শিরোনামঃ
মেধা পাচার নাকি বিশ্বজয়ের পথে বাংলাদেশের নাহিদ আলম? হাওরে ডুবছে পাকা ধান, কাঁদছে কৃষক হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোনায় বাড়ছে নদ-নদীর পানি, ধান নিয়ে শঙ্কায় কৃষকরা জুলাই সনদ নিয়ে সরকার গণবিরোধীতায় লিপ্ত হয়েছে স্কুলে এসে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী পাম্পের অনিয়মের ভিডিও করায় ছাত্র অধিকারের নেতাকে মারধর ও আটকে রাখার অভিযোগ ভোলাহাটে জ্বালানি তেল পাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন বজ্রপাতে প্রাণ গেল বাবার, কোল থেকে ছিটকে প্রাণে বাঁচল মেয়ে পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফায় ১৪২ আসনে ভোট আজ
News Title :
মেধা পাচার নাকি বিশ্বজয়ের পথে বাংলাদেশের নাহিদ আলম? হাওরে ডুবছে পাকা ধান, কাঁদছে কৃষক হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোনায় বাড়ছে নদ-নদীর পানি, ধান নিয়ে শঙ্কায় কৃষকরা জুলাই সনদ নিয়ে সরকার গণবিরোধীতায় লিপ্ত হয়েছে স্কুলে এসে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী পাম্পের অনিয়মের ভিডিও করায় ছাত্র অধিকারের নেতাকে মারধর ও আটকে রাখার অভিযোগ ভোলাহাটে জ্বালানি তেল পাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন বজ্রপাতে প্রাণ গেল বাবার, কোল থেকে ছিটকে প্রাণে বাঁচল মেয়ে পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফায় ১৪২ আসনে ভোট আজ

জেলা বিএনপির রাজনীতিতে নতুন আলোচনায় তবিউল ইসলাম তারিফ

আসন্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির কাউন্সিলকে সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। পোস্টটিতে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে তবিউল ইসলাম তারিফকে দেখতে চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে, যা ইতোমধ্যে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

 

ভাইরাল হওয়া পোস্টে বলা হয়েছে, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে একজন সাহসী ও রাজপথের লড়াকু নেতাকে দেখতে চান নেতাকর্মীরা। সেখানে তবিউল ইসলাম তারিফকে সাবেক ছাত্রনেতা, সাবেক জেলা যুবদলের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক ও সফল সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাকে বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা যুবদলের বিপ্লবী আহ্বায়ক এবং তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক অকুতোভয় রাজনীতিবিদ বলেও বর্ণনা করা হয়।

 

পোস্টটিতে আরও দাবি করা হয়েছে, স্বৈরাচারী সরকারের আমলে তিনি রাজপথে আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন এবং হামলা-মামলা ও জেল-জুলুম সহ্য করেও দলের প্রতি অবিচল থেকেছেন। তাই আগামী কাউন্সিলে তাকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চান অনেক নেতাকর্মী—এমন প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

 

এদিকে পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই পোস্টটির পক্ষে মত দিচ্ছেন, আবার কেউ কেউ এটিকে কাউন্সিলকে ঘিরে আগাম রাজনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে দেখছেন।

 

এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই পোস্টের বিষয়ে আমার জানা নেই এবং আমার চোখেও এখন পর্যন্ত পড়েনি। তবে প্রত্যেকেরই গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে, যে যে পদে পদপ্রার্থী হতে চাই হতে পারবে। আর কাউন্সিলের বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আমাকে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের চিঠি দেয়নি।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কাউন্সিলকে সামনে রেখে বিভিন্ন পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে এমন আলোচনা ও প্রচারণা রাজনৈতিক অঙ্গনে স্বাভাবিক বিষয়। কাউন্সিল যত ঘনিয়ে আসবে, ততই এ ধরনের আলোচনা আরও বাড়তে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

মেধা পাচার নাকি বিশ্বজয়ের পথে বাংলাদেশের নাহিদ আলম?

জেলা বিএনপির রাজনীতিতে নতুন আলোচনায় তবিউল ইসলাম তারিফ

Update Time : ০৮:৩২:৫৬ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

আসন্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির কাউন্সিলকে সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। পোস্টটিতে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে তবিউল ইসলাম তারিফকে দেখতে চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে, যা ইতোমধ্যে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

 

ভাইরাল হওয়া পোস্টে বলা হয়েছে, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে একজন সাহসী ও রাজপথের লড়াকু নেতাকে দেখতে চান নেতাকর্মীরা। সেখানে তবিউল ইসলাম তারিফকে সাবেক ছাত্রনেতা, সাবেক জেলা যুবদলের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক ও সফল সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাকে বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা যুবদলের বিপ্লবী আহ্বায়ক এবং তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক অকুতোভয় রাজনীতিবিদ বলেও বর্ণনা করা হয়।

 

পোস্টটিতে আরও দাবি করা হয়েছে, স্বৈরাচারী সরকারের আমলে তিনি রাজপথে আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন এবং হামলা-মামলা ও জেল-জুলুম সহ্য করেও দলের প্রতি অবিচল থেকেছেন। তাই আগামী কাউন্সিলে তাকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চান অনেক নেতাকর্মী—এমন প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

 

এদিকে পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই পোস্টটির পক্ষে মত দিচ্ছেন, আবার কেউ কেউ এটিকে কাউন্সিলকে ঘিরে আগাম রাজনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে দেখছেন।

 

এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই পোস্টের বিষয়ে আমার জানা নেই এবং আমার চোখেও এখন পর্যন্ত পড়েনি। তবে প্রত্যেকেরই গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে, যে যে পদে পদপ্রার্থী হতে চাই হতে পারবে। আর কাউন্সিলের বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আমাকে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের চিঠি দেয়নি।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কাউন্সিলকে সামনে রেখে বিভিন্ন পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে এমন আলোচনা ও প্রচারণা রাজনৈতিক অঙ্গনে স্বাভাবিক বিষয়। কাউন্সিল যত ঘনিয়ে আসবে, ততই এ ধরনের আলোচনা আরও বাড়তে পারে।