শিরোনামঃ
মেধা পাচার নাকি বিশ্বজয়ের পথে বাংলাদেশের নাহিদ আলম? হাওরে ডুবছে পাকা ধান, কাঁদছে কৃষক হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোনায় বাড়ছে নদ-নদীর পানি, ধান নিয়ে শঙ্কায় কৃষকরা জুলাই সনদ নিয়ে সরকার গণবিরোধীতায় লিপ্ত হয়েছে স্কুলে এসে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী পাম্পের অনিয়মের ভিডিও করায় ছাত্র অধিকারের নেতাকে মারধর ও আটকে রাখার অভিযোগ ভোলাহাটে জ্বালানি তেল পাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন বজ্রপাতে প্রাণ গেল বাবার, কোল থেকে ছিটকে প্রাণে বাঁচল মেয়ে পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফায় ১৪২ আসনে ভোট আজ
News Title :
মেধা পাচার নাকি বিশ্বজয়ের পথে বাংলাদেশের নাহিদ আলম? হাওরে ডুবছে পাকা ধান, কাঁদছে কৃষক হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোনায় বাড়ছে নদ-নদীর পানি, ধান নিয়ে শঙ্কায় কৃষকরা জুলাই সনদ নিয়ে সরকার গণবিরোধীতায় লিপ্ত হয়েছে স্কুলে এসে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী পাম্পের অনিয়মের ভিডিও করায় ছাত্র অধিকারের নেতাকে মারধর ও আটকে রাখার অভিযোগ ভোলাহাটে জ্বালানি তেল পাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন বজ্রপাতে প্রাণ গেল বাবার, কোল থেকে ছিটকে প্রাণে বাঁচল মেয়ে পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফায় ১৪২ আসনে ভোট আজ

পূণর চাঁদপুর কমিউনিটি ক্লিনিক ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে সেবা প্রদান

 

শাহিন আলম, স্টাফ রিপোর্টারঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর ইউনিয়নের পূণর চাঁদপুর কমিউনিটি ক্লিনিক দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে। প্রায় ৬ হাজার পরিবারের স্বাস্থ্যসেবা এই ক্লিনিকের মাধ্যমে পৌঁছে গেলেও ভবনের জরাজীর্ণ অবস্থা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সেবা নিতে আসা রোগীরা।
স্থানীয়রা জানান, ক্লিনিকটির ভবন ফাটল ধরে একদিকে হেলে পড়েছে। যে কোনো মুহূর্তে ধসে পড়তে পারে এমন আশঙ্কায় রোগী ও সেবাদানকারী উভয়েই আতঙ্কে থাকেন।
হিরোপাড়া গ্রামের চেনু বেগম বলেন, আমরা গরীব মানুষ এই ক্লিনিকে এসে ওষুধ নেই। কিন্তু ভবনটি হেলে থাকায় যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এতে চিকিৎসক যেমন ঝুঁকিতে থাকেন, আমরাও ঝুঁকিতে থাকি। তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দরকার।”
পূণর চাঁদপুর গ্রামের শ্রী নির্মল মাস্টার জানান, এখানে আমরা চিকিৎসা ও ওষুধ সেবা ভালোই পাই। কিন্তু ভবনটি জরাজীর্ণ ও ফাটল ধরা। চলাকালীন সময়ে যদি ধসে পড়ে তবে বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে।
কাঁঠাল চাঁদপুর গ্রামের আয়েশা বেগমও একই অভিযোগ তুলে বলেন, “আমরা নিয়মিত এখান থেকে ওষুধ নেই, অনেক উপকার হয়। কিন্তু ভবনের অবস্থা এতটাই খারাপ যে ভয় নিয়ে প্রবেশ করতে হয়।
এ বিষয়ে পূণর চাঁদপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি মোহাইমেনুল বলেন, “আমি ১২ বছর ধরে জনগণের দোরগোড়ায় চিকিৎসা দিয়ে আসছি। কিন্তু ক্লিনিকের ভবনটি এখন ফাটল ধরে একদিকে হেলে পড়েছে। আমি ভয় নিয়ে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি। যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে যেতে পারে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।”
স্থানীয়রা দ্রুত পূণর চাঁদপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প.প.কর্মকর্তা আব্দুল হামিদ বলেন, ক্লিনিকে ফাটল বিষয়টি আমি জানি, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবগত করা হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

Categories

মেধা পাচার নাকি বিশ্বজয়ের পথে বাংলাদেশের নাহিদ আলম?

পূণর চাঁদপুর কমিউনিটি ক্লিনিক ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে সেবা প্রদান

Update Time : ১১:৫৫:৩৯ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫

 

শাহিন আলম, স্টাফ রিপোর্টারঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর ইউনিয়নের পূণর চাঁদপুর কমিউনিটি ক্লিনিক দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে। প্রায় ৬ হাজার পরিবারের স্বাস্থ্যসেবা এই ক্লিনিকের মাধ্যমে পৌঁছে গেলেও ভবনের জরাজীর্ণ অবস্থা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সেবা নিতে আসা রোগীরা।
স্থানীয়রা জানান, ক্লিনিকটির ভবন ফাটল ধরে একদিকে হেলে পড়েছে। যে কোনো মুহূর্তে ধসে পড়তে পারে এমন আশঙ্কায় রোগী ও সেবাদানকারী উভয়েই আতঙ্কে থাকেন।
হিরোপাড়া গ্রামের চেনু বেগম বলেন, আমরা গরীব মানুষ এই ক্লিনিকে এসে ওষুধ নেই। কিন্তু ভবনটি হেলে থাকায় যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এতে চিকিৎসক যেমন ঝুঁকিতে থাকেন, আমরাও ঝুঁকিতে থাকি। তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দরকার।”
পূণর চাঁদপুর গ্রামের শ্রী নির্মল মাস্টার জানান, এখানে আমরা চিকিৎসা ও ওষুধ সেবা ভালোই পাই। কিন্তু ভবনটি জরাজীর্ণ ও ফাটল ধরা। চলাকালীন সময়ে যদি ধসে পড়ে তবে বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে।
কাঁঠাল চাঁদপুর গ্রামের আয়েশা বেগমও একই অভিযোগ তুলে বলেন, “আমরা নিয়মিত এখান থেকে ওষুধ নেই, অনেক উপকার হয়। কিন্তু ভবনের অবস্থা এতটাই খারাপ যে ভয় নিয়ে প্রবেশ করতে হয়।
এ বিষয়ে পূণর চাঁদপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি মোহাইমেনুল বলেন, “আমি ১২ বছর ধরে জনগণের দোরগোড়ায় চিকিৎসা দিয়ে আসছি। কিন্তু ক্লিনিকের ভবনটি এখন ফাটল ধরে একদিকে হেলে পড়েছে। আমি ভয় নিয়ে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি। যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে যেতে পারে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।”
স্থানীয়রা দ্রুত পূণর চাঁদপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প.প.কর্মকর্তা আব্দুল হামিদ বলেন, ক্লিনিকে ফাটল বিষয়টি আমি জানি, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবগত করা হয়েছে।