও গণতন্ত্রের ধারা।