
দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামি কৃষকের ছদ্মবেশে ফসলি মাঠে আত্মগোপন করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেই কৌশলও কাজে আসেনি। নাচোল থানার এএসআই ফরহাদ হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে নাটকীয়ভাবে তাকে গ্রেপ্তার করেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৬টা ৩৫ মিনিটে নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর থানাধীন রাওতা গ্রামের একটি ফসলি মাঠ থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি সুশিল, মৃত শুকান্তের ছেলে। তার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল থানার রাজবাড়ী হাট টাওয়ারপাড়া এলাকায়।
পুলিশ জানায়, নাচোল থানার জিআর-৫৫/১৭ (সেশন-৭৩/১৮) মামলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০-এর ২০ ও ২২(গ) ধারায় আদালত তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এএসআই ফরহাদ হোসেন জানতে পারেন, সাজাপ্রাপ্ত আসামি কৃষকের বেশ ধরে নওগাঁ জেলার একটি ফসলি মাঠে অবস্থান করছেন। পরে পরিকল্পিত অভিযান চালিয়ে তাকে সফলভাবে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, অপরাধী যতই কৌশল অবলম্বন করুক না কেন, আইনের হাত থেকে শেষ পর্যন্ত রক্ষা পাওয়ার সুযোগ নেই। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে জেলা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এবিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, “আইনের দৃষ্টিতে কেউই ঊর্ধ্বে নন। সাজাপ্রাপ্ত আসামি যতই আত্মগোপন করুক বা ছদ্মবেশ ধারণ করুক না কেন, জেলা পুলিশের পেশাদার ও গোয়েন্দাভিত্তিক তৎপরতার মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় আনা হবেই। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আদালতের রায় বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।”
জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধী যতই কৌশল অবলম্বন করুক না কেন, আইনের হাত থেকে শেষ পর্যন্ত রক্ষা পাওয়ার সুযোগ নেই। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে জেলা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 

















