শিরোনামঃ
বর্ডার পার হয়ে গেল ২০০ গরু, বিএসএফ জানালে জানলো বিজিবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল নিবন্ধনে উপচে পড়া ভিড় এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে যান চলাচলে ডিএমপির নির্দেশনা চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় পাপিয়া ও শুচি মহিলালীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে ফুটবল মাঠ ভরাট ও গোরস্থানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আমনুরায় চুক্তি শেষ হওয়ায় ৫০ মেগাওয়াট কেন্দ্র বন্ধ, চাপে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভোলাহাটে মাদকের বিরুদ্ধে ওসি বারিকের বিশেষ অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিমরুলের কামড়ে প্রাণ গেলো বৃদ্ধের, ১০ জনের বেশি আহত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিএমডি’র আধুনিক শেচ প্রযুক্তি ও খাল খননে বদলে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি
News Title :
বর্ডার পার হয়ে গেল ২০০ গরু, বিএসএফ জানালে জানলো বিজিবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল নিবন্ধনে উপচে পড়া ভিড় এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে যান চলাচলে ডিএমপির নির্দেশনা চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় পাপিয়া ও শুচি মহিলালীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে ফুটবল মাঠ ভরাট ও গোরস্থানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আমনুরায় চুক্তি শেষ হওয়ায় ৫০ মেগাওয়াট কেন্দ্র বন্ধ, চাপে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভোলাহাটে মাদকের বিরুদ্ধে ওসি বারিকের বিশেষ অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিমরুলের কামড়ে প্রাণ গেলো বৃদ্ধের, ১০ জনের বেশি আহত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিএমডি’র আধুনিক শেচ প্রযুক্তি ও খাল খননে বদলে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি

অভিষেক-নাহিদুলের ঝড়ে ফাইনালে খুলনা

সিলেটে বৃষ্টি থামলেও থামেনি রোমাঞ্চ। আজ জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) প্রথম কোয়ালিফায়ারে দারুণ সূচনা করেও শেষ হাসি হাসতে পারেনি চট্টগ্রাম। অভিষেক দাস ও নাহিদুল ইসলামের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৯ ওভারে ৭৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৩ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটে জয় পেয়েছে খুলনা। সেই সঙ্গে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে তারা।

টস হেরে আগে ব্যাট করে চট্টগ্রাম নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তোলে ১৪৯ রান। অধিনায়ক ইয়াসির আলী রাব্বি খেলেন ৩৭ বলে ৪৫ রানের ইনিংস, সঙ্গে ইরফান শুক্কুরের ৩৩ বলে ৩৯ রান ও শাহাদাত হোসেন দিপুর ১৯ বলে ২৫ রান দলকে দেয় লড়াইয়ের পুঁজি। শেষদিকে বড় শট না আসায় রান কিছুটা কমে যায়, কিন্তু উইকেট হাতে রেখেই ব্যাটিং শেষ করায় স্কোরটা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ছিল।

তবে খুলনা ব্যাট হাতে নামার আগেই শুরু হয় বৃষ্টি। ম্যাচ নেমে আসে ৯ ওভারে, লক্ষ্য দাঁড়ায় ৭৮ রানের। বৃষ্টির পর ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপর্যয়ে পড়ে খুলনা। ৫ ওভার শেষে দলের রান মাত্র ৩০, উইকেট পড়ে গেছে ৫টি। এনামুল হক বিজয়, মোহাম্মদ মিঠুন, সৌম্য সরকার, জিয়াউর রহমান ও আফিফ হোসেন-একজনও টিকতে পারেননি।

সেই কঠিন পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরেন দুই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার-অভিষেক দাস ও নাহিদুল ইসলাম। তখন খুলনার জয়ের জন্য দরকার ২৪ বলে ৪৮ রান, টি–টোয়েন্টির হিসেবে প্রায় অসম্ভব সমীকরণ। কিন্তু এই দুই ব্যাটার সেই সমীকরণটিকে করে ফেলেন অঙ্কের খেলা।

নাঈম হাসানের এক ওভারে চার ও ছক্কা মেরে চাপ কমান নাহিদুল। এরপর হাসান মুরাদের পরের ওভারে টানা দুটি ছক্কা হাঁকান অভিষেক দাস। শেষ দুই ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৭ রান, কিন্তু তারা ম্যাচ শেষ করেন ৩ বল আগেই।

২০ বলের অবিচ্ছিন্ন সপ্তম উইকেট জুটিতে দুজন মিলে যোগ করেন ৫১ রান। ১১ বলে ৩ ছক্কা ও ২ চারে ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন অভিষেক দাস, আর ৯ বলে ২১ রান আসে নাহিদুল ইসলামের ব্যাট থেকে।

শেষ পর্যন্ত খুলনা জেতে ডাকওয়ার্থ–লুইস পদ্ধতিতে ৪ উইকেটে। এমন জয় এনে দিয়েই ফাইনালের টিকিট কেটে নেয় তারা। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের এখনো সুযোগ আছে শিরোপা লড়াইয়ে ওঠার। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রংপুরের বিপক্ষে জিততে পারলে ফাইনালে ফিরতে পারবে ইয়াসির আলীর দল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

বর্ডার পার হয়ে গেল ২০০ গরু, বিএসএফ জানালে জানলো বিজিবি

অভিষেক-নাহিদুলের ঝড়ে ফাইনালে খুলনা

Update Time : ১১:৩৭:৪৭ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

সিলেটে বৃষ্টি থামলেও থামেনি রোমাঞ্চ। আজ জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) প্রথম কোয়ালিফায়ারে দারুণ সূচনা করেও শেষ হাসি হাসতে পারেনি চট্টগ্রাম। অভিষেক দাস ও নাহিদুল ইসলামের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৯ ওভারে ৭৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৩ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটে জয় পেয়েছে খুলনা। সেই সঙ্গে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে তারা।

টস হেরে আগে ব্যাট করে চট্টগ্রাম নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তোলে ১৪৯ রান। অধিনায়ক ইয়াসির আলী রাব্বি খেলেন ৩৭ বলে ৪৫ রানের ইনিংস, সঙ্গে ইরফান শুক্কুরের ৩৩ বলে ৩৯ রান ও শাহাদাত হোসেন দিপুর ১৯ বলে ২৫ রান দলকে দেয় লড়াইয়ের পুঁজি। শেষদিকে বড় শট না আসায় রান কিছুটা কমে যায়, কিন্তু উইকেট হাতে রেখেই ব্যাটিং শেষ করায় স্কোরটা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ছিল।

তবে খুলনা ব্যাট হাতে নামার আগেই শুরু হয় বৃষ্টি। ম্যাচ নেমে আসে ৯ ওভারে, লক্ষ্য দাঁড়ায় ৭৮ রানের। বৃষ্টির পর ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপর্যয়ে পড়ে খুলনা। ৫ ওভার শেষে দলের রান মাত্র ৩০, উইকেট পড়ে গেছে ৫টি। এনামুল হক বিজয়, মোহাম্মদ মিঠুন, সৌম্য সরকার, জিয়াউর রহমান ও আফিফ হোসেন-একজনও টিকতে পারেননি।

সেই কঠিন পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরেন দুই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার-অভিষেক দাস ও নাহিদুল ইসলাম। তখন খুলনার জয়ের জন্য দরকার ২৪ বলে ৪৮ রান, টি–টোয়েন্টির হিসেবে প্রায় অসম্ভব সমীকরণ। কিন্তু এই দুই ব্যাটার সেই সমীকরণটিকে করে ফেলেন অঙ্কের খেলা।

নাঈম হাসানের এক ওভারে চার ও ছক্কা মেরে চাপ কমান নাহিদুল। এরপর হাসান মুরাদের পরের ওভারে টানা দুটি ছক্কা হাঁকান অভিষেক দাস। শেষ দুই ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৭ রান, কিন্তু তারা ম্যাচ শেষ করেন ৩ বল আগেই।

২০ বলের অবিচ্ছিন্ন সপ্তম উইকেট জুটিতে দুজন মিলে যোগ করেন ৫১ রান। ১১ বলে ৩ ছক্কা ও ২ চারে ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন অভিষেক দাস, আর ৯ বলে ২১ রান আসে নাহিদুল ইসলামের ব্যাট থেকে।

শেষ পর্যন্ত খুলনা জেতে ডাকওয়ার্থ–লুইস পদ্ধতিতে ৪ উইকেটে। এমন জয় এনে দিয়েই ফাইনালের টিকিট কেটে নেয় তারা। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের এখনো সুযোগ আছে শিরোপা লড়াইয়ে ওঠার। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রংপুরের বিপক্ষে জিততে পারলে ফাইনালে ফিরতে পারবে ইয়াসির আলীর দল।