শিরোনামঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লিনিকে শেয়ার থাকায় জামায়াতপন্থী ৫ চিকিৎসককে বদলি চাঁপাইনবাবগঞ্জে দিনে-রাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদী থেকে দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, এখনো নিখোঁজ ১ চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা ও মহানন্দায় গোসল করতে নেমে দুই স্কুলছাত্র সহ ৩ জন নিখোঁজ খামেনীর জানাযায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের এমপি ড. কেরামত আলী লাঠিসোঁটা নিয়ে পদ্মা নদী পাহারায় গ্রামবাসী, “জীবন দিব কিন্তু বালু তুলতে দিব না” ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪ বাজেটে হার্টের রিং ও চোখের লেন্সের খরচ অর্ধেকে নেমে আসবে হঠাৎ ‘অস্বাভাবিক’ বাড়তি বিল নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের জরুরি নির্দেশনা নবম পে স্কেল: কারা পাচ্ছেন সুবিধা, কারা থাকছেন অপেক্ষায়
News Title :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লিনিকে শেয়ার থাকায় জামায়াতপন্থী ৫ চিকিৎসককে বদলি চাঁপাইনবাবগঞ্জে দিনে-রাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদী থেকে দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, এখনো নিখোঁজ ১ চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা ও মহানন্দায় গোসল করতে নেমে দুই স্কুলছাত্র সহ ৩ জন নিখোঁজ খামেনীর জানাযায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের এমপি ড. কেরামত আলী লাঠিসোঁটা নিয়ে পদ্মা নদী পাহারায় গ্রামবাসী, “জীবন দিব কিন্তু বালু তুলতে দিব না” ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪ বাজেটে হার্টের রিং ও চোখের লেন্সের খরচ অর্ধেকে নেমে আসবে হঠাৎ ‘অস্বাভাবিক’ বাড়তি বিল নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের জরুরি নির্দেশনা নবম পে স্কেল: কারা পাচ্ছেন সুবিধা, কারা থাকছেন অপেক্ষায়

এইচএসসি প্রথম পত্র পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না সেই আনিসা

 

এইচএসসির বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না আলোচিত পরীক্ষার্থী আনিসা আহমেদ। রাজধানীর সরকারি মিরপুর বাংলা কলেজ কেন্দ্রে এক ঘণ্টা বিলম্বে যাওয়ায় পরীক্ষা দিতে পারেননি তিনি।

ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের এই শিক্ষার্থী চলতি বছরের ২৬ জুন পরীক্ষার প্রথম দিন প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে কেন্দ্রে পৌঁছান। সেই সময় কেন্দ্রের সামনে তার কান্নার ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, স্ট্রোক করা মাকে হাসপাতালে নেওয়ার কারণে আনিসা সময়মতো পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।

তখন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার জানিয়েছিলেন, তার পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বিষয়ে সরকারি পর্যায়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, ভবিষ্যতেও হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সামাজিক মাধ্যমে যেভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছে, তা পুরোপুরি সঠিক নয়। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ঢাকা বোর্ডের দুটি টিম আলাদা তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, যেখানে আনিসার দাবির প্রমাণ মেলেনি।

 

 

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, এ বিষয়ে আমাদের কোনো সিদ্ধান্ত নেই। যে বিষয়ের পরীক্ষা দিতে পারেনি, সেই পত্রে যদি ৬৬ নম্বর পায়, তাহলেই সে পাস করবে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে আনিসার ব্যবহৃত নাম্বারে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

উল্লেখ্য, ২৬ জুন পরীক্ষায় অংশ নিতে না পেরে কেন্দ্রের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন আনিসা। সামাজিক মাধ্যমে বলা হয়, তার বাবা নেই, আর সেদিন সকালে মা মেজর স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। পরিবারের একমাত্র দায়িত্বশীল সদস্য হওয়ায় মাকে হাসপাতালে নেওয়ার দায়িত্বও তাকেই পালন করতে হয়, ফলে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে দেরি হয় এবং তাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লিনিকে শেয়ার থাকায় জামায়াতপন্থী ৫ চিকিৎসককে বদলি

এইচএসসি প্রথম পত্র পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না সেই আনিসা

Update Time : ০৯:৪৭:০১ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১০ আগস্ট ২০২৫

 

এইচএসসির বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না আলোচিত পরীক্ষার্থী আনিসা আহমেদ। রাজধানীর সরকারি মিরপুর বাংলা কলেজ কেন্দ্রে এক ঘণ্টা বিলম্বে যাওয়ায় পরীক্ষা দিতে পারেননি তিনি।

ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের এই শিক্ষার্থী চলতি বছরের ২৬ জুন পরীক্ষার প্রথম দিন প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে কেন্দ্রে পৌঁছান। সেই সময় কেন্দ্রের সামনে তার কান্নার ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, স্ট্রোক করা মাকে হাসপাতালে নেওয়ার কারণে আনিসা সময়মতো পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।

তখন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার জানিয়েছিলেন, তার পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বিষয়ে সরকারি পর্যায়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, ভবিষ্যতেও হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সামাজিক মাধ্যমে যেভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছে, তা পুরোপুরি সঠিক নয়। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ঢাকা বোর্ডের দুটি টিম আলাদা তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, যেখানে আনিসার দাবির প্রমাণ মেলেনি।

 

 

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, এ বিষয়ে আমাদের কোনো সিদ্ধান্ত নেই। যে বিষয়ের পরীক্ষা দিতে পারেনি, সেই পত্রে যদি ৬৬ নম্বর পায়, তাহলেই সে পাস করবে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে আনিসার ব্যবহৃত নাম্বারে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

উল্লেখ্য, ২৬ জুন পরীক্ষায় অংশ নিতে না পেরে কেন্দ্রের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন আনিসা। সামাজিক মাধ্যমে বলা হয়, তার বাবা নেই, আর সেদিন সকালে মা মেজর স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। পরিবারের একমাত্র দায়িত্বশীল সদস্য হওয়ায় মাকে হাসপাতালে নেওয়ার দায়িত্বও তাকেই পালন করতে হয়, ফলে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে দেরি হয় এবং তাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।